ব্রেকিং
  • Home /
  • চাকরি /
  • Calcutta HC on SSC Group C D : গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা নিয়ে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য, চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং ডি কর্মীদের ভাতার উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্ট

Calcutta HC on SSC Group C D : গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা নিয়ে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য, চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং ডি কর্মীদের ভাতার উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্ট

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে ধাক্কা খেল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অমৃতা সিনহা আজ এই ভাতার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো ভাতা....

Calcutta HC on SSC Group C D : গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা নিয়ে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য, চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং ডি কর্মীদের ভাতার উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্ট

  • Home /
  • চাকরি /
  • Calcutta HC on SSC Group C D : গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা নিয়ে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য, চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং ডি কর্মীদের ভাতার উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্ট

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে ধাক্কা খেল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অমৃতা সিনহা আজ এই ভাতার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো ভাতা দেওয়া যাবে না। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি এই নির্দেশ দেন। রায় দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, “২৬ সেপ্টেম্বর বা আদালত পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দিতে পারবে না রাজ্য।”
নিয়োগে অস্বচ্ছতা থাকায় গত মার্চে ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্যানেলে থাকা প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের ত‍ৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। চাকরিহারাদের মধ্যে শিক্ষকের পাশাপাশি অশিক্ষক (গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি) কর্মীরাও রয়েছেন। চাকরি বাতিলের পাশাপাশি শূন্য হওয়া পদে নতুন করে নিয়োগেরও নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। চাকরি খুঁইয়ে আতান্তরে পড়ে যান ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী। মানবিক কারণে চাকরিহারাদের পাশে দাঁড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাকরিহারা শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি গত মে মাসে রাজ্য চাকরিহারা গ্রুপ সি কর্মীদের প্রতি মাসে ২৫ হাজার এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের ২০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন।
২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেলের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আবেদনের ভিত্তিতে ‘যোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত চাকরি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় শীর্ষ আদালত, কিন্তু গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীরা আর স্কুলে যোগ দিতে পারেননি।

গ্রুপ সি কর্মীদের মাসে ২৫ হাজার টাকা এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকার নিয়েছিল, তাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। মামলাকারীদের আইনজীবীর দাবি, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী। পূর্ববর্তী শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই ভাতার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “যাঁরা এই টাকা পাবেন, তাঁদের থেকে রাজ্য প্রতিদানে কী পাবে? তাঁরা ঘরে বসে থাকবেন আর টাকা পাবেন? সুপ্রিম কোর্টে একটার পর একটা রিভিউ পিটিশন হতে থাকবে আর এরা টাকা পেতে থাকবেন?”

আজ শুক্রবার এই মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি সিনহা। তিনি রাজ্যের নির্দেশিকা খারিজ করে দেন এবং স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্য সরকার কোনো গ্রুপ সি বা গ্রুপ ডি কর্মীকে এই নির্ধারিত ভাতা দিতে পারবে না। এই রায়ের ফলে চাকরিহারা কর্মীদের ভাতার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। এসএসসিতে চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মীদের রাজ্য সরকারের ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ নিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ নাম না করে কটাক্ষ করেন, “বন্ধু, তোমার পথের সাথীকে চিনে রাখো। মুখ্যমন্ত্রী মানুষের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কেউ আদালতে গেলেন। আমরা বিচারব্যবস্থা নিয়ে কিছু বলছি না, কিন্তু বুঝে রাখুন-কে পাশে থাকে আর কারা চোখের জলে রাজনীতি করে।”
তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার আরও সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “একটা নির্বাচিত সরকার যাতে কাজ না করতে পারে, সেই চেষ্টাতেই আদালতের কিছু অংশ সক্রিয় হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। অতীতেও আমরা দেখেছি কিছু বেঞ্চ একের পর এক সরকারি কাজে বাধা দিয়েছে। সেই উদাহরণ ফের উঠে এল।”
অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ এই রায়কে রাজ্য সরকারের “ব্যর্থতার প্রমাণ” বলে উল্লেখ করে বলেন, “আদালতের এই রায় রাজ্য সরকারের মুখে আরেকটি চপেটাঘাত। তবে চাকরিহারাদের প্রতি আমার সহানুভূতি রয়েছে। কিন্তু আইন ও নিয়মে চলাই তো শেষ কথা।”

আজকের খবর