সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।
পথ দেখালেন অভিষেক। গত বছর গোটা দেশের সমস্ত সংসদের মধ্যে প্রথম জনগণের স্বাস্থ্যপরিসেবার দিকে নজর রেখে ডায়মন্ড হারবারে শুরু করেছিলেন সেবাশ্রয়। প্রতিবছরে অভিষেকের প্রতিশ্রুতিমত নিজের জন্মদিনে ডায়মন্ড হারবার থেকে শুরু হয়েছে সেবাশ্রয় ২। এবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দেখানো পথে পা রেখে ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থক্য ভৌমিক ঘোষণা করলেন আগামী পাঁচ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন থেকে ব্যারাকপুরের বাসিন্দাদের জন্য চালু হতে চলেছে এমন শিবির।
বুধবার এই ঘোষণা করে বারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন হিসাবে আমরা ৫ জানুয়ারি পালন করে থাকি। ওই দিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে বারাকপুরে সেবাশ্রয় চালু হবে।’ পার্থ আরও জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবারকে অনুসরণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে ৫ জানুয়ারি বারাকপুরে শুরু হচ্ছে সেবাশ্রয়। এসময় বারাকপুরের সাংসদের পাশে ছিলেন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী।
ছাব্বিশের আগে ফের ডায়মন্ড হারবারে শুরু হয়েছে ‘সেবাশ্রয়’। ১ ডিসেম্বর থেকে জনস্বাস্থ্য পরিষেবায় ওই প্রকল্প চালু হয়েছে। ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত মহেশতলা থেকে তার উদ্বোধন করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ২ দিনেই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে সেই স্বাস্থ্য শিবির, যার খতিয়ান সামনে এনে উচ্ছ্বসিত ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘জনস্বাস্থ্য পরিষেবায় মানুষই যে আসল তার প্রমাণ ফের দিতে শুরু করেছে সেবাশ্রয় ২। মানুষের পরিষেবা এখানে নিশ্চিত। সকলের সুস্বাস্থ্য আমাদের অঙ্গীকার।’ এবার সেই আদলে বারাকপুরে শুরু হচ্ছে ‘সেবাশ্রয়’।

ডায়মন্ড হারবারে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সফলভাবে পরিচালিত সেবাশ্রয় ২-এর মডেল থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, সাংসদ পার্থ ভৌমিক তাঁর নিজের লোকসভা এলাকা ব্যারাকপুরে একই ধরনের উদ্যোগ চালু করার কথা জানিয়েছেন। মানুষের দোরগোড়ায় সহজ-উপলব্ধ ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি। ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে এর সূচনা হওয়ার সম্ভাবনা, প্রথম শুরু হবে বীজপুর বিধানসভার হালিশহরে। ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয় ২ স্বাস্থ্য শিবিরে গিয়ে সাংসদ পার্থ ভৌমিক নিজে দেখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনায় তৈরি এই মডেল রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একমাত্র মানুষের সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে, কীভাবে প্রাথমিক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরিষেবাকে বদলে দিয়েছে। সহানুভূতির ভিত্তিতে প্রশাসন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে সহজে পৌঁছনো ও নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা প্রদান, আর সক্রিয়ভাবে মানুষের দরজায় গিয়ে পরিষেবা দেওয়ার এই উদ্যোগ—সব মিলিয়ে এই কর্মসূচিকে এখন লোকসভা-স্তরের জনকল্যাণে এক নতুন মানদণ্ড হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।