ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী, বাংলাদেশ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর হলো ২টি বিভাগ (১) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ (২) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। এলোপ্যাথিক এমবিবিএস ও ডেন্টাল (দন্ত) বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকদের আইন হলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ ও তাদের নিয়ন্ত্রণকারি প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ অধীন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল। সেই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল ২৪/০৭/২০২৫ তারিখে এবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপর অন্যায় ভাবে চাপ সৃষ্টি করে ও বিভ্রান্ত করতে ডা. পদবি নিয়ে পত্র প্রেরন করে, তার পরিপ্রক্ষিতে দেশের বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম অদক্ষ ও দুর্নীতি খাত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ হতে পত্র ইস্যু করেছে, মহান জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাসকৃত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩ কে টেনে এনেছে ও বিভ্রান্ত করছে এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদেরকে ডাক্তার পদবী লিখতে বাঁধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যেনতেন পত্র বড় না বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পাসকৃত আইন বড়? বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাসকৃত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩ (১৩ নভেম্বর ২০২৩, বাংলাদেশ গেজেট) অনুযায়ী আইনের [১। (১৩) “হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (Homoeopathic Doctor)” অর্থ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত কোনো হোমিওপ্যাথিক ডা. ;]
কিন্তু এলোপ্যাথিক এমবিবিএস ও বিডিএস’দের বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলদের চক্রান্তে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ হতে ১০.০৮.২০২৫ তারিখের পত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্ত করতে ভুলভাবে লিখেছে ০২। এ বিষয়ে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩ এর ধারা ১(১৩) এর বিধান নিম্নরুপ “হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অর্থ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত কোনো হোমিওপ্যাথিক ডা.”।
এখানে হবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩ অনুযায়ী আইনের [১। (১৩) “হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (Homoeopathic Doctor)” অর্থ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত কোনো হোমিওপ্যাথিক ডা. ; ] পত্রে আইনে উল্লেখিত Homoeopathic Doctor শব্দ কোথায়? লেখাতে শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে কেন? না আইনে ১।(১৩) উল্লেখ Homoeopathic Doctor শব্দ এটা লিখলে পত্র দুর্বল হয়ে যাবার ভয়? বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাসকৃত আইনের লাইন ইচ্ছাকৃত ভাবে ও বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করার অপরাধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবেনা? আর পত্র আইন অধিশাখা হতে ইস্যু না করে চিকিৎসা শাখা হতে ইস্যু করা? চাপ পড়লে ও আইনের সম্মুখিন হলে বুঝাবে আইন অধিশাখা নয় চিকিৎসা শাখা তাই বুঝেনি পত্র ইস্যু করে ফেলেছে? বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা সহ বিশ্বব্যাপী আইনগত ভাবে সরকার স্বীকৃত ডিগ্রীধারি হোমিওপ্যাথি গণ ডা. পদবি লিখে আসছে। বাংলাদেশে ও হোমিওপ্যাথি গণ ডা. পদবি লিখতে বাধা সৃষ্টি করলে পেশাজীবী সংগঠন সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। চক্রান্তকারিরা কখনও আদালতের দোহাই দেবার সুযোগ নেই, আদালতকে বিভ্রান্ত করে রায় দিলে তা আদালতের দৃষ্টিগোচরে আনলে বা আপীলে সংশোধন করা অস্বাভাবিক নয়। বার বার ডা. পদবি নিয়ে চক্রান্তে হোমিওপ্যাথিকগণ অত্যান্ত বিরক্ত বোধ করছে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও এলোপ্যাথিকদের বিএমডিসি এবং এলোপ্যাথ এমবিবিএস ও বিডিএস’রা ডা. পদবি শুধু নিজেদের ব্যবহার করা নিয়ে বার বার কার্যকলাপ দেখে বহিবিশ্ব ভাল চোখে দেখছেনা! পেশায় মনোনিবেশ না করে ডা. পদবি নয়ে চক্রান্ত! তাদেরকে পেশা ও সেবায় মনোনিবেশ করা দরকার। চক্রান্তকারিদের জ্ঞান দাও প্রভু এদের ক্ষমা করো। পাশাপাশি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের অদক্ষ ও অযোগ্য ব্যক্তিদের বদলি এবং অপসারণে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। মাঠ পর্যায় হতে হোমিওপ্যাথিকগণ হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিলকে অবগত করলেও সম্প্রতি হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করে নিরব থাকায় স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন শ্রতিবেদনে হোমিওপ্যাথিককে অবমূল্যায়ন করেছে। বর্তমানেও হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিলের কোন পদক্ষেপ দৃষ্টিগোচর হচ্ছেনা। দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল।