ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta High Court Kalighater Kaku Bail : শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন কালীঘাটের কাকুর, স্বস্তির হাওয়া শাসক শিবিরে

Calcutta High Court Kalighater Kaku Bail : শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন কালীঘাটের কাকুর, স্বস্তির হাওয়া শাসক শিবিরে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবারে কালীঘাটের কাকু! শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। এর আগে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছিলেন তিনি। শর্ত না মানলে সুজয়কৃষ্ণের জামিন বাতিল করতে পারবে নিম্ন আদালত।....

Calcutta High Court Kalighater Kaku Bail : শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন কালীঘাটের কাকুর, স্বস্তির হাওয়া শাসক শিবিরে

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta High Court Kalighater Kaku Bail : শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন কালীঘাটের কাকুর, স্বস্তির হাওয়া শাসক শিবিরে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবারে কালীঘাটের কাকু! শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবারে কালীঘাটের কাকু! শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। এর আগে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছিলেন তিনি। শর্ত না মানলে সুজয়কৃষ্ণের জামিন বাতিল করতে পারবে নিম্ন আদালত। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোঘের বেঞ্চ জামিন মঞ্জুর করেছে ‘কালীঘাটের কাকু’র। তবে তাঁর জন্য কয়েকটি শর্ত দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণকে পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে। তাঁর মোবাইল নম্বর তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের কাছে দিতে হবে। এছাড়া সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী আধিকারিকদের সামনে হাজিরা দিতে হবে। মামলার কোনও প্রমাণ নষ্ট করতে পারবেন না তিনি। কলকাতার বাইরে যাওয়ারও অনুমতি মেলেনি।

উল্লেখ্য, নিয়োগ মামলায় এক কথোপকথনের সূত্র ধরে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে গ্রেফতার করে তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এরপর তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ নিয়েও বিস্তর টানাপড়েন হয়। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৩ সালে সুজয়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। পরে একই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআইও। অভিযোগ, শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন কালীঘাটের কাকু। তাঁর মাধ্যমেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে একাধিকবার দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ।

গত বছর ডিসেম্বর মাসে তাঁর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে আদালত। তারপর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে গৃহবন্দি হয়ে বেহালার বাড়িতে রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ। ইডি জানিয়েছিল, তদন্তে নেমে কালীঘাটের কাকুর বাড়ি থেকে তিনটি সংস্থার নথি উদ্ধার হয়। ওই কোম্পানিগুলি ভুয়ো বলেই দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। কোম্পানির সাথে সুজয় কৃষ্ণ বাবুর কী যোগ তাও জিজ্ঞাসা করা হয়। এমনকি বাজেয়াপ্ত করা ফোন (সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রর ফোন) থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে জেরা করে ইডি।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই ‘কালীঘাটের কাকু’কে কেন্দ্র করে নানা অভিযোগ উঠে আসে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি ছিল, চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকার লেনদেন, অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা কোথায় পাঠাতে হবে, কোন মাধ্যমে টাকা পৌঁছবে—সব কিছুতেই তাঁর সরাসরি ভূমিকা ছিল। তিনি নিয়মিত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দফতরে গিয়ে পরিকল্পনা করতেন এবং মানিক ভট্টাচার্যের অফিস থেকেই বহুবার দুর্নীতির ছক কষেছেন বলে অভিযোগ।

তদন্তে আরও দাবি করা হয়, তাঁর নির্দেশেই কুন্তল ও তাপসদের মাধ্যমে টাকা পৌঁছত এবং তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। ইডির মতে, তাঁর তিনটি সংস্থার মাধ্যমেই দুর্নীতির বিপুল কালো টাকা সাদা করা হয়েছিল।

আজকের খবর