ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Abhishek Banerjee against BJP : ‘লক্ষীর ভান্ডার পাওয়া বাড়ির মহিলাদের ভোটের দিন আটকে রাখুন’ বিজেপি নেতার বক্তব্যে তীব্র বিতর্ক রাজ্যজুড়ে, তীব্র আক্রমণের অভিষেকের

Abhishek Banerjee against BJP : ‘লক্ষীর ভান্ডার পাওয়া বাড়ির মহিলাদের ভোটের দিন আটকে রাখুন’ বিজেপি নেতার বক্তব্যে তীব্র বিতর্ক রাজ্যজুড়ে, তীব্র আক্রমণের অভিষেকের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পাওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি করে রাখার নিদান দিলেন বিজেপি নেতা। বাড়ির যে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে টাকা পান এবং তৃণমূলকে ভোট দেন, তাঁদের বন্দি করে রাখতে বললেন বাড়ির পুরুষদের। জোড়াফুলে নয়, পদ্মে ভোট....

Abhishek Banerjee against BJP : ‘লক্ষীর ভান্ডার পাওয়া বাড়ির মহিলাদের ভোটের দিন আটকে রাখুন’ বিজেপি নেতার বক্তব্যে তীব্র বিতর্ক রাজ্যজুড়ে, তীব্র আক্রমণের অভিষেকের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Abhishek Banerjee against BJP : ‘লক্ষীর ভান্ডার পাওয়া বাড়ির মহিলাদের ভোটের দিন আটকে রাখুন’ বিজেপি নেতার বক্তব্যে তীব্র বিতর্ক রাজ্যজুড়ে, তীব্র আক্রমণের অভিষেকের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পাওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি করে রাখার নিদান দিলেন বিজেপি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পাওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি করে রাখার নিদান দিলেন বিজেপি নেতা। বাড়ির যে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে টাকা পান এবং তৃণমূলকে ভোট দেন, তাঁদের বন্দি করে রাখতে বললেন বাড়ির পুরুষদের। জোড়াফুলে নয়, পদ্মে ভোট দিতে হবে বলে নির্দেশ দিলেন তিনি। বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্ক জড়ালেন দাসপুরের বিজেপি নেতা কালীপদ সেনগুপ্ত। কালীপদ বিজেপি-র রাজ্য কমিটির সদস্যও। প্রকাশ্য সভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া মায়েরা যেমন ভারতীয় জনতা পার্টিকে ভোট দেবেন, তেমন এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া মায়েরা আছেন যাঁরা জোড়াফুলে ভোট দিতে যাবেন।’

 

আর এর পরই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন কালীপদ। তিনি বলেন, ‘আমি ওই সব পরিবারের স্বামীদের বলছি, ওই মায়েদের ঘরে বন্দি রেখে দেবেন। ভোটটা দিতে হবে পদ্মফুলে, জোড়াফুলে নয়।’ রীতি মতো ফরমান দেওয়ার মতো ভঙ্গিতেই পুরুষদের এই নিদান দেন কালীপদ। তাঁর মন্তব্য শুধু বিতর্কিতই নয়, নারীবিদ্বেষী বলেও মনে করছেন অনেকে।
এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা পোস্ট করে বিজেপিকে বাংলা বিরোধী এবং নারী বিরোধী বলে অভিযোগ তুলেছেন। অভিষেকের দাবি, প্রথমে স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন-এর নামে বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম ছাঁটাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। সেই কৌশল সফল না হওয়ায় পরে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’র অজুহাতে জোর করে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলে। তাঁর অভিযোগ, সেই পথেও সুবিধা করতে না পেরে এখন বিজেপি আরও এক ধাপ এগিয়ে ‘সামন্ততান্ত্রিক ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা’ প্রকাশ করছে।

তাঁর অভিযোগ, বিজেপির পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করা হচ্ছে যেখানে স্বামী-স্ত্রীদের ঘরে আটকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আর্থিকভাবে ক্ষমতায়িত মহিলারা ভোট দিতে না পারেন। অভিষেকের কথায়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। এমনকি রাজ্যের হিন্দু সমাজকে ‘মাত্র ৫০০ টাকার বিনিময়ে নিজেদের বিক্রি করে’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। সরাসরি মহিলাদের আর্থিক সহায়তাকে ‘ভিক্ষা’ বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। অভিষেক বলেন, এখন বিজেপি প্রকাশ্যে মহিলাদের ভোটাধিকার নিয়েই হুমকি দিচ্ছে, কারণ সেই ভোটই নাকি তাদের নির্বাচনী ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক। তাঁর পাল্টা বার্তা, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেই সব মহিলারাই লক্ষ লক্ষ সংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ‘বাংলা-বিরোধী’ ও ‘নারী-বিরোধী’ রাজনীতিকে চিরতরে পরাজিত করবেন।

রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাও এ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, ‘মহিলারা যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁদের স্বামীদের ফরমান দিচ্ছেন, ভোটের দিন দরজা বন্ধ করে দেবেন। যাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া মহিলারা তৃণমূল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট না দেন। এই হচ্ছে বিজেপি-র মানসিকতা। আমরা চিরকাল বলে এসেছিল, এরা নারীবিরোধী। উনি নাকি রাজ্য কমিটির সদস্য! রাজ্য কমিটির এই মানসিকতা? ‘প্রকল্প বন্ধ করে দেব! প্রাপদের বাড়ি থেকে বেরনো বন্ধ করে দেব! বিজেপি যে নারীবিরোধী দল, প্রকল্পে নারীরা সুবিধা পান, তা চায় না ওরা। বঞ্চনা করতে করতে কোন জায়গায় গিয়েছে। কেন্দ্রে বিজেপি-র সরকার বাংলাকে বঞ্চনা করেছে। বকেয়া টাকা মেটায়নি। জিএসটি বাবদ প্রাপ্য টাকা হোক বা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে যে টাকা দেওয়া হয়, আর্থিক বঞ্চনা করেই গেল।’

আজকের খবর