ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Dilip Ghosh returns Kolkata : মোদির সভার পরদিনই দিল্লি থেকে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ, বললেন ‘প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যে জোরদার কাজ করতে’

Dilip Ghosh returns Kolkata : মোদির সভার পরদিনই দিল্লি থেকে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ, বললেন ‘প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যে জোরদার কাজ করতে’

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   “প্রেসিডেন্ট যদি আমাকে গল্প করতে ডাকেন তাহলে কি করা যাবে? আমি গেলাম। গল্প করলাম।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার নির্বাচনী কেন্দ্র দুর্গাপুরে এসে জনসংখ্যা করলেও সেখানে না থেকে কেন দিল্লিতে চলে গিয়েছিলেন কলকাতায় ফিরে এভাবেই তার....

Dilip Ghosh returns Kolkata : মোদির সভার পরদিনই দিল্লি থেকে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ, বললেন ‘প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যে জোরদার কাজ করতে’

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Dilip Ghosh returns Kolkata : মোদির সভার পরদিনই দিল্লি থেকে ফিরলেন দিলীপ ঘোষ, বললেন ‘প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যে জোরদার কাজ করতে’

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   “প্রেসিডেন্ট যদি আমাকে গল্প করতে ডাকেন তাহলে কি করা যাবে? আমি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

“প্রেসিডেন্ট যদি আমাকে গল্প করতে ডাকেন তাহলে কি করা যাবে? আমি গেলাম। গল্প করলাম।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার নির্বাচনী কেন্দ্র দুর্গাপুরে এসে জনসংখ্যা করলেও সেখানে না থেকে কেন দিল্লিতে চলে গিয়েছিলেন কলকাতায় ফিরে এভাবেই তার ব্যাখ্যা দিলেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দুর্গাপুর থেকে বিজেপির প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

শুক্রবার যখন মোদী বাংলা সফরে সেদিনই সবাইকে অবাক করে দিল্লিতে জে পি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করতে যান দিলীপ ঘোষ। শনিবারও দিলীপ ঘোষের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের প্রশ্ন, স্রেফ ১ ঘণ্টা গল্প হল? উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট যদি আমাকে গল্প করতে ডাকেন তাহলে কি করা যাবে? আমি গেলাম। গল্প করলাম। সংগঠনের বিষয়ে অনেক কথা হল। ২৬ এর ভোট, সংগঠন, প্রস্তুতি, সব নিয়ে কথা হল। উনি বললেন, রাজ্যে গিয়ে জোরদার কাজ করুন।’

কোনও দায়িত্ব পেলেন কি না সে বিষয়েও কিছু বললেন না বিজেপি নেতা। কেবল জানালেন, দায়িত্ব এখনই কি করে দেবে? বৈঠক তো ইম্পর্ট্যান্ট ছিল। সর্ব ভারতীয় সভাপতি ডেকেছেন মানেই তো ইম্পর্ট্যান্ট। দলের সাংগঠনিক রদবদলও আসন্ন। সে বিষয়ে দিলীপের মত, পার্টি যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই পার্টির সবাইকে মেনে চলতে হবে। প্রতি ৩ বছর অন্তর বিজেপিতে সাংগঠনিক বদল হয়। পরিবর্তন হলে নিশ্চই সবাইকে কাজে লাগানো হবে। দায়িত্ব পেলে সেটা তো ঘোষণা করা হবে।

এর আগে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, মোদীর সভায় থাকলে দলের অস্বস্তি বাড়বে। কিন্তু কেন? তাতে দিলীপের সাফাই, “আমাকে কোথায় বসানো হবে কোথায় রাখা হবে সেটা নিয়ে অস্বস্তি হতে পারত। সেটাই বলছিলাম। আমি তাই ঠিক করলাম যাবো না। তারপর সভাপতি ডাকলেন। আমি দিল্লি চলে গেলাম। এদিকে ২১ জুলাই শহীদ স্মরণ দিবস, খড়গপুরে প্রোগ্রাম। কর্মীরা আসবেন। বাংলায় প্রায় আড়াইশো কর্মী তৃণমূল হিংসার বলি। তাদের শ্রদ্ধা জানাবো।” ২১ তারিখ কি এখনও চমক থাকবে? স্পষ্ট কথায় দিলীপের বক্তব্য, “২১ তারিখ তো চলে যায়নি এখনও। দেখুন না কী হয়।”

অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই৷ এরই মধ্যে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিলেন মেদিনীপুরের তৃণমূল সাংসদ জুন মালিয়া৷ মেদিনীপুরেরই প্রাক্তন সাংসদ দিলীপের প্রতি তাঁর পরামর্শ, “দিলীপদাকে বলব একটু ভেবে দেখুন৷” তৃণমূল সাংসদের আরও সংযোজন, “দিলীপদা কী করবেন, সেটা উনিই বলতে পারবেন। তবে, আমি দিলীপদাকে খুব শ্রদ্ধা করি। যেভাবে কোথাও ওঁকে দেখা যাচ্ছে না, প্রধানমন্ত্রীর সভাতেও ডাকা হল না, এতে আমার খুব খারাপ লাগছে৷”

 

আজকের খবর