ব্রেকিং
  • Home /
  • হেডলাইনস /
  • Supreme Court limits President’s powers : রাজ্যের বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাষ্ট্রপতিকে ৩ মাস সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court limits President’s powers : রাজ্যের বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাষ্ট্রপতিকে ৩ মাস সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। কোন রাজ্যের বিধানসভায় পাস হওয়া বিল বিবেচনার জন্য তিন মাসের বেশি রাষ্ট্রপতি ভবনে ফেলে রাখতে পারবেন না ভারতবর্ষের রাষ্ট্রপতিও। যেকোনো কারণে রাষ্ট্রপতি যদি তিন মাসের বেশি কোন রাজ্যের বিধানসভায় পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতি ভবনে ফেলে রেখে....

Supreme Court limits President’s powers : রাজ্যের বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাষ্ট্রপতিকে ৩ মাস সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

  • Home /
  • হেডলাইনস /
  • Supreme Court limits President’s powers : রাজ্যের বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাষ্ট্রপতিকে ৩ মাস সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। কোন রাজ্যের বিধানসভায় পাস হওয়া বিল বিবেচনার জন্য তিন মাসের বেশি রাষ্ট্রপতি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

কোন রাজ্যের বিধানসভায় পাস হওয়া বিল বিবেচনার জন্য তিন মাসের বেশি রাষ্ট্রপতি ভবনে ফেলে রাখতে পারবেন না ভারতবর্ষের রাষ্ট্রপতিও। যেকোনো কারণে রাষ্ট্রপতি যদি তিন মাসের বেশি কোন রাজ্যের বিধানসভায় পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতি ভবনে ফেলে রেখে দেন তাহলে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও সুপ্রিম কোর্টের দায়ের করা যাবে রিট অফ মান্দামাস বা রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে জানানো যাবে বিশেষ আবেদন।‌ স্বাধীন ভারতবর্ষের ইতিহাসে এমন নজিরবিহীন ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিমকোর্ট। যেখানে বেঁধে দেওয়া হল খোদ রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাও।

প্রসঙ্গত, জনগণের ভোটে নির্বাচিত দেশের কোন রাজ্যের রাজ্য সরকার বিধানসভায় কোন বিল পাস করানোর পরে বিবেচনার জন্য তা অনন্তকাল ফেলে রাখতে পারবেন না রাজ্যপাল বলে আগেই জানিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। এবারে রাজ্যপালের সঙ্গে একই আইনে অর্থাৎ সংবিধানের ২০১ নম্বর ধারায় যেখানে রাজ্যপালের ভূমিকা এবং ক্ষমতার পরিসীমা বেঁধে দিয়েছিলেন সংবিধান প্রণেতারা সেই বন্ধনীতেই ফেলা হলো দেশের আরেক নিয়মতান্ত্রিক প্রধান রাষ্ট্রপতিকেও। ভারতীয় সংবিধানের ২০১ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির কাছে কোনও বিল গেলে তিনি দু’টি কাজ করতে পারেন। হয় ওই বিলে সম্মতি জানানো, অথবা তা নাকচ করে দেওয়া। কিন্তু সংবিধানে রাষ্ট্রপতির এই কাজের জন্য কোনও সময়সীমা জানানো হয়নি। এবার সংবিধানের ব্যাখ্যা করে সেই সময়সীমা বেঁধে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

 

কোন মামলার প্রেক্ষিতে রায় সুপ্রিম কোর্টের

 

তামিলনাড়ু বিধানসভায় পাস হওয়া ১০ বিল সেখানকার রাজ্যপাল আরএন রবি দীর্ঘদিন ধরে স্বাক্ষর না করেই রাজভবনে ফেলে রাখার পরে দ্বিতীয় বার তামিলনাড়ুর বিধানসভা থেকে পাস হয়ে আসার পরে তা পাঠিয়ে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির কাছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবং বিলগুলি অবিলম্বে পাশ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তামিলনাড়ু সরকার। সেই মামলাতে গত মঙ্গলবার ঐতিহাসিক রায় দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবন তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে অবিলম্বে বিলগুলি স্বাক্ষর করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি গোটা দেশের রাজ্যপালদের অবিলম্বে বিল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছিলেন। সংবিধানের ২০১ নম্বর ধারা অনুসারে রাজ্যপালের ক্ষমতা এভাবেই বেঁধে দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

 

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাও বাঁধলে সুপ্রিম কোর্ট

 

গত মঙ্গলবার রায় দিলেও আজ সুপ্রিমকোর্টের পক্ষ থেকে সেই রায় এর নথি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আপলোড করার পরে দেখা যায় ভারতবর্ষের সংবিধান ১৯৫০ সালে গৃহীত হওয়ার পর থেকে এই প্রথমবার রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাও নির্দিষ্ট ভাবে বেঁধে দেওয়া হয়েছে বিচার ব্যবস্থার পক্ষ থেকে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পার্দিওয়ালার বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিল, সংবিধানের ২০১ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় রাষ্ট্রপতির দায়দায়িত্বও বিচারব্যবস্থার পর্যালোচনার মধ্যে পড়ে।

রাষ্ট্রপতির ভেটো ক্ষমতা নেই। হয় তিনি বিলে সমর্থন জানাবেন অথবা জানাবেন না। অর্থাৎ বিলটি নিয়ে রাষ্ট্রপতির হাতে কোনও ক্ষমতা নেই। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিষয়টি মিটে যাওয়া কাম্য। এর পরই বিল নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। কোনও কারণে যদি তিন মাসের বেশি সময় লাগে, তার জন্য উপযুক্ত কারণ দেখাতে হবে এবং দেরি হওয়ার কারণ জানাতে হবে রাজ্যকে।

সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ২০১ নম্বর ধারা অনুযায়ী কোনও বিল অনুমোদন দিতে পারেন বা ফিরিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিল আটকে রাখার অধিকার তাঁর নেই। কোনও সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কার্যসম্পাদন না করেন, তবে আদালত সেখানে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে।

 

প্রসঙ্গত তামিলনাড়ুর মামলার প্রেক্ষিতে এই রায় দিলেও গোটা দেশে সব কটি রাজ্যের রাজ্যপাল এবং সর্বোপরি এবার থেকে দেশের রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেও এই রায় কার্যকর হবে বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে বাংলার বিধানসভা থেকেও পাস হওয়া অন্তত ২৩ বিল বাংলার রাজভবনে পাঠানোর পর থেকে আজও পাস হয়ে ফেরত আসেনি রাজ্য বিধানসভায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে রয়েছে আরজিকরের চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরে ফাঁসির দাবিতে কলকাতার রাজপথে মিছিল করার পরে রাজ্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে মমতা যে অপরাজিতা বিল পাস করিয়েছিলেন সেই বিলটিও। বাংলার রাজ্যপালের দাবি তিনি নাকি বিলটি পাওয়া মাত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে। আজও রাষ্ট্রপতি সেই বিলে স্বাক্ষর যেমন করেননি ঠিক তেমনভাবেই বাতিল করার কথাও জানাননি। ইতিমধ্যেই মমতার নির্দেশে রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে অপরাজিতা বিলে স্বাক্ষর করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূলের লোকসভা এবং রাজ্যসভার মহিলা সংসদদের প্রতিনিধি দল। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরে রাষ্ট্রপতিও অপরাজিতা বিল বেশিদিন নিজের কাছে ফেলে রাখতে পারবেন না বলেই আশা করছে বাংলার বিধানসভা।

The Supreme Court of India on April 8 delivered a landmark decision outlining the powers and responsibilities of the Governors regarding the bills presented to them by a State legislature for a decision under Article 200 of the Constitution of India [The State of Tamil Nadu v The Governor of Tamil Nadu and Anr].

In the detailed judgement uploaded on the Court’s website on the night of April 11, a bench of Justices JB Pardiwala and R Mahadevan also defined the contours of the powers of the President of India under Article 201 of the Constitution.

Article 201 lays down the procedure when a bill passed by State legislature is reserved by the Governor for the consideration of the President of India.

 

আজকের খবর