সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম শূন্য, কংগ্রেস শূন্যই থাকবে। বছরগুলি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএমের ফলাফল নিয়ে এমন ভবিষ্যৎবাণী করলেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। আর্যকরের ঘটনা নিয়ে যেভাবে বাংলার সরকার এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে সিপিএম এবং ভারতীয় জনতা পার্টি কুৎসার রাজনীতি করতে নেমেছে এবং গুন্ডামি করতে শুরু করেছে তার ফল যে ভোট বাক্সে পড়বে না তাও স্পষ্ট করে দেন তিনি।
আজ রবিবার চুঁচুড়ায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম শূন্য, কংগ্রেস শূন্যই থাকবে। বিজেপি তিরিশও পেরবে না। আর তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসবে। চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে তৃণমূলের শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আজ গতকালের নবান্ন অভিযান কে কেন্দ্র করে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে যেভাবে পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী সহ পুলিশ কমিশনারকে অকথ্য অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে তার প্রেক্ষিতে বাংলার মানুষ ভারতীয় জনতা পার্টিকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ছুঁড়ে ফেলে দেবে বলে দাবি করেন। শুধু তাই নয় শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ কমিশনারের মত সাংবিধানিক পদ গুলিকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তার পেছনে কলকাতা হাইকোর্টের কয়েকজন বিচারপতির প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। কল্যাণ বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে যে অরাজকতা তৈরি হয়েছিল নবান্ন অভিযানের নামে তা ভাবা যায় না। প্রচুর ক্রিমিনাল এক্টিভিটিস ঘটেছে গতকাল। পুলিশকে মারধর, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এগুলি সব ঘটেছে। শুভেন্দু অধিকারী নিজে উস্কানি দিয়েছে। খুব বিশ্রী ভাষায় গালাগাল দিয়েছে।
হাইকোর্টের সৌজন্যে একজন বিরোধী দলনেতা কত বড় ক্রিমিনাল হতে পারে, সেটা মানুষ দেখছে। হাই কোর্টও দেখুক। কী মুখের ভাষা! শুধু শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপিকে তুলে দেবেন। জাস্টিস রাজশেখর মান্থা একটি রায়দান করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে। সেই রায় দিয়েছিলেন, যার ফলে একের পর এক অপরাধমূলক কাজ করছে শুভেন্দু অধিকারী। ভাষা প্রয়োগ করছেন অত্যন্ত বাজে। পিগ সন বলছেন। এই ধরনের কথাবার্তা রাজনীতিতে বলা উচিত নয়। এই ধরনের লোকদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ থেকে। হাই কোর্টের সৌজন্যে একজন বিরোধী দলনেতা কত বড় ক্রিমিনাল হতে পারে মানুষ দেখছে। হাইকোর্টও দেখুক। সমালোচনা সবাইকে শুনতে হবে।