ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Modi Mamata Vandemataram : সংসদে মোদির মুখে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র হলেন ‘বঙ্কিম দা’, ‘চায়ের আড্ডা নাকি?’ প্রশ্ন তৃনমূলের, ‘কিভাবে এলেন ক্ষমতায় ওরা?’ কটাক্ষ মমতার

Modi Mamata Vandemataram : সংসদে মোদির মুখে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র হলেন ‘বঙ্কিম দা’, ‘চায়ের আড্ডা নাকি?’ প্রশ্ন তৃনমূলের, ‘কিভাবে এলেন ক্ষমতায় ওরা?’ কটাক্ষ মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নন, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র হয়ে গেলেন ‘বঙ্কিম দা’! আর তাই নিয়ে সংসদে তৃণমূল সাংসদদের কটাক্ষ এবং ব্যঙ্গ শুরু হল প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করেই। শীতকালীন....

Modi Mamata Vandemataram : সংসদে মোদির মুখে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র হলেন ‘বঙ্কিম দা’, ‘চায়ের আড্ডা নাকি?’ প্রশ্ন তৃনমূলের, ‘কিভাবে এলেন ক্ষমতায় ওরা?’ কটাক্ষ মমতার

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Modi Mamata Vandemataram : সংসদে মোদির মুখে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র হলেন ‘বঙ্কিম দা’, ‘চায়ের আড্ডা নাকি?’ প্রশ্ন তৃনমূলের, ‘কিভাবে এলেন ক্ষমতায় ওরা?’ কটাক্ষ মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নন, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নন, সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র হয়ে গেলেন ‘বঙ্কিম দা’! আর তাই নিয়ে সংসদে তৃণমূল সাংসদদের কটাক্ষ এবং ব্যঙ্গ শুরু হল প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করেই। শীতকালীন অধিবেশনে ‘বন্দে মাতরম্’ নিয়ে আলোচনাপর্বের শুরু থেকে মাঝ পর্যন্ত ঠিক এই সম্বোধনেই ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রায় গোটা ভাষণজুড়ে যেমন বাংলার ঐতিহ্যের কথাও বললেন, ঠিক তেমনই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিমদা’ বলেই সম্বোধন করেছেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রতি ন্যূনতম সম্মান জানানোর আর্জি জানান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তৃনমূল সাংসদ বলেন, ‘অন্তত বঙ্কিমবাবু বলুন’। সঙ্গে সঙ্গে ভুলটা সংশোধনও করে নেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আচ্ছা, বঙ্কিমবাবু বলছি।’ এরপরেই সৌগত রায়কে দাদা বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদও জানান। পাশাপাশি খানিক মশকরার সুরে সৌগতর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘আপনাকে দাদা বলে ডাকতে পারি তো?’
তবে বিষয়টি এখানেই থেমে যায়নি। এদিন সংসদ কক্ষেই তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ‘আমার কাছে ইতিমধ্যেই কয়েকশো টেলিফোন এবং মেসেজ এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ভাবে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বঙ্কিমদা বললেন, মনে হল যেন চায়ের আড্ডায় বসে তিনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছেন। কিন্তু বলে রাখি, বাংলা ও বাঙালি এটাকে ভাল ভাবে নিচ্ছে না।’

প্রসঙ্গত দেশ জুড়ে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম গানের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশ জুড়ে নানা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আজ সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘ব্রিটিশরা বুঝতে পেরেছিল যে ১৮৫৭ সালের পর, এখানে থাকা তাদের জন্য কঠিন… তারা জানত ভারত ভাগ না করা পর্যন্ত , এখানে শাসন কায়েম রাখা সম্ভব নয়… তারা এই জন্যই বাংলাকে তাদের পরীক্ষাগারে পরিণত করেছিল… বাংলার বৌদ্ধিক শক্তি সেই সময় সমগ্র দেশকে পরিচালিত এবং অনুপ্রাণিত করেছিল। ব্রিটিশরা ভালো করেই বুঝতে পেরেছিল যে বাংলার শক্তিই ভারতের শক্তির কেন্দ্রবিন্দু। এই কারণেই তারা প্রথমে বাংলাকে বিভক্ত করার জন্য কাজ করেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে যদি বাংলা ভেঙে যায়, তাহলে জাতিও ভেঙে যাবে। ১৯০৫ সালে যখন ব্রিটিশরা বাংলা ভাগের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বন্দে মাতরম পাথরের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। এই স্লোগান ওঠে বাংলার অলি-গলি থেকে। ব্রিটিশরা বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে ভারতকে দুর্বল করার পথ বেছে নিয়েছিল, কিন্তু বন্দে মাতরম ব্রিটিশদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ এবং জাতির জন্য শক্তি হয়ে ওঠে।’

 

তীব্র সমালোচনা মমতার

ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা বন্দেমাতরম গানের ১৫০ বছর উপলক্ষে দেশ জুড়ে নানা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আজ সংসদে এই নিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‌কলকাতা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে সেই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বন্দে মাতরম কিছু অংশ চিহ্নিত করে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওঁদের তো সবেতেই আপত্তি। জয় হিন্দে আপত্তি, বন্দে মাতরমে আপত্তি। কাল শুনলাম কেউ কেউ বলল নেতাজিকে আমরা পছন্দ করি না। ওনারা নেতাজি, গান্ধীজি, রাজা রামমোহন রায় কাউকেই পছন্দ করেন না। তাহলে কাকে করেন? কিভাবে এলেন ক্ষমতায় ওরা? যারা দেশের সম্পর্কে কিছুই জানে না তারা দেশকে প্রমান করে। নেতাজি, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগরকে অপমান করে। এরা জানে বাংলার অবদান?’

আজকের খবর