ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • ECI Draft Roll : ফর্ম বিলি ১০০% হলেও খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ, জোরদার আন্দোলনের প্রস্তুতি তৃণমূলের

ECI Draft Roll : ফর্ম বিলি ১০০% হলেও খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ, জোরদার আন্দোলনের প্রস্তুতি তৃণমূলের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলায় ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ অর্থাৎ এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং পূরণ করে জমা দেওয়ার তারিখ শেষ হয়েছে। তারপরেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রকাশ্যে এসেছে বিস্ফোরক এক তথ্য। শুধুমাত্র....

ECI Draft Roll : ফর্ম বিলি ১০০% হলেও খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ, জোরদার আন্দোলনের প্রস্তুতি তৃণমূলের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • ECI Draft Roll : ফর্ম বিলি ১০০% হলেও খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ, জোরদার আন্দোলনের প্রস্তুতি তৃণমূলের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলায় ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলায় ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ অর্থাৎ এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং পূরণ করে জমা দেওয়ার তারিখ শেষ হয়েছে। তারপরেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রকাশ্যে এসেছে বিস্ফোরক এক তথ্য। শুধুমাত্র প্রথম ধাপেই বাংলার ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া নিশ্চিত প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের। সূত্রের দাবি, খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় এই অঙ্কে সামান্য হেরফের হলেও বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। ইতিমধ্যেই যে সংখ্যা ৫০ লক্ষ ছাড়িয়েছিল, এনুমারেশন পর্ব শেষে তা গিয়ে ঠেকেছে ৫৮ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮৫১ বা ৭.৫৯%- এ।

জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যেটা জানা যাচ্ছে তা হল রাজ্যে খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষ ৮ হাজার ২০২ জনের নাম বাদ পড়তে চলেছে। তবে এই সংখ্যার কিছু হেরফের হতে পারে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে পশ্চিমবঙ্গে। সেই তালিকা নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ থাকলে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কমিশনকে জানানো যাবে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবে কমিশন। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে আবেদনকারীকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হতে পারে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিয়ারিং হবে। এরপর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি।

কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্যে ২৪লক্ষ ১৯ হাজার ১৫৮ (৩.১৬%) জনকে ভোটারকে মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ১২ লক্ষ ১০ হাজার ৪৩৪ (১.৫৮%) জনের কোনও খোঁজই পাওয়া যায়নি। বিএলও তিনবার বাড়ি গিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে না পেলে তাঁদের ‘নিখোঁজ’ তালিকায় ফেলা হয়— নিয়ম অনুযায়ী এ ভাবেই চিহ্নিত হয়েছে ওই বিপুল সংখ্যক নাম। স্থান পরিবর্তনের কারণে ১৯ লক্ষ ৯২ হাজার ৮১৬ (২.৬%) জন ভোটারের নাম একাধিক এলাকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ১১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৭৪৭ (০.১৮%) জনকে ‘ডুপ্লিকেট’ ভোটার হিসাবে চিহ্নিত করায় তাঁদের নামও খসড়া তালিকায় থাকবে না।

আরও ৫৭ হাজার ৬৯৬ (০.০৮%) জন রয়েছেন ‘অন্যান্য’ বিভাগে— যাঁরাও বাদ পড়ার তালিকায়।
গত ৪ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন শুরু হয়। এরপর ১ বার প্রতি ধাপেই সময়সীমা ৭ দিন করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে এদিন আবার কমিশনের তরফে ৬ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ফের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। তবে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বাংলায় তার প্রয়োজন পড়েনি।

তবে বাংলায় ভোটার তালিকা থেকে এই বিপুল সংখ্যক নাম যদি খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষ্ণনগরে এক জনসভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে এসআইআর ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, ‘একজন যোগ্য ভোটারের নামও যদি কেটে দেওয়া হয়, আমি ধর্নায় বসব। পশ্চিমবঙ্গে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। ভোটের জন্য এতটাই মরিয়া যে নির্বাচনের দুই মাস আগে এসআইআর চালানো হচ্ছে। আমাদের এমন এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছে, যিনি বাঙালি জাতিকে বাংলাদেশি বলে তকমা লাগিয়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে পারেন। কিন্তু আমরা কাউকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাড়াতে দেব না। কাউকে জোর করে বের করে দিলে আমরা খুব ভালো করেই ফিরিয়ে আনতে জানি। কিছু বিজেপি সমর্থিত মানুষকে দিল্লি থেকে পাঠানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নজরে রাখতে। এসআইআর শুনানির সময় তাঁরা জেলা শাসকদের কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন।’

আজকের খবর