ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Kolkata Girl Murder : “বাবার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক..” জানতে পারার পরেই আক্রমণ, মেট্রোপলিটানে খুনের পিছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Kolkata Girl Murder : “বাবার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক..” জানতে পারার পরেই আক্রমণ, মেট্রোপলিটানে খুনের পিছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। খাস কলকাতায় বাইপাসের মেট্রোপলিটনে হাড়হিম করা হামলা। প্রকাশ্য রাস্তায় তরুণীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ মারা হয়েছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। ই এম বাইপাসে গাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণী নামতেই ধারাল অস্ত্র নিয়ে তাড়া। তাড়া করে পিছন....

Kolkata Girl Murder : “বাবার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক..” জানতে পারার পরেই আক্রমণ, মেট্রোপলিটানে খুনের পিছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Kolkata Girl Murder : “বাবার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক..” জানতে পারার পরেই আক্রমণ, মেট্রোপলিটানে খুনের পিছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। খাস কলকাতায় বাইপাসের মেট্রোপলিটনে হাড়হিম করা হামলা। প্রকাশ্য রাস্তায় তরুণীকে ধারাল অস্ত্র....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

খাস কলকাতায় বাইপাসের মেট্রোপলিটনে হাড়হিম করা হামলা। প্রকাশ্য রাস্তায় তরুণীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ মারা হয়েছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। ই এম বাইপাসে গাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণী নামতেই ধারাল অস্ত্র নিয়ে তাড়া। তাড়া করে পিছন থেকে তরুণীর হাতে পরপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপ, আঘাত গলাতেও। গলার নলি কেটে খুনের চেষ্টা বলে অভিযোগ।

তবে অস্ত্রোপচারেও হল না শেষ রক্ষা। ইএম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটানে আক্রান্ত তরুণীর মৃত্যু হল হাসপাতালে। এনআরএস হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাত দুটো নাগাদ রফিয়া শাকিলের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এক ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী রইল কলকাতা। শহরের জনবহুল জায়গা মেট্রোপলিটান এক মহিলাকে কোপের পর কোপ মারে এক তরুণ।
সেই তরুণের সঙ্গে ছিল আরেক মহিলাও। রাজপথ হয়ে যায় রক্তাক্ত। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তরুণীকে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারও হয়, তবে তাঁকে বাঁচানো যায়নি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাত দুটো নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর।

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের আক্রোশ

পুলিশ সূত্রে খবর, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের আক্রোশ থেকেই বাইপাসে হামলা চালিয়ে তরুণীকে খুন করে নাবালক। জেরা করে এমনই দাবি পুলিশ সূত্রে। মেট্রোপলিটানকাণ্ডে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে। হামলাকারী ও তার সঙ্গী সহ ৩ জনকে। প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত তরুণীর সঙ্গে নাবালকের বাবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। বাইপাস ধাবার সামনে বাবা ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করবে খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার ধাবার কাছে পৌঁছে যায় নাবালক। আর তারপরই মেট্রোপলিটানে রাস্তার ওপর তরুণীকে ধাওয়া করে সে। তারপর রাস্তার ওপরই ধারাল অস্ত্র দিয়ে একের পর এক কোপ মারা হয় তরুণীকে। রক্তে ভেসে যায় রাস্তা। এলাকার লোকজনই ছুটে হামলাকারীকে ধরে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় হামলাকারী নাবালকের পাশাপাশি তার পরিবারের এক সদস্যকেও আটক করা হয়েছে। এবার এই ঘটনার পিছনে আসল কারণ কী, কার কী ভূমিকা , খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কী জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা?

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “আমরা এখানে বসে আড্ডা মারছিলাম। একটা গাড়ি এসে দাঁড়ায়। গাড়ির ভেতর থেকে ধাক্কা মারতে মারতে বের করা হয়।এক পায়ে জুতো, আরেক পা খালি, এই অবস্থায় সে এগিয়ে যায়। লোকের থেকে হেল্প নিয়ে জল দিয়ে মুখ ধোয়। তারপর দেখি, একটা ছেলে পেছন থেকে দৌড়ে, হাতের মধ্যে ছুরি দিয়ে আঘাত করে দুই বার। তার পিছনে একজন মহিলা দৌড়য়। নিজের বোরখাটাকে খুলে ছেলেটাকে বাঁচাতে যায়, এবং মেয়েটাকে মারার জন্য এগোয়। তারপর আমরা দেখতে পাই, মেয়েটার গলাতে ছুরির আঘাত করা হয়েছে। যখন মেয়েটা গাড়ি থেকে বের হয়, তখন মেয়েটার মাথা অলরেডি ফাটা ছিল। ওকে কোনওমতে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দেখে মনে হয়েছে, ৯০ শতাংশ আশঙ্কা, যে ওর আর বাঁচবে না। তারপর আমরা দেখি যে, সবাই এখানে যতজন ছিলেন, সবাই দৌঁড়ে ছেলেটাকে মারতে যায়। মা পিছনেই দাঁড়িয়েছিলেন। মানে যেটা জানা গিয়েছে যে, ওই ছেলেটার মা ছিলেন, যে পিছন পিছন তখন দৌঁড়েছিলেন। যখন ছেলেটাকে মারার জন্য সবাই যায়, তখন ওই মহিলা বলে, আমার ছেলে কিছু করেনি। আমি কিছু করিনি। আমাদের কোনও দোষই না। মেয়েটারই সব দোষ। এতটাই বাজে ভাবে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে যে, জামা কেটে হাতের উপরের থেকে রক্ত বেরিয়েছে।”

ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরেই মহিলার উপর হামলা, জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য উঠে এলেও, খাস কলকাতায় ব্যস্ত রাস্তায় হামলা চালিয়ে যেভাবে তরুণীকে খুন করা হল, তাতে এই শহরের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছেই।

আজকের খবর