ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Arup Biswas resignation : যুবভারতীতে মেসি কাণ্ডের জেরে ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা অরূপ বিশ্বাসের

Arup Biswas resignation : যুবভারতীতে মেসি কাণ্ডের জেরে ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা অরূপ বিশ্বাসের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। লিওনেল মেসির কলকাতা সফর ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা এখন রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। শনিবারের সেই ঘটনায় যদি প্রথম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে প্রধান উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তের নাম, তাহলে দ্বিতীয় নাম হিসেবে....

Arup Biswas resignation : যুবভারতীতে মেসি কাণ্ডের জেরে ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা অরূপ বিশ্বাসের

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Arup Biswas resignation : যুবভারতীতে মেসি কাণ্ডের জেরে ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা অরূপ বিশ্বাসের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। লিওনেল মেসির কলকাতা সফর ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা ও বিতর্ক তৈরি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

লিওনেল মেসির কলকাতা সফর ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা এখন রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। শনিবারের সেই ঘটনায় যদি প্রথম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে প্রধান উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তের নাম, তাহলে দ্বিতীয় নাম হিসেবে বারবার আলোচনায় আসছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবেই পরিচিত অরূপ বিশ্বাস ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রকের দায়িত্ব পান।

যুবভারতীতে মেসির উপস্থিতি ছিল মাত্র ১৬ থেকে ১৮ মিনিটের। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয়, যা রাজ্য প্রশাসনের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত বহু দর্শক টিকিট কেটেও মেসিকে কাছ থেকে দেখতে পাননি। ক্ষোভ আছড়ে পড়ে গ্যালারিতে, আর তার রেশ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। সেই সঙ্গে ভাইরাল হতে থাকে মেসির সঙ্গে অরূপ বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একাধিক ছবি ও ভিডিও।

এই ছবি ও ভিডিও ঘিরেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। অভিযোগ ওঠে, ক্রীড়ামন্ত্রীর অতিরিক্ত উপস্থিতি ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণেই দর্শকদের মেসি দর্শনে সমস্যা হয়েছে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, দলের অন্দরেও নাকি অস্বস্তি বাড়তে থাকে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যুবভারতী কাণ্ডের সমালোচনা পৌঁছে যায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। কলকাতা শহরের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে কড়া প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিদেশি মিডিয়াও।

এই পরিস্থিতিতেই প্রশাসনিক স্তরে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যুব কল্যাণ দফতরের সচিবকে সাসপেন্ড করা হয়, যা স্পষ্ট করে দেয় যে সরকার বিষয়টিকে হালকা ভাবে নিচ্ছে না। সূত্রের খবর, ১৩ ডিসেম্বর ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেও ভীষণ ক্ষুব্ধ ছিলেন। এমনকি অরূপ বিশ্বাসকে সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয়, পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াই শ্রেয়।

আর সেই জল্পনার মধ্যেই মঙ্গলবার নতুন মোড়। সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী সেই প্রস্তাব গ্রহণও করেছেন বলে দাবি উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

 

এই খবর সামনে আসার পরই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেন। এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ পোস্ট করে তিনি লেখেন, “অরূপ বিশ্বাস অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী বিবেচনা করছেন।” তবে পরে কুণাল ঘোষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ইস্তফা গ্রহণ করেছেন।

সব মিলিয়ে, মেসি সফরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা এখন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রকের ভবিষ্যৎ নিয়েই বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগ আদৌ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত জল্পনা থামছে না। তবে এটুকু স্পষ্ট, যুবভারতী কাণ্ড রাজ্য রাজনীতিতে একটি বড় মোড় এনে দিয়েছে।

আজকের খবর