ব্রেকিং
Latest Posts
Roopa Ganguly: কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি, একাধিক মামলা, সোনারপুর দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের হলফনামায় চমকTCS Shutdown: ‘তোমার বউকে রাতে পাঠিয়ে দিও’ বলে অফিসের মধ্যেই যৌন হেনস্থা, মহিলা কর্মীদের উপর অফিসেই যৌনাচার, বন্ধ হয়ে গেল TCS-র অফিসMamata against Modi Shah : ‘যাঁদের হাতে রক্ত মিশে, তাঁরা বাংলার মানুষকে অনুপ্রবেশকারী বলে অসম্মান করেন’ মোদি-শাহকে তীব্র আক্রমণ মমতারsupreme court Bengal : সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগে ঐতিহাসিক রায়, ভোটের দুদিন আগেও নাম সংশোধনে মিলবে ভোটাধিকার, সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশSuvendu against Mamata: ‘মমতার মাথার চিকিৎসা করাতে হবে, ওঁকে বলুন মাথার চিকিৎসা করাতে’ বিষ্ফোরক শুভেন্দু
  • Home /
  • আন্তর্জাতিক /
  • RAMC trainee doctor Sreyan free medicine: চিকিৎসক হওয়ার আগেই সবার শীর্ষে, ১৭ কোটি টাকার বিনামূল্যের ওষুধ এনে প্রশংসায় রামেকের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক শ্রেয়ান

RAMC trainee doctor Sreyan free medicine: চিকিৎসক হওয়ার আগেই সবার শীর্ষে, ১৭ কোটি টাকার বিনামূল্যের ওষুধ এনে প্রশংসায় রামেকের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক শ্রেয়ান

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী, বাংলাদেশ। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) বা হৃদ্যন্ত্র বিকল (হার্ট অ্যাটাক) হওয়া রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ এনেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেকের) শিক্ষানবিশ চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ান। যার বাজার মূল্য ১৭ কোটি টাকা। তার গবেষণা ও প্রচেষ্টার কারণে....

RAMC trainee doctor Sreyan free medicine: চিকিৎসক হওয়ার আগেই সবার শীর্ষে, ১৭ কোটি টাকার বিনামূল্যের ওষুধ এনে প্রশংসায় রামেকের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক শ্রেয়ান

  • Home /
  • আন্তর্জাতিক /
  • RAMC trainee doctor Sreyan free medicine: চিকিৎসক হওয়ার আগেই সবার শীর্ষে, ১৭ কোটি টাকার বিনামূল্যের ওষুধ এনে প্রশংসায় রামেকের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক শ্রেয়ান

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী, বাংলাদেশ। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) বা হৃদ্যন্ত্র বিকল (হার্ট অ্যাটাক) হওয়া....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী, বাংলাদেশ।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) বা হৃদ্যন্ত্র বিকল (হার্ট অ্যাটাক) হওয়া রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ এনেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেকের) শিক্ষানবিশ চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ান। যার বাজার মূল্য ১৭ কোটি টাকা। তার গবেষণা ও প্রচেষ্টার কারণে নেদারল্যান্ডস থেকে দুই হাজার ৫০০ ভায়াল অ্যাল্টেপ্লেস ইনজেকশন এসেছে। এরই মধ্যে এসব জীবন রক্ষাকারী ওষুধ প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নেদারল্যান্ডস থেকে বোহরিঙ্গার কোম্পানির দুই হাজার ৫০০ ভায়াল অ্যাল্টেপ্লেস ইনজেকশন ২০ আগস্ট পাঠানো হয়। রামেক হাসপাতালে পৌঁছায় ২৫ আগস্ট। গত বুধবার হৃদরোগ বিভাগের ওয়ার্ডে ৭০টি ভায়াল দেওয়া হয়েছে। এ অঞ্চলের অন্তত ৫০০ রোগী এবার বিনামূল্যে এই ওষুধটি পাবেন।

শীর্ষ শেয়ান রাজশাহী মেডিকেলের ৬১ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি গবেষণাও করছেন। সেটির সূত্র ধরেই তিনি এই ইনজেকশন বিনামূলে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছেন। শীর্ষ শ্রেয়ানের এই উদ্যোগে সহযোগিতা করেছেন মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ এবং হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ।

 

শীর্ষ শ্রেয়ান বলেন, বর্তমানে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে আছি। আমি যখন মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের স্টুডেন্ট, তখন অল স্টক ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চের একটা সুযোগ পাই। ওদের একটা রিসার্চ প্রজেক্ট ছিল। গেøাবাল কাভারেজ আব লেটস্টপ সার্ভিস। এটার রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যোগদান করার সুযোগ পাই। আমার সঙ্গে জার্মানির আরেকজন মেডিকেল স্টুডেন্ট ছিলেন। ওই প্রজেক্ট এরপর এখান থেকে পাবলিকেশন হয়। ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রোক জার্নালে পাবলিশ হয় সেটি। সেই মাসে এটি বেস্ট পেপার হয়েছিল।

 

তিনি আরও বলেন, যারা আমাদের এই ওষুধটি দিচ্ছে, ওই সংস্থার আঞ্চলিক ডিরেক্টর আমাকে ইমেইল করলেন যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে এটা প্রয়োজন আছে কি না। থাকলে কী পরিমাণ। মোটামুটি ৫০০০ ভায়ালের মতো ছিল। এই খবরটি পাওয়ার পর আমি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলি। কী পরিমাণ প্রয়োজন, সে অনুপাতে আমাদের চাওয়া হয়। আমাদের এখান থেকে প্রায় ২৫০০ ভায়ালের চাহিদা দেওয়া হয়েছিল।

তিনি জানান, হার্ট বøক হলে যে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এই ওষুধটা রক্ত জমাটকে ভেঙে দিতে পারে।

 

তিনি বলেন, আমি এর আগে আন্তর্জাতিক ও জাতীয়ভাবে গবেষণা করেছি। বাংলাদেশের সবথেকে বড় ভাইরাস নিপা গবেষণায় আমি জড়িত ছিলাম। গবেষণার কাজ শুরু হলে চেনাজানা হয়ে যায়। সেখান থেকেই এটি শুরু হয়। আমাদের মেডিকেলের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয়ে গেছে। এখানে যেসব ওষুধগুলো থাকে না সেগুলোর একটা লিস্ট করে তাদেরকে দেওয়া হয়েছে। এরপর হয়ত আরও ওষুধ আমরা পাব।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, এটার প্রথম যোগাযোগ শ্রেয়ান করেছে। এরপর আমি এবং পরিচালক মিলে সম্পন্ন করেছি। এটা নেদারল্যান্ডস থেকে আনা। ভারত থেকে যে ওষুধটি আসে, তার চেয়ে এটা দামি এবং গুণগতমানে ভালো। বিনামূল্যে আনা ওষুধের বাজারমূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

 

ডা. আজিজুল বলেন, শ্রেয়ান গবেষণা করছে স্ট্রোকের ওপর। গবেষকদের মাধ্যমে দাতা সংস্থার সঙ্গে পরিচয় হয়। তখন সে মেডিসিন বিভাগে যোগাযোগ করে। পরে ওদের প্রধানের সঙ্গে জুম মিটিং করি আমি। স্ট্রোকের সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে এই ইনজেকশন দিলে রোগী ভালো থাকবে। কিন্তু এ দেশে স্ট্রোকের রোগীরা সময়মতো আসতে পারেন না।

ডা. আজিজুল প্রস্তাব করেন, এই ওষুধটা হার্ট অ্যাটাকে ব্যবহারে অনুমতি দিতে হবে। তখন তারা এ অনুমতি দেয়। পরে হাসপাতালের সঙ্গে ডিরেক্ট রিলিফ ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি হয়। প্রতি রোগীকে পাঁচ ভায়াল ওষুধ দিতে হয়। এটা কিনতে গেলে একজন রোগীর এক লাখ টাকা লাগে। তবে এখন আমরা রোগীদের বিনামূল্যে দিতে পারব।

তিনি আরও বলেন, এখানে পৌঁছানোর পর শুল্ক এবং অন্যান্য খরচ দাতারা বহন করেছে। কিডনি, ফুসফুস (সিওপিডি) আক্রান্তসহ আরও কিছু জরুরি ওষুধ আছে। সেটাও আমরা একই পন্থায় আনার চেষ্টা করছি।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহাম্মেদ বলেন, শীর্ষ শ্রেয়ানের প্রচেষ্টায় এই ওষুধগুলো এসেছে। এগুলো স্ট্রোক হলে সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োগ করতে হয়। হৃদরোগে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হয়। বুধবার ৭০টি ভায়াল ওয়ার্ডে দিয়েছি। খুবই দামি এবং কার্যকর এই ওষুধ।

রামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফয়সাল আলম বলেন, আমাদের ছাত্রের মাধ্যমে এই ওষুধগুলো এসেছে, এটা আমাদের জন্য খুশির খবর। শিক্ষার্থীরা যেন গবেষণায় যুক্ত হয়ে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা এবং এ ধরনের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ এনে এ অঞ্চলের মানুষের উপকার করতে পারে।

আজকের খবর