ব্রেকিং

Lakshmi Puja Pat Chitra : চাহিদা কমে আসলেও পটে আঁকা লক্ষীর কদর

কেরসিনের বাড়ি জ্বেলে কালি দিয়ে রং বানাতে হয় না হয় না ওদের, এখন আধিনীকতার দৌলতে কেনা রং পাওয়া যায় বাজারেই, তবুও ঐতিহ্য মেনে প্রাচীন পটের লক্ষী আঁকা ছবি তৈরি করেন ওরা।প্রায় ৫ পুরুষের বেশি আম্য থেকেই এই শিল্প ও বাচিয়ে....

Lakshmi Puja Pat Chitra : চাহিদা কমে আসলেও পটে আঁকা লক্ষীর কদর

কেরসিনের বাড়ি জ্বেলে কালি দিয়ে রং বানাতে হয় না হয় না ওদের, এখন আধিনীকতার দৌলতে কেনা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

কেরসিনের বাড়ি জ্বেলে কালি দিয়ে রং বানাতে হয় না হয় না ওদের, এখন আধিনীকতার দৌলতে কেনা রং পাওয়া যায় বাজারেই, তবুও ঐতিহ্য মেনে প্রাচীন পটের লক্ষী আঁকা ছবি তৈরি করেন ওরা।প্রায় ৫ পুরুষের বেশি আম্য থেকেই এই শিল্প ও বাচিয়ে রেখেছে তাদের।

কোচবিহার থেকে ২৩ কিমি দুরে তুফানগঞ্জ যাওয়ার রাস্তায় পরে চিলাখানা অঞ্চল, এখানেই বাস ১২ টি পাল পরিবারের। তারা লক্ষী পুজার সময় খুব ব্যাস্ত, তাদের শুধু মূর্তী বানালেই চলে না তাদের পটে আঁকতে হয় মা লক্ষী কে। বছরের পর বছর ধরে এই কাজ করে আসছেন ওরা। বাবা, ঠাকুর দা, থেকে শুরু করে বাড়ির বৌ পর্জন্ত। চলতি কথায় আছে তাদের বাড়ির বৌ হতে গেলে মূর্তি বানান শিখতে হয় বাপের বাড়ি থেকেই। বর্ষার পর থেকে কাজ শুরু হয়, তার পরে চলতে থাকে লক্ষী পুজর দিন পর্জন্ত। কিভাবে হয় কাজ… ?

সুকান্ত পাল জানাচ্ছেন- লক্ষী ঠাকুর ৩ রকম ভাবে পুজা হয় কোচবিহারে, প্রথ মদন মোহন বাড়ির মহা লক্ষী, তার জাছে হারি থাকে আর চার হাতের হয়, বারোয়ারী গৃহ লক্ষী, প্যাচা উপবিষ্ট লোক্ষী প্রতিমা হয় এই ভাগে, আর শেষে হয় পট। মাটির সড়ার ওপরে মাটের অবায়ব আঁকা হয়। তারা মাটি কিনে আনেন, তা দিয়ে সড়া তৈরী করা হয়। তার ওপরে সাদা রং করে শিকিয়ে নিতে হয় তার আগে অবশ্য সড়া পোড়ান হয় আগুনে। তাতে সড়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।

তার ওপরে তুলি দিয়ে হাতেই আঁকা হয় লক্ষ্মীর ছবি, জারা আকেন তাদের পট শিল্পী বলে। সাধারন মূর্তীর থেকে এই পটে হাতের কাজ অনেক বেশি থাকে। আজ থেকে ৫০/৬০ বছর আগেও রং তৈরি হত কুপি রা হেরিকেনের ওপরে কাচা কলাপাতার ডাল দিয়ে কালি করে, কিন্তু এখন রং পাওয়া যায় বাজারেই। আগে শুধু লাল/কালো/ সাদা রং ব্যবহার হতো, আজ একাধিক রং ব্যবহার করা হয়। বর্ষার সময় থেকে দৈনিক পট বানানো হয়।

প্রতিটি পুজার মরশুমে ৩০০ থেকে ৪৫০ টি পট বিক্রি হয়। দৈনিক ১৮ থেকে ২০ টি পট আঁকা হয়। মহালয়ার পর থেকে পট আঁকা শুরু হয়, বেশি তারাতারি তে রং ঔজ্জ্বল্য নষ্ট হয়। প্রতিটি বাড়িতে গরে ৪ জন করে পট আঁকিয়ে আছেন। সরকার তাদের প্রতি নজর দেয় না, তারা তাদের মত করেই জীবন কাটায়।

আজকের খবর