ব্রেকিং
Latest Posts
KMDA urban road development : পথশ্রী–রাস্তাশ্রী প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে রাজ্যে ৫,৬১৬টি শহুরে রাস্তা নির্মাণ, ব্যয় ৮,৪৮৭ কোটিMamata letter to Gyanesh Kumar: বাংলায় নির্বাচন কমিশনের ‘অপরিকল্পিত’ এসআইআর নিয়ে ক্ষুব্ধ মমতা, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ফের কড়া চিঠিSutanuti Short Film Festival : নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে জমজমাট সমাপ্তি সুতানুটি শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের, জোড়া সম্মানে উজ্জ্বল ‘সবুজ দ্বীপের পাঠশালা’Abhishek Bankura : ‘আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পাথর খাদানের কাজ শুরু হয়ে যাবে, ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে’ বাঁকুড়ার শালতোড়া থেকে ঘোষণা অভিষেকেরWB Govt caveat against ED : আইপ্যাকের বিরুদ্ধে ইডির অভিযান, সম্ভাব্য একতরফা শুনানি আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল রাজ্যের
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu against Mamata Ipac : ‘১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে’ বিষ্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

Suvendu against Mamata Ipac : ‘১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে’ বিষ্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।   ‘কাকদ্বীপের একটি ব্যাঙ্ক থেকে ১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।’ শুক্রবার সকালে প্রেস কনফারেন্স করে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আইপ্যাকের অফিসে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন....

Suvendu against Mamata Ipac : ‘১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে’ বিষ্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu against Mamata Ipac : ‘১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে’ বিষ্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।   ‘কাকদ্বীপের একটি ব্যাঙ্ক থেকে ১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

 

‘কাকদ্বীপের একটি ব্যাঙ্ক থেকে ১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।’ শুক্রবার সকালে প্রেস কনফারেন্স করে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আইপ্যাকের অফিসে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে ঝড় উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ যে, দুর্নীতির টাকা সরাসরি আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। যার পরিমাণ প্রায় ১৬ কোটি টাকা।

গতকাল সকালে দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। তল্লাশি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। আর ঠিক তার পরেই ঘটে এক নজিরবিহীন ঘটনা। ইডি আধিকারিকরা যখন প্রতীক জৈনের বাড়ির ভিতরে নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন, ঠিক সেই সময় আচমকাই সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হন। তড়িঘড়ি করে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন তিনি।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, ইডি-র তল্লাশিতে বাধা দেওয়া একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। তাঁর দাবি, আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে।

শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘জল জীবন মিশন’-এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা পেয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কোনও কাজই হয়নি। ২০২১ সালে এই প্রকল্পের কাজের বরাত পেয়েছিল একটি সংস্থা। সেই সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল প্রায় ১৭০ কোটি টাকার কাজ। ওই টাকার মধ্যেই কাকদ্বীপের একটি ব্যাঙ্ক থেকে ১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের একটি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।’ শুধুমাত্র অভিযোগই নয়, নাকি ওই লেনদেনের চেক নম্বর পর্যন্ত প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি যে, মুখ্যমন্ত্রী আদতে তল্লাশি চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে নিতে পারেননি। শুভেন্দুর কথায়, ‘যে প্রস্তাবিত প্রার্থী তালিকার কথা বলা হচ্ছে, সেটার কপি অনেকের কাছেই আছে। আর যে ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাতে কী ছিল, সেটা কেউ জানে না।’

এদিকে, ইডির আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘ইডির আদালতের দ্বারস্থ হওয়া একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে সিবিআই তদন্ত চেয়েছে ইডি এবং যাদের ছবি ও নাম পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের সবাইকে মামলার পার্টি করা হয়েছে। যা কিছু হয়েছে, সবটাই সবার চোখের সামনেই হয়েছে।’

কেন ইডির আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীকে নথি নিয়ে যেতে বাধা দেননি? এই প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বাধা দিলে আধিকারিকদের উপর আক্রমণ হতে পারত। তাঁর অভিযোগ, গোটা ঘটনাটি এক ধরনের ‘গুণ্ডামি’, যেখানে পুলিশকে অসদ্ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, হাওলার মাধ্যমে টাকা গোয়ার নির্বাচনে ব্যাবহার হয়েছে হয়েছে এবং দিল্লির আফগারি দুর্নীতি মামলাতেও আই-প্যাক জড়িত ছিল। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ তোলেন জল জীবন মিশনের রাজ্যে বরাত পেয়েছে এমন একটি সংস্থা কাকদ্বীপের অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কে চেকের মাধ্যমে ২০২১ সালে নির্বাচনের আগে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ১৬ কোটি টাকা ট্রান্সফার করে।’ সাংবাদিকদের সামনে চেক নম্বরসহ নথি তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, ‘এবার বুঝতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রীর ব্যথাটা কোথায়? কেন তিনি তড়িঘড়ি প্রতীকের বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন।’

আই-প্যাক কাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলার মানুষ দেখতে চেয়েছিল, এত বড় ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী কি ভয় পেয়ে ইডি কার্যক্রমে বাধা দেবেন নাকি সংবিধান অনুযায়ী কাজ করবেন। আমি অত্যন্ত খুশি, আজ ইডি মুখ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছে। ইডির এই পদক্ষেপ যথাযথ এবং বাংলার মানুষ কঠিন পদক্ষেপ চায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণ অনৈতিক ও অসাংবিধানিক। রাজীব কুমারের সময়েও এমন ঘটেছে, ফিরহাদ হাকিমদের সময়েও হয়েছে। এটা ওনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।’ পাশাপাশি তিনি রাজ্যের পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীকে অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন।

 

আজকের খবর