পশ্চিমবঙ্গ সরকার তপশিলি উপজাতিভুক্ত নাগরিকদের সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে বলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় । সেই সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয় যে শিক্ষাক্ষেত্রে ‘শিক্ষাশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি ও হোস্টেল সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
প্রবীণদের জন্য ‘জয় জোহার’ প্রকল্পে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।এই পরিপ্রেক্ষিতে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সাম্প্রতিক আদিবাসী উন্নয়নমূলক কাজের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সোমবার একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলা শাসকের কার্যালয়ের সভাগৃহে। সোমবার
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিভা রানী মাইতি, অতিরিক্ত জেলা শাসক (সাধারণ), জেলার খড়্গপুর, ঘাটাল ও মেদিনীপুর সদর মহকুমার মহকুমা শাসক, বিভিন্ন আদিবাসী উন্নয়ন বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকগণ।

সেখানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আদিবাসী মানুষের উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে বিশেষভাবে গঠিত পশ্চিমবঙ্গ লোধা-শবর উন্নয়ন বোর্ড এবং ভূমিজ উন্নয়ন বোর্ড আদিবাসী সম্প্রদায়ের নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা কার্যকর করছে। পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ—গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, পানীয় জলের উৎস স্থাপন, কমিউনিটি হল, আইসিডিএস কেন্দ্র, হোস্টেল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে।
সংস্কৃতি সংরক্ষণের ক্ষেত্র্রেও বিভিন্নভাবে কাজ করে চলেছে এই দপ্তর ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে আদিবাসী উন্নয়ন প্রকল্পগুলির আরও কার্যকর বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।