ব্রেকিং
Latest Posts
Abhishek Virtual SIR Meeting ::‘আপনারা যদি নিজের কাজ না করেন, দল আপনাদের পাশে থাকবে না’ ভার্চুয়াল বৈঠকে কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকেরSukanta Majumder attacks Mamata : ‘নেতাজি বেঁচে থাকলে ঘোড়া থেকে নেমে ঠাটিয়ে একটা চড় মারতেন’ নেতাজিকে এসআইআর হিয়ারিংয়ে ডাকা হতো বলে মমতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিস্ফোরক সুকান্তSuvendu Adhikari Bankura Deadline : বাঁকুড়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া সুর শুভেন্দুর: ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ডেডলাইন বাঁধলেন শুভেন্দুHiraan Chatterjee Wedding Scandal : ২১-শে হিরণ ভাইফোঁটা নিয়েছিলেন এখনকার বউ ঋতিকার কাছে, অবৈধ সম্পর্ক লুকোতেই ভাই বোন সেজে থাকা?Mamata against SIR : ‘এবার ওরা ঠিক করে দেবে কবে কে বিয়ে করবে? প্রেমটা ওরা ঠিক করে দেবে?’ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Panchayat Evaluation West Bengal : বিধানসভা নির্বাচনের আগে পঞ্চায়েত মূল্যায়নে কড়াকড়ি রাজ্যের, গ্রাম বাংলাতেই নজর নবান্নের

Panchayat Evaluation West Bengal : বিধানসভা নির্বাচনের আগে পঞ্চায়েত মূল্যায়নে কড়াকড়ি রাজ্যের, গ্রাম বাংলাতেই নজর নবান্নের

রাজ্য সরকার এবার গ্রামীণ শাসন ব্যবস্থার কাজে নতুন উদ্যমে মন দিচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পঞ্চায়েত কীভাবে কাজ করেছে, সেই মূল্যায়ন শুরু হয়েছে জুলাই মাস থেকেই। সূত্র বলছে, এবারের মূল্যায়ন হবে আরও কঠোর এবং ফলাফলের ভিত্তিতে নেওয়া হবে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত।....

Panchayat Evaluation West Bengal : বিধানসভা নির্বাচনের আগে পঞ্চায়েত মূল্যায়নে কড়াকড়ি রাজ্যের, গ্রাম বাংলাতেই নজর নবান্নের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Panchayat Evaluation West Bengal : বিধানসভা নির্বাচনের আগে পঞ্চায়েত মূল্যায়নে কড়াকড়ি রাজ্যের, গ্রাম বাংলাতেই নজর নবান্নের

রাজ্য সরকার এবার গ্রামীণ শাসন ব্যবস্থার কাজে নতুন উদ্যমে মন দিচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পঞ্চায়েত....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাজ্য সরকার এবার গ্রামীণ শাসন ব্যবস্থার কাজে নতুন উদ্যমে মন দিচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পঞ্চায়েত কীভাবে কাজ করেছে, সেই মূল্যায়ন শুরু হয়েছে জুলাই মাস থেকেই। সূত্র বলছে, এবারের মূল্যায়ন হবে আরও কঠোর এবং ফলাফলের ভিত্তিতে নেওয়া হবে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত।

প্রতিবছরের মতোই এই ‘ইভ্যালুয়েশন’ প্রক্রিয়া শুরু হলেও এবারে বেশ কিছু নতুন সূচক সংযুক্ত করা হয়েছে। যেমন— পঞ্চায়েতের নিজস্ব আয়ের অন্তত ৫০ শতাংশ জনস্বার্থে ব্যয় করা বাধ্যতামূলক এবং আগের বছরের তুলনায় কমপক্ষে ১০ শতাংশ আয়বৃদ্ধি আবশ্যিক করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সময়মতো প্রকল্প সম্পন্ন করা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নেও জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

দক্ষিণবঙ্গের এক জেলাশাসক জানিয়েছেন, “অনেক পঞ্চায়েত নানা উৎস থেকে আয় করলেও পরিকল্পনার অভাবে সেই অর্থ খরচ হচ্ছে না। এই প্রবণতাই এবার বদলাতে চাইছে সরকার।” সেই কারণে জেলা প্রশাসনকে পাঠানো হয়েছে নতুন নির্দেশিকা। এমনকি তৈরি হয়েছে বিশেষ পোর্টালও, যেখানে প্রতিটি কাজের অগ্রগতি আপলোড করতে হবে নির্ধারিত সময়ে।

পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, “মূল্যায়ন তো প্রতিবছরই হয়, এবার আমরা সেটা আরও বেশি পদ্ধতিগতভাবে করছি, যাতে প্রকৃত কাজের মূল্যায়ন সম্ভব হয়।”

এই উদ্যোগের পেছনে রাজনৈতিক দিকও অস্বীকার করা যাচ্ছে না। কারণ, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষ্কারভাবে গ্রাম বাংলায় নিজেদের ভিত আরও মজবুত করতে চায়। গত লোকসভা ভোটে দেখা গেছে, শহরাঞ্চলে বিজেপির সাফল্য থাকলেও, পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের আধিপত্য অক্ষুণ্ণ। তাই “গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার” পরিকল্পনায় এবার বাজেট বরাদ্দও হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ।

রাজ্য বাজেটের সবচেয়ে বড় বরাদ্দ গিয়েছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগে। এর পিছনে একটি বড় কারণ কেন্দ্রের কাছ থেকে বহু প্রকল্পের অর্থ না পাওয়া। যেমন ১০০ দিনের কাজ, গ্রামীণ সড়ক প্রকল্প ইত্যাদি রাজ্যকেই নিজের কোষাগার থেকে চালাতে হয়েছে।

এই অবস্থায়, মূল্যায়নের কড়াকড়ি মূলত প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক প্রস্তুতি— দুটিই নিশ্চিত করতে চাইছে রাজ্য। গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা পুনরায় অর্জন করাই এখন নবান্নের মূল লক্ষ্য। তাই গ্রামে নজর বাড়ানো এবং পঞ্চায়েতগুলির কাজের গতি বাড়ানোই এখন সরকারের

আজকের খবর