সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।
“সন্ত্রাসবাদী হামলার মাধ্যমে ভারতের অর্থনীতির ক্ষতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অবিলম্বে বিশ্বশান্তির স্বার্থে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক ঘরে করা উচিত।” অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের অবস্থান আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার জন্য ভারতীয় সংসদ প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এমন দাবি করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবাসরীয় সকালে কুয়ালালামপুরে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁরা। এই সভায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সকলকে একত্রিত হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের আহ্বান জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ভারত নিখুঁত প্রত্যাঘাত করেছে। ভারতের প্রত্যাঘাতে ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধূলিসাৎ হয়েছে। নিরীহদের কোনও ক্ষতি করেনি ভারতীয় সেনা। পাকিস্তানে একজন সাধারণ নাগরিকের ক্ষতি হয়নি। সবার আগে জাতীয় নিরাপত্তা। দলের আগে দেশ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য তুলে ধরতে জাপান, ইন্দোনেশিয়া, মালেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরে গিয়েছেন প্রতিনিধি দল। সব জায়গায় একটাই কথা, সন্ত্রাস দমনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এর আগে, রাজ্যসভার সাংসদ এবং জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) নেতা সঞ্জয় কুমার ঝা-এর নেতৃত্বে একটি ভারতীয় সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল ইন্দোনেশিয়া সফরে ছিলেন। সেখানে একটি প্রধান ইসলামিক সংগঠনের সভাপতি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানকে সমর্থন করেছেন এবং শান্তি ও উন্নয়নে অংশীদারিত্বের কথা বলেছেন। এখন এই প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছে, যেখানে তিনি বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এবং সাংসদের সাথে দেখা করেছেন। ভারতীয় দূতাবাস এক্স (পূর্বে ট্যুইটার) -এ তাঁদের স্বাগতের ছবি শেয়ার করেছে। এই সফরের উদ্দেশ্য হল বিশ্বজুড়ে এই বার্তা দেওয়া যে, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং দেশের ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন কোনও প্রচেষ্টা সফল হতে দেবে না। এই প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় কুমার ঝা (জেডিইউ) এবং অপরাজিতা সারঙ্গি (বিজেপি), অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (টিএমসি), ব্রিজ লাল (বিজেপি), জন ব্রিটাস (সিপিআই-এম), প্রদণ বড়ুয়া (বিজেপি), হেমাঙ্গ জোশী (বিজেপি), প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মোহন কুমারের মতো অনেক বিশিষ্ট নেতা। ২২শে এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর তাঁদের বিদেশ সফরের পরিকল্পনা করা হয়, যাতে ভারতের কঠোর অবস্থান বিশ্ব মঞ্চে স্পষ্ট করা যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবাসরীয় সকালে কুয়ালালামপুরে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁরা। এই সভায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সকলকে একত্রিত হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের আহ্বান জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ভারত নিখুঁত প্রত্যাঘাত করেছে। ভারতের প্রত্যাঘাতে ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধূলিসাৎ হয়েছে। নিরীহদের কোনও ক্ষতি করেনি ভারতীয় সেনা। পাকিস্তানে একজন সাধারণ নাগরিকের ক্ষতি হয়নি। সবার আগে জাতীয় নিরাপত্তা। দলের আগে দেশ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য তুলে ধরতে জাপান, ইন্দোনেশিয়া, মালেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরে গিয়েছেন প্রতিনিধি দল। সব জায়গায় একটাই কথা, সন্ত্রাস দমনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এর আগে, রাজ্যসভার সাংসদ এবং জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) নেতা সঞ্জয় কুমার ঝা-এর নেতৃত্বে একটি ভারতীয় সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল ইন্দোনেশিয়া সফরে ছিলেন। সেখানে একটি প্রধান ইসলামিক সংগঠনের সভাপতি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানকে সমর্থন করেছেন এবং শান্তি ও উন্নয়নে অংশীদারিত্বের কথা বলেছেন। এখন এই প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছে, যেখানে তিনি বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এবং সাংসদের সাথে দেখা করেছেন। ভারতীয় দূতাবাস এক্স (পূর্বে ট্যুইটার) -এ তাঁদের স্বাগতের ছবি শেয়ার করেছে।

এই সফরের উদ্দেশ্য হল বিশ্বজুড়ে এই বার্তা দেওয়া যে, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং দেশের ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন কোনও প্রচেষ্টা সফল হতে দেবে না। এই প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় কুমার ঝা (জেডিইউ) এবং অপরাজিতা সারঙ্গি (বিজেপি), অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (টিএমসি), ব্রিজ লাল (বিজেপি), জন ব্রিটাস (সিপিআই-এম), প্রদণ বড়ুয়া (বিজেপি), হেমাঙ্গ জোশী (বিজেপি), প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মোহন কুমারের মতো অনেক বিশিষ্ট নেতা। ২২শে এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর তাঁদের বিদেশ সফরের পরিকল্পনা করা হয়, যাতে ভারতের কঠোর অবস্থান বিশ্ব মঞ্চে স্পষ্ট করা যায়।