ব্রেকিং
  • Home /
  • Featured News /
  • Annapurna Bhandar : শুরু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল আপ, ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন ধরে চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন

Annapurna Bhandar : শুরু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল আপ, ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন ধরে চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। কথা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। ‌ বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির সংকল্প পত্রে বাংলার মহিলাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার জন্য যে অন্নপূর্ণা যোজনার কথা প্রতিশ্রুতি হিসেবে বলা হয়েছিল আজ নবান্ন থেকে....

Annapurna Bhandar : শুরু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল আপ, ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন ধরে চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন

  • Home /
  • Featured News /
  • Annapurna Bhandar : শুরু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল আপ, ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন ধরে চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। কথা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। ‌ বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

কথা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। ‌ বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির সংকল্প পত্রে বাংলার মহিলাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার জন্য যে অন্নপূর্ণা যোজনার কথা প্রতিশ্রুতি হিসেবে বলা হয়েছিল আজ নবান্ন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই যোজনায় নাম লেখানোর জন্য ফর্ম প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই, যতদিন না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল আপ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হচ্ছে, ততদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিষেবা চলবে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন ধরে চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের এই আবেদন প্রক্রিয়া। অনলাইন তো বটেই, এমনকি, অফলাইনেও করা যাবে। এছাড়াও, যাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য বাড়ি বাড়িও যাবেন আধিকারিকেরা।

 

বুধবার শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘ইতিমধ্যেই আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টি সংকল্প পত্রে আমরা জানিয়েছিলাম, সরকার গঠনের পরেই আমরা অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা করব এবং উপযুক্ত মহিলারা ১৫০০ এর পরিবর্তে ৩০০০ টাকা করে পাবেন। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে এর মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রাথমিক ধারণা ছিল যে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকদের তালিকা ভেরিফায়েড। কিন্তু আমরা ভুরি ভুরি অভিযোগ পেয়েছি, যে ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে নাম বাদ গেছে, সিএএ-তে আবেদন করেননি, এমন বহু ব্যক্তি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়েছেন। সিএএ-এর আবেদন যাঁরা করেছেন, বা যাঁরা অ্যাডজুডিকেশনে রয়েছেন, তাঁরা ব্যতিক্রম। আমরা আজ একটি ফর্ম লঞ্চ করছি, নোডাল দফতরের দায়িত্বে রয়েছে মহিলা এবং শিশু কল্যাণ দফতর।’

 

তিনি জানান, প্রায় ২ কোটির কাছাকাছি উপভোক্তা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। শুভেন্দু জানান, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যোজনার কর্মসূচি ততদিন চালু রাখব, যতক্ষণ না অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল আপ বা এনরোলমেন্ট কমপ্লিট হচ্ছে।’

Suvendu Adhikari : ‘জলদি ভাগো!’ হাকিমপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর, ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতিতে ফের জোর

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, যতক্ষণ না আয়ুষ্মান ভারতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে, ততদিন স্বাস্থ্যসাথী সুযোগ থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না। আয়ুষ্মান ভারতে যেমন যেমন এনরোলমেন্ট করে ফ্যামিলি কার্ড বা ব্যক্তিগত কার্ড পাবেন, তাঁরা স্বাস্থ্যসাথী থেকে বেরিয়ে যাবেন। এক্ষেত্রেও আমরা প্রথমে অ্যাশিওর করছি, তাড়াহুড়ো করার কোনও কারণ নেই। একদিনেই সবাইকে করতে হবে..এতদিন ২ কোটি ২০ লক্ষ মতো মানুষ এই পরিষেবা পান, যার মধ্যে ভোটার তালিকা থেকে মৃত, ভুয়ো, অ-ভারতীয়, অস্তিত্বহীন এমন প্রায় ৩০ লক্ষের মতো নাম আছে। সংখ্যাটা কমবেশি হতে পারেন, তাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরা পাবেন না।’

 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, ১ জুন থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যকরী হবে এই প্রক্রিয়া। এনরোলমেন্টের কাজ শেষ হলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের থেকে অন্নপূর্ণা যোজনায় চলে যাবেন উপভোক্তারা। শুভেন্দু জানান, ‘১ দিনের মধ্যে কাজ করতে হবে, হুড়োহুড়ি করতে হবে তেমনটা নয়। আপনাদের সহযোগিতা আমাদের চাই। আপাতত ১ লা জুন থেকে ৯০ দিন এই প্রক্রিয়া চালাব। কীভাবে হবে, অনলাইনে এবং অফলাইনেও হবে। বিডিও-রা, পুরসভা থেকে করবেন। বড় পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড ভিত্তিক হবে। পঞ্চায়েত স্তরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করা হবে। যাঁরা অনলাইনে করতে পারবেন না তাঁদের জন্য। বিডিও অফিসের থেকে বিধায়কদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তাঁরাও ফর্ম ফিলাপের কাজে সহায়তা করবে। এরপর বিডিও দের সঙ্গে আমরা কথা বলবো। ১৫, ১৬, ১৭ জনকল্যাণ শিবির হচ্ছে, ফর্ম ফিলাপ-এর জন্যেও সাহায্য পাওয়া যাবে সেই শিবিরে। কোথাও কোনও কনফিউশন থাকলে তার সহায়তা পাবেন।’

কারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধে পাবেন না

গত ১৯ মে অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের যে কোনও মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনায় আর্থিক সুবিধা পাবেন, এমনটা নয়। আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ২৫-৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার এবং কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীরা অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন না। রাজ্য সরকার অনুমোদিত শিক্ষক, অশিক্ষক, পুর ও পঞ্চায়েত কর্মীদের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন না। আয়করদাতা কোনও মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনের যোগ্য নন।

 

আজকের খবর