সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের চাঞ্চল্য। রাজ্যের এক BJP leader illegal property deal নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, যার পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এই অভিযোগ সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজনৈতিক মহল। অভিযোগের কপি নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, এবার কি ইডি-সিবিআই পদক্ষেপ নেবে?
তৃণমূলের কড়া সমালোচনা
কুণাল ঘোষ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি ও সিবিআই সম্প্রতি পুজোর আগে অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন শাসকদল-ঘনিষ্ঠ নেতা ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে হানা দিচ্ছে। অথচ, বিজেপির নেতার বিরুদ্ধে যখন ১০০ কোটির illegal transaction-এর অভিযোগ উঠল, তখন তারা অদ্ভুতভাবে নিশ্চুপ।
তাঁর দাবি, অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে ইডি-সিবিআইকে দ্রুত তদন্তে নামতে হবে। তৃণমূলের বক্তব্য, আইন সবার জন্য সমান। শুধু বিরোধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত হলে তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে মনে হবে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শাসক-বিরোধী তরফে পাল্টা চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রিত তদন্তকারী সংস্থাগুলো নিশ্চুপ থাকে। অন্যদিকে ভোটের আগে তারা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে শুধুমাত্র রাজ্যের শাসকদলকেই নিশানা করে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে—কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর তদন্ত কতটা নিরপেক্ষ?

সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন
সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে। যদি সত্যিই BJP leader illegal property deal এর ঘটনা ঘটে থাকে, তবে কেন তা নিয়ে তদন্ত শুরু হচ্ছে না? রাজ্যের মানুষ এখন জানতে চাইছে, ইডি-সিবিআই নির্দলীয়ভাবে কাজ করছে, নাকি রাজনৈতিক নির্দেশে পদক্ষেপ নিচ্ছে?
আগামী দিনে কী হতে পারে
অভিযোগ ইতিমধ্যেই ইডি ও সিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন কুণাল ঘোষ। এখন দেখার বিষয়, সংস্থাগুলো এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে কি না। যদি তদন্ত হয়, তবে তা রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে। আবার যদি চুপ থাকে, তবে বিরোধীদের প্রশ্ন আরও জোরালো হবে।
১০০ কোটির illegal property transaction নিয়ে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিঃসন্দেহে রাজনীতিতে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন নজর সকলেরই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর দিকে—তারা ব্যবস্থা নেয় কি না।