ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • রাজ্যে চালু গুন্ডা দমন আইন, কার্যকর হওয়ার দিনেই হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ নতুন আইনের

রাজ্যে চালু গুন্ডা দমন আইন, কার্যকর হওয়ার দিনেই হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ নতুন আইনের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চালু হলো নতুন গুন্ডাদমন আইন। এবারের বাজেট অধিবেশনের পরে একদিনের বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়েছে নতুন গুন্ডা দমন আইন। তবে এই আইন রাজ্য জুড়ে চালু....

রাজ্যে চালু গুন্ডা দমন আইন, কার্যকর হওয়ার দিনেই হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ নতুন আইনের

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • রাজ্যে চালু গুন্ডা দমন আইন, কার্যকর হওয়ার দিনেই হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ নতুন আইনের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চালু হলো নতুন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চালু হলো নতুন গুন্ডাদমন আইন। এবারের বাজেট অধিবেশনের পরে একদিনের বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়েছে নতুন গুন্ডা দমন আইন। তবে এই আইন রাজ্য জুড়ে চালু হওয়ার দিনেই কলকাতা হাইকোর্টের দায়ের হল মামলা। নতুন আইনের উপরে স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টের মামলা দায়ের হওয়ার পরে সেই মামলা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত শুক্রবারই বহরমপুরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, বিধানসভায় গুন্ডাদমন বিল পাস হওয়ার পরে তাতে রাজ্যপাল অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। সোমবার থেকে রাজ্যে গুন্ডাদমন বিল চালু হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

রাজ্যে দুর্নীতি, সমাজবিরোধী কার্যকলাপ এবং দুষ্কৃতী দমনে আরও কড়া পদক্ষেপের লক্ষ্যে ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাক্ট, ২০২৬’ আজ সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। গত ২৯ জুন বিধানসভায় বিলটি পেশ ও পাশ হওয়ার পর রাজ্যপালের সম্মতি মেলে। এরপরই সেটি আইনে পরিণত হয়। নতুন এই আইনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও প্রশাসনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

 

নতুন আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন বা প্রতিরোধমূলক আটক। কোনও ব্যক্তিকে জননিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক বলে মনে হলে তাঁকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত আটক রাখার সুযোগ থাকবে। তবে এই আটক নির্বিচারে করা যাবে না বলে সরকার জানিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি অ্যাডভাইজরি বোর্ড গঠন করা হবে, যারা আটক করার যৌক্তিকতা বিচার করবে। আটক ব্যক্তি নিজের পক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ করে বোর্ডের সামনে বক্তব্য রাখার সুযোগও পাবেন। এই অ্যাডভাইজরি বোর্ডের প্রধান হবেন কলকাতা হাই কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি। এছাড়াও হাই কোর্টের বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন আরও দুই সদস্য বোর্ডে থাকবেন। তাঁদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রতিরোধমূলক আটক বহাল থাকবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে এই আইন চালু হওয়ার দিনেই কলকাতা হাইকোর্টের নতুন আইনের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করার আবেদন জানিয়ে দায়ের হয়েছে নতুন মামলা। সোমবার মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের। মামলা দায়ের করার পরেই শুনানি হবে জানিয়ে দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

আজকের খবর