ডুবন্ত এক যাত্রীকে প্রাণে বাঁচালেন লঞ্চের কর্মীরাই, কলকাতায় ইন্টারভিউ দিয়ে এদিন দুপুরে বর্ধমানের বাড়ি ফিরছিলেন ওই যাত্রী। তবে, এটি লঞ্চ থেকে পড়ে দুর্ঘটনা, নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা তা নিয়ে ধন্দে পুলিশও। শুক্রবার দুপুরে হাওড়াগামী লঞ্চে ওই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
লঞ্চ কর্মীদের চেষ্টায় যুবককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বর্ধমানের বাসিন্দা ওই যুবক এদিন পরিবারের সাথে কলকাতায় শ্যামবাজারে এসেছিলেন। ইন্টারভিউ দিয়ে ফেরার সময় বাগবাজার থেকে হাওড়া আসার লঞ্চে ওঠেন তাঁরা। লঞ্চ কর্মীদের অভিযোগ, মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দেন ওই যুবক। যদিও যুবকের দাবি তিনি জলে ঝাঁপ দেননি। লঞ্চের ধারে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি।
অসতর্কভাবে লঞ্চ থেকে জলে পড়ে যান। উল্লেখ্য, মাত্র পাঁচদিন আগেও এক বয়স্কা মহিলা লঞ্চ থেকে জেটিতে নামার সময় হাওড়া ফেরিঘাটে গঙ্গায় পড়ে যান। তিনদিন পর কলকাতার পশ্চিম বন্দর পশ্চিম বন্দর থানা এলাকার একটি জেটি ঘাট থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
এদিন উদ্ধার হওয়া যুবক বলেন, আমি জলে ঝাঁপ দিইনি। পা পিছলে পড়ে যাই। কিছুক্ষণ পর লঞ্চের কর্মীরাই আমাকে উদ্ধার করেন। তাঁরাই আমার প্রাণ বাঁচান। বর্ধমান থেকে কলকাতায় এসে ইন্টারভিউ দিয়ে বর্ধমানে বাড়ি ফিরছিলাম। আমি সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করি। এদিকে, লঞ্চ কর্মী শৈবাল দে বলেন, লঞ্চ হাওড়ার দিকে আসছিল। তখনই ওই ব্যক্তি গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। এই দেখে লঞ্চ ঘুরিয়ে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।