ব্রেকিং
Latest Posts
Nusrat Jahan: কমলা বিকিনিতে প্রায় উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা, নুসরতের বিকিনি পরা ছবি Viral হতেই একের পর এক অশালীন কমেন্টদার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Dilip Ghosh on 2026 : ‘বরাবরই খড়গপুর অঞ্চলের মানুষের পাশেই থেকেছি’ অমিত শাহের নির্দেশে বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তেই ফের খড়্গপুর নিয়ে সওয়াল দিলীপের

Dilip Ghosh on 2026 : ‘বরাবরই খড়গপুর অঞ্চলের মানুষের পাশেই থেকেছি’ অমিত শাহের নির্দেশে বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তেই ফের খড়্গপুর নিয়ে সওয়াল দিলীপের

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন।   ‘আমি বিধায়ক হওয়ার পর থেকে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন খড়গপুরে থাকি। মাঝে বর্ধমান জেলার একটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল। সেটুকু বাদ দিলে বরাবরই খড়গপুর অঞ্চলের মানুষের পাশেই থেকেছি।’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিক সাহেবের নির্দেশে বিজেপিতে ফের....

Dilip Ghosh on 2026 : ‘বরাবরই খড়গপুর অঞ্চলের মানুষের পাশেই থেকেছি’ অমিত শাহের নির্দেশে বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তেই ফের খড়্গপুর নিয়ে সওয়াল দিলীপের

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Dilip Ghosh on 2026 : ‘বরাবরই খড়গপুর অঞ্চলের মানুষের পাশেই থেকেছি’ অমিত শাহের নির্দেশে বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তেই ফের খড়্গপুর নিয়ে সওয়াল দিলীপের

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন।   ‘আমি বিধায়ক হওয়ার পর থেকে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন খড়গপুরে থাকি।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন।

 

‘আমি বিধায়ক হওয়ার পর থেকে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন খড়গপুরে থাকি। মাঝে বর্ধমান জেলার একটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল। সেটুকু বাদ দিলে বরাবরই খড়গপুর অঞ্চলের মানুষের পাশেই থেকেছি।’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিক সাহেবের নির্দেশে বিজেপিতে ফের দিলীপ ঘোষের গুরুত্ব বাড়ার পরেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর বিধানসভা থেকে লড়াই করার সম্ভাবনা তুলে ধরলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্যের সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

অমিত শাহের উপস্থিতিতে কলকাতায় সুকান্ত মজুমদার শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য বঙ্গ বিজেপিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে এর মান্যতা পাওয়ার পরেই দলের রাজ্য দপ্তরের নিজের ঘর ফিরে পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। স্বাভাবিকভাবেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন দিলীপ। সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য সদর দপ্তরে নিজের ঘর ফিরে পাওয়ায় যে তিনি বেশ খুশি তা নিয়ে কোন লুকোছাপা না করেই দিলীপ ঘোষ বললেন, ‘অনেক কিছু ঘটে গেছে। ২০২৫ সাল চলে গেছে। নতুন করে ভাবুন। যেটা হচ্ছে ভাল হচ্ছে; আরও ভাল হবে।’ ঘর ছাড়ার সময় আবেগ কাজ করেছিল কি না, সেই প্রশ্নে তাঁর মন্তব্য, ‘একটা সময় মানুষকে দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হয়। ওটা তো একটা ঘর। কত লোক পার্টি ছেড়ে চলে যায়। এগুলো চলতেই থাকে। পার্টি বা রাজনীতি কারও পছন্দ-অপছন্দে চলে না। নিজের নিয়মেই চলে। এডজাস্ট করে নিয়ে এগোতে হয়।’

তবে বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে ভালোবাসেন বলে দিলীপের যথেষ্ট সুনাম থাকলেও অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরে কিন্তু এখনই নতুন বিতর্কে জড়াতে রাজি নন তিনি। তাই দলে তার ভূমিকা এখন কি হবে সেই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে দিলীপের বক্তব্য, ‘পার্টি যা বলবে সেটাই সর্বোপরি। যাঁরা নীতি নির্ধারক, তাঁরাই পরামর্শ দেবেন। দলের স্ট্র্যাটেজি বা পরিকল্পনা নিয়ে কে মুখ খুলবে, সেটা আগেই ঠিক করা থাকে।’ কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি জানান, সোমবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে এই বিষয় নিয়ে বৈঠক রয়েছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমরা বারবার দাবি করেছি যাতে বুথের ভিতরে বাহিনী থাকে। ওরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে। ভোট লুঠ হয় বুথের ভিতরে। আমাদের সামনেই এই ঘটনা বহুবার ঘটেছে। বুথের ভিতরে বাহিনী থাকলেই মানুষ নিশ্চিন্তে ভোট দিতে যাবে। তাহলেই তৃণমূলের টেকা মুশকিল হবে।’

বাহিনী বাড়লে বিজেপির ভোট বাড়বে কি না, সেই প্রশ্নে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাহিনী যথেষ্ট সংখ্যায় আসে। পঞ্চায়েত ভোটেও পর্যাপ্ত বাহিনী ছিল। কিন্তু ভোট হচ্ছে বুথে, আর বাহিনী বাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার—আই কার্ড ছাড়া কাউকে বুথে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। বুথে কী হচ্ছে, সেটাও বাহিনী দেখবে। তাহলেই নিরপেক্ষ ভোটাধিকার সম্ভব।’

 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে শুক্রবার বারুইপুরের মঞ্চ থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন একটা বুথেও বিজেপিকে মাথা তুলতে দেবো না, সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অভিষেকের বক্তব্য কার্য তো উড়িয়ে দিয়ে দিলীপের সহাস্য দাবি, ‘ভোট এলে দেখা যাবে কে কাকে মাথা তুলতে দেবে। অনেক বড় বড় ডায়লগ দেওয়া লোকেরা আজ কোথায়—ইতিহাস বলছে লালু ,কেজরিওয়াল উধাও। ক্ষমতায় থাকলে একটু দম্ভ থাকে। তাই কথার সুর চড়া। জানুয়ারি গেলে সেই সুর নরম হবে।’ আর গতকাল অভিষেক যেভাবে বারুইপুরের র‍্যাম্পে তিন মৃত ভোটারকে সশরীরে উপস্থিত করিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ভ্যানিশ কুমার বলে কটাক্ষ করেছেন তার প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘উনি গোড়া থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করছেন। আগে বলছিলেন মাটির তলা থেকেও তুলে নিয়ে আসবেন। এখন সুর পাল্টেছে। সব সময় সামনে একটা ভূত চাই, যার বিরুদ্ধে লড়বেন। এবারের নতুন ভূত নির্বাচন কমিশন। জানুয়ারি মাসটা যেতে দিন, সুর আরও নরম হবে।’

আজকের খবর