ব্রেকিং
Latest Posts
Abhishek Virtual SIR Meeting ::‘আপনারা যদি নিজের কাজ না করেন, দল আপনাদের পাশে থাকবে না’ ভার্চুয়াল বৈঠকে কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকেরSukanta Majumder attacks Mamata : ‘নেতাজি বেঁচে থাকলে ঘোড়া থেকে নেমে ঠাটিয়ে একটা চড় মারতেন’ নেতাজিকে এসআইআর হিয়ারিংয়ে ডাকা হতো বলে মমতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিস্ফোরক সুকান্তSuvendu Adhikari Bankura Deadline : বাঁকুড়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া সুর শুভেন্দুর: ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ডেডলাইন বাঁধলেন শুভেন্দুHiraan Chatterjee Wedding Scandal : ২১-শে হিরণ ভাইফোঁটা নিয়েছিলেন এখনকার বউ ঋতিকার কাছে, অবৈধ সম্পর্ক লুকোতেই ভাই বোন সেজে থাকা?Mamata against SIR : ‘এবার ওরা ঠিক করে দেবে কবে কে বিয়ে করবে? প্রেমটা ওরা ঠিক করে দেবে?’ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার

CPIM Brigade : ব্রিগেডে সিপিএম নেতার মুখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সাফল্যের জয়গান

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। বছর ঘুরলেই বাংলায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন।‌তার আগে সিপিএমের ৪ সংগঠনের ডাকা ব্রিগেডে চূড়ান্ত হতাশ বামপন্থীরা। আগামী দিনে কোন পথে লড়াই তার কোনো দিশা মিললো না সেলিমের বক্তব্যে। বিজেপি এবং তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণ করতে গিয়ে সেলিমের....

CPIM Brigade : ব্রিগেডে সিপিএম নেতার মুখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সাফল্যের জয়গান

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। বছর ঘুরলেই বাংলায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন।‌তার আগে সিপিএমের ৪ সংগঠনের ডাকা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

বছর ঘুরলেই বাংলায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন।‌তার আগে সিপিএমের ৪ সংগঠনের ডাকা ব্রিগেডে চূড়ান্ত হতাশ বামপন্থীরা। আগামী দিনে কোন পথে লড়াই তার কোনো দিশা মিললো না সেলিমের বক্তব্যে। বিজেপি এবং তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণ করতে গিয়ে সেলিমের মধ্যে শুধুই পিএম এর পুরনো সুদিনের কথা মুর্শিদাবাদ মালদহের দাঙ্গা পরিস্থিতি।

 

বামেদের ব্রিগেড সমাবেশে মুর্শিদাবাদ কাণ্ডে বিজেপি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কাঠগড়ায় তুললেন মহম্মদ সেলিম। এদিন তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস, রাজ্যের প্রশাসনের মুরোদ নেই, এই দাঙ্গাবাজদের আটকাবে। তাঁর জন্য লাল ঝাণ্ডাকে মজবুত করতে হবে। ডাণ্ডাগুলিকে একটু মোটা করতে হবে। তবে আমরা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ভাষায় বলতে পারব, এরাজ্যে যারা দাঙ্গা করতে আসবে, মাথা ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হবে। এটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই সাহস করতে পারেন না। দাঙ্গা কেন হয় ? এই বাংলার বুকে জ্যোতি বসু বলেছিলেন, সরকার চাইলে দাঙ্গা হয়। আর সরকার না চাইলে দাঙ্গা হয় না।”

এদিন তিনি শাসক দল ও গেরুয়া শিবিরকে একসঙ্গে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “বিজেপি-তৃণমূল খেটে খাওয়া মানুষের ঐক্যে ফাটল ধরাচ্ছে। মুর্শিদাবাদ, মালদায় যে ঘটনা ঘটল, রামনবমী-হনুমানজয়ন্তী করছে তৃণমূল-বিজেপি। বিজেপি-তৃণমূলের নেতারা প্রতিদিন নাটক করছে, ওদের স্ক্রিপ্ট লিখে দিয়েছেন মোহন ভাগবত। বিরোধী দলের নেতা তৃণমূলের সাজানো, আজ মহান সাজতে চাইছে বিরোধী দলের নেতা। প্রতিদিন হিন্দু-মুসলমানকে লড়ানোর চেষ্টা করছে ঘৃণাভাষণের মাধ্যমে, কেন একটিও মামলা করলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

কৃষকসভা, সিটু, ক্ষেতমজুর সংগঠনের সভায় সেলিম বলেন, “যাঁরা দূরবীন নিয়ে লাল ঝান্ডা দেখতে পাচ্ছিল না, ব্রিগেডে এই মেহনতী মানুষের সমাবেশে তাঁদের বুকে কাঁপন ধরেছে। আমরা কাউকে ভয় দেখাতে আসিনি। গোটা রাজ্যে যে অবস্থা চলছে, গোটা দেশে যে অবস্থা চলছে, খেটে খাওয়া মানুষ, যাঁরা পরিশ্রম করছে, তাঁদের পরিশ্রমের জায়গা কম হচ্ছে। খেটে খাওয়া মানুষকে খুঁটে খাওয়া পর্য়ায়ে নিয়ে যাচ্ছে। যাঁরা লুঠের খাচ্ছে, তারা লুঠের বাজার বড় করতে চাইছে। যাঁরা লুঠের খাচ্ছে, তারা লুঠের বাজার বড় করতে চাইছে। মোদী-মমতার সরকার এই কাজ করার জায়গাটা ছোট করে দিচ্ছে। কোনও কেন্দ্রীয় সরকারের দফতরে, কোনও রাজ্য সরকারের দফতরে নিয়োগ হচ্ছে না। নতুন কল-কারখানা হচ্ছে না। যদিবা পুলিসে, শিক্ষকে নিয়োগ হয়, সেখানে দুর্নীতির পাহাড়। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর নাকে ঝামা ঘষে দিয়েছে। ২৬ হাজার জনের চাকরি গিয়েছে। আর জি করে কীভাবে পিজিটি কীভাবে খুন হল, ধর্ষণ হল, লক্ষ লক্ষ মানুষ নামল রাজ্যজুড়ে। বিচার চাই, ইনসাফ চাই। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ঠিক করল, কলকাতা ও সিবিআই এক লাইনে দাঁড়িয়ে গেল। বলল, আইনে বিচার হবে না। লাইনে চলবে।”

 

তবে কিছুটা হলেও হাততালি কুড়োলেন খেতমজুর আন্দোলনের নেত্রী বন্যা টুডু। তিনি বলেন, “ওদেরকে ভয় খাব আমরা? হুগলী জেলায় লড়াই করে দেখিয়ে দিয়েছি। আবাসের ঘরে বঞ্চনা হচ্ছে। আর দিদি বলছেন ডবল উন্নয়ন হচ্ছে। মানুষ বলেছেন, লালঝাণ্ডা কবে ফিরবে অপেক্ষা করছি। বিডিও বলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন না। বললাম, হ্যাঁ স্যার। লক্ষ্মীরা যেখানে সম্মান পাচ্ছে না সেখানে ভাণ্ডারের কথা বলছেন? ছাব্বিশে খেলা হবে। ব্যাট হবে, বলও হবে। উইকেট আমরা ফেলব। বুথে নজর রাখব। সব বুথে নজর রাখব।”

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সাফল্যের জয়গান

রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্প চালু করেছিলেন ২০২১ সালে। কিন্তু সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ওপরই এবার আস্থা রাখলেন সিপিএম নেতা নিরাপদ সর্দার। বামেদের ব্রিগেড সমাবেশে সিপিএম নেতা প্রকাশ্যেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি সন্দেশখালির সিপিএম নেতা তথা খেতমজুর সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক নিরাপদ সর্দার ব্রিগেড থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন। তিনি দাবি তুলেছেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প সকলকে দেওয়া হোক। আমরা চাই রাজ্যের সকল মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধে পান।”

ব্রিগেড সমাবেশ থেকেই নিরাপদ সর্দারের মত সুখরঞ্জন দে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপর একটি প্রকল্প স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন।

আজকের খবর