u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
Abhishek Banerjee: ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি অভিষেকের, দমকলের নোটিশ খারিজSonarpur : ৮টি চেম্বার, ৮০০ টাকা ফি! সোনারপুরে ‘ভুয়ো চিকিৎসক’ গ্রেফতার, প্রেসক্রিপশনে একাধিক বড় ডিগ্রির উল্লেখSuvendu Nandigram : “চন্দ্রনাথ খুনের নেপথ্যে রয়েছে ভাইপো গ্যাং, শার্প শুটারদের ২ কোটি টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল” বিস্ফোরক শুভেন্দুSamik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যেরSuvendu Bengal Industry : বাংলায় বিপুল বিনিয়োগ, আম্বানি আদানি থেকে শুরু করে Style Baazar-এর বিনিয়োগ শুভেন্দুর বাংলায়
  • Home /
  • ভারত /
  • Supreme Court President Governor Power : ‘রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালকে বিল পাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায়না!’ রাষ্ট্রপতির দায়ের করা মামলায় বিল অনুমোদন নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের

Supreme Court President Governor Power : ‘রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালকে বিল পাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায়না!’ রাষ্ট্রপতির দায়ের করা মামলায় বিল অনুমোদন নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।   ‘বিল অনুমোদনে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া আদালতের কাজ নয়। এই দুই সাংবিধানিক পদের অধিকারীকে আদালত যদি তাঁদের দায়িত্ব পালনের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়, তা সাংবিধানিক ক্ষমতা অপব্যবহার করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি....

Supreme Court President Governor Power : ‘রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালকে বিল পাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায়না!’ রাষ্ট্রপতির দায়ের করা মামলায় বিল অনুমোদন নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের

  • Home /
  • ভারত /
  • Supreme Court President Governor Power : ‘রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালকে বিল পাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায়না!’ রাষ্ট্রপতির দায়ের করা মামলায় বিল অনুমোদন নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।   ‘বিল অনুমোদনে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া আদালতের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

 

‘বিল অনুমোদনে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া আদালতের কাজ নয়। এই দুই সাংবিধানিক পদের অধিকারীকে আদালত যদি তাঁদের দায়িত্ব পালনের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়, তা সাংবিধানিক ক্ষমতা অপব্যবহার করা হবে।’ রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের কাছে কোনও বিল পাঠানো হলে তাঁদের কী করা উচিত সেই সংক্রান্ত মামলায় তামিলনাড়ু সরকারের দায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের দেওয়া রায় বদলে দিয়ে এমন ঐতিহাসিক রায় শোনালো সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বিষের সাংবিধানিক বেঞ্চ। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যপাল কোনও বিল অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখতে পারেন না। হয় সেটাতে সম্মতি দিতে হবে। নয় বিধানসভায় ফেরত পাঠাতে হবে।

 

প্রসঙ্গত, এ বছরের মে মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংবিধানের ১৪৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি রেফারেন্স পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন যে, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতিকে এভাবে কী নির্দেশ দিতে পারে? বিশেষত গত ১২ এপ্রিল তামিলনাড়ু সরকারের দায়ের করা একটি মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল সেই পরিপ্রেক্ষিতেই রাষ্ট্রপতি এই জিজ্ঞাসা করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট পালটা জবাব দেয় যে, সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনের ওপরে গিয়ে বিশেষ রায় দিতেই পারে শীর্ষ আদালত। কিন্তু সুপ্রিমকোর্টের সেই রায়ে আপত্তি জানান রাষ্ট্রপতি। রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ব্যাখ্যা করার জন্য শীর্ষ আাদালতের সামনে ১৪টি প্রশ্ন পাঠিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। যে কারণে সেই রায় পর্যালোচনা করার জন্য পাঁচ সদস্যের প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স বেঞ্চ তৈরি হয়।

 

বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ বলেছে, সংবিধান ইচ্ছাকৃতভাবেই কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়তা রেখেছে, আর সেই জায়গায় সময়সীমা চাপিয়ে দেওয়া হলে সেই নমনীয়তায় ব্যাঘাত ঘটবে। প্রধান বিচারপতি বি আর গভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সুর্যকান্ত, বিক্রম নাথ, পি এস নারসিমহা ও এএস চন্দরকর। এদিন শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালের সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে। প্রথমত, বিলে সই করা। দ্বিতীয়ত, বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া। তৃতীয়ত, বিলটি বিধানসভায় ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া। এই তিনটির বাইরে কোনও পথ খোলা নেই। বেঞ্চের মন্তব্য, রাজ্যপালের ‘অসীম ক্ষমতা’ নেই যে তিনি অনির্দিষ্টকাল ধরে কোনও বিল আটকে রাখবেন।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৩ উদ্ধৃত করে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, কোনও বিল নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে রাষ্ট্রপতিকে প্রতিবার সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাইতেই হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুসারে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের ক্ষমতা পূরণ করতে পারে না। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, বিল আইনে পরিণত না হলে, রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

তবে আদালত এও বলেছে, দীর্ঘসূত্রিতা আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করে। কিন্তু তার পরেও আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে, রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির মতো পদাধিকারীরা সংবিধানের বিশেষ দায়িত্ব বহন করেন। তাঁদের উপর কঠোর সময়সীমা চাপিয়ে দিলে তা ক্ষমতার ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করবে, যা ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, ২০০ এবং ২০১ অনুচ্ছেদ আদতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই ভারসাম্য রক্ষার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। ফলে সময়সীমা আরোপ করলে এর বিপরীত অবস্থানে যাওয়া হবে। আদালত নির্দেশে বলেছে, ‘আমাদের এই সিদ্ধান্তে আসতে কোনও দ্বিধা নেই যে, সময়সীমা আরোপ করা কার্যত একটি সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের কার্যভারকে কেড়ে নেওয়া।’

 

আজকের খবর