ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata wishes on Hindi Diwas: বাংলা ও বাঙালির অস্মিতা নিয়ে লড়াইয়ের মাঝেই হিন্দি দিবস উপলক্ষে হিন্দিভাষীদের জন্য উন্নয়নের খতিয়ান পেশ মমতার

Mamata wishes on Hindi Diwas: বাংলা ও বাঙালির অস্মিতা নিয়ে লড়াইয়ের মাঝেই হিন্দি দিবস উপলক্ষে হিন্দিভাষীদের জন্য উন্নয়নের খতিয়ান পেশ মমতার

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। দেশের একের পর এক বিজেপি শাসিত ডাবল ইঞ্জিনের রাজ্যে বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থা এবং অত্যাচারের অভিযোগের পাশাপাশি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার মত ঘটনাও সামনে এসেছে সম্প্রতি বারে বারে। তার প্রেক্ষিতেই বারে বারে....

Mamata wishes on Hindi Diwas: বাংলা ও বাঙালির অস্মিতা নিয়ে লড়াইয়ের মাঝেই হিন্দি দিবস উপলক্ষে হিন্দিভাষীদের জন্য উন্নয়নের খতিয়ান পেশ মমতার

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata wishes on Hindi Diwas: বাংলা ও বাঙালির অস্মিতা নিয়ে লড়াইয়ের মাঝেই হিন্দি দিবস উপলক্ষে হিন্দিভাষীদের জন্য উন্নয়নের খতিয়ান পেশ মমতার

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। দেশের একের পর এক বিজেপি শাসিত ডাবল ইঞ্জিনের রাজ্যে বাংলা ভাষায় কথা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

দেশের একের পর এক বিজেপি শাসিত ডাবল ইঞ্জিনের রাজ্যে বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থা এবং অত্যাচারের অভিযোগের পাশাপাশি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার মত ঘটনাও সামনে এসেছে সম্প্রতি বারে বারে। তার প্রেক্ষিতেই বারে বারে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি কলকাতার রাজপথে মহামিছিল বের করে বাংলা ভাষা এবং বাঙালির জাতির অস্মিতা রক্ষার জন্যে নতুন করে ভাষা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন মমতা।

তবে এর মধ্যেই আজ রবিবার হিন্দি দিবস উপলক্ষে বাংলার হিন্দিভাষী মানুষের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২০১১ সাল থেকে কি কি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এবং তাদের পাশে কিভাবে দাঁড়িয়েছে তার খতিয়ান পেশ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

রবিবার হিন্দি দিবস উপলক্ষে হিন্দিভাষী সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, আজ হিন্দি দিবস। এই উপলক্ষে আমি আমার সকল হিন্দিভাষী ভাই-বোনকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রতিবছরই আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে হিন্দি দিবস পালন করি। আমরা সব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ প্রসঙ্গে বলি, ২০১১ সালের পরে রাজ্যের হিন্দিভাষী মানুষদের উন্নয়নে আমরা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেসব অঞ্চলে ১০%-এরও বেশি মানুষ হিন্দি ভাষায় কথা বলেন সেখানে হিন্দিকে সরকারি ভাষা রূপে ব্যবহার করার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের সময়ে সাঁওতালী, কুরুখ, কুড়মালী, নেপালী, উর্দু, রাজবংশী, কামতাপুরী, ওড়িয়া, পাঞ্জাবী, তেলুগু ভাষাকেও আমরা সরকারী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছি। সাদরি ভাষার মানোন্নয়নেও আমরা সচেষ্ট হয়েছি। হিন্দি ভাষাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে হিন্দি একাডেমী তৈরী করেছি।

শিক্ষাক্ষেত্রে হাওড়াতে হয়েছে হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়। বানারহাট, নক্সালবাড়িতে হিন্দি-মাধ্যম ডিগ্রি কলেজ করা হয়েছে। এছাড়া, বেশ কিছু কলেজে হিন্দি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র এখন হিন্দিতেও হচ্ছে। রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা হিন্দি ভাষায় মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পারছেন। অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত হিন্দিভাষী মানুষজন সহ অন্যান্যদের জন্য বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা হয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে ঐ অঞ্চলে উৎকৃষ্ট পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। সকলকে আর একবার হিন্দি দিবস-এর অভিনন্দন জানাই।

 

অন্যদিকে বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবসে তাঁকে সশ্রদ্ধ স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লিখেছেন, বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণদিবসে তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তাঁর রচিত ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’, ‘ধাত্রীদেবতা’, ‘গণদেবতা’, সহ অসংখ্য উপন্যাস ও অন্যান্য রচনা বাংলা সাহিত্যের চিরকালীন সম্পদ।

২০১১ সালের পরে তাঁকে সম্মান জানিয়ে লাভপুরে তাঁর জন্মভিটের ঐতিহ্যসম্মত সংস্কার থেকে শুরু করে ময়ূরাক্ষী নদীর ওপর ‘তারাশঙ্কর সেতু’, তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আমার সাহিত্য জীবন’- এর পুনঃপ্রকাশ সহ অনেককিছুই করা হয়েছে।

আজকের খবর