ব্রেকিং
Latest Posts
Lux Cozi Investment : বাংলায় বিপুল বিনিয়োগ লাক্স কোজির, হবে ৯০০০ কর্মসংস্থান, ডানকুনিতে লাক্স কোজির কারখানার দ্বিতীয় ইউনিটের শিলান্যাস শুভেন্দুরSuvendu Baruipur : ‘গ্রাম-গঞ্জে বেআইনি মদ, জুয়া ও মাদকচক্র সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলতে হবে’ বারুইপুর থেকে কড়া বার্তা শুভেন্দুর‘শমীক ভট্টাচার্য্য তো এই ব্যাপারে একা সিদ্ধান্ত নেন না, উনি শুধু নির্দেশ পালন করেছেন’ সুস্মিতা প্রকাশ সুখেন্দুর বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে দাবি দিলীপেরBidyadharpur : লেভেল ক্রসিং নেই, তবুও রেললাইন পারে কড়াকড়ি! বিদ্যাধরপুর স্টেশনে আরপিএফের বাধায় চরম ভোগান্তি যাত্রীদেরফের সুপার সাব মেরিনোর বাজিমাত! ৪০ বছরের বেলজিয়াম-অভিশাপ ভেঙে সেমিফাইনালে স্পেন, সামনে এমবাপের ফ্রান্স
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Abhishek Banerjee ECI meeting : ‘EVM নয়, আসল ভোটচুরি ভোটার তালিকায়’ অভিষেকের বিস্ফোরক দাবি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর

Abhishek Banerjee ECI meeting : ‘EVM নয়, আসল ভোটচুরি ভোটার তালিকায়’ অভিষেকের বিস্ফোরক দাবি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ‘ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতে যাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটা হবে না। ভোটচুরির বিষয়টা হাতেনাতে ধরে ফেলেছে তৃণমূল।’ দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন....

Abhishek Banerjee ECI meeting : ‘EVM নয়, আসল ভোটচুরি ভোটার তালিকায়’ অভিষেকের বিস্ফোরক দাবি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Abhishek Banerjee ECI meeting : ‘EVM নয়, আসল ভোটচুরি ভোটার তালিকায়’ অভিষেকের বিস্ফোরক দাবি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ‘ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

‘ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতে যাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটা হবে না। ভোটচুরির বিষয়টা হাতেনাতে ধরে ফেলেছে তৃণমূল।’ দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর এমন বিষ্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সাংবাদিক বৈঠকে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এসব ভুল কংগ্রেস করেছে। দিল্লিতে আম আদমি পার্টি ধরতে পারেনি। বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস ধরতে পারেনি। সেজন্য বিজেপির স্ট্রাইক রেট ছিল ৮০ শতাংশ। ভোটচুরি ইভিএমে হচ্ছে না। ভোটার তালিকায় চুরি হচ্ছে। এখানে হচ্ছে। এই বিষয়টা কোনও রাজনৈতিক দলই ধরতে পারছে না। যদি ধরতে পারত, তাহলে বিজেপি জিতত না।’

পাঁচ দফা প্রশ্ন নিয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন আরও ৯ জন সাংসদ। বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বেরিয়ে এসে জানান, যে পাঁচ দফা প্রশ্ন তাঁরা রেখেছিলেন, তার অধিকাংশ উত্তরই সঠিকভাবে দেয়নি কমিশন। অভিষেকের প্রশ্ন ছিল, যেখানে এসআইআর-এ বাংলায় সব থেকে কম নাম বাদ দিয়েছে, সেখানে কেন বাংলাতেই মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হল? পরিসংখ্যান দিয়ে অভিষেক বলেন, তামিলনাড়ুতে রিভিশনের হার ১২.৫৭ শতাংশ, ছত্তীসগঢ়ে ৮. ৭৬ শতাংশ, গুজরাটে ৯.৯৫ শতাংশ, কেরলে ৬.৬৫ শতাংশ। সেখানে দাঁড়িয়ে কেবল বাংলায় ৫ শতাংশ। বাকি রাজ্যে কোথাও মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা না হলেও কেন বাংলাতেই করা হল? অভিষেকের কথায়, সিলেক্টভলি মাইক্রো অবজারভার, জেলা পর্যবেক্ষক কেবল বাংলায় নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, তাদের কাছে অফিসার নেই। আমরা বললাম, এইআরও-দের অনেকেই বসে রয়েছে। সবাইকে কাজে লাগানো হচ্ছে না। তাঁদেরকে তাহলে নিয়োগ করা যেতে পারত।’ কিন্তু অভিষেকের কথায়, এই প্রশ্নেরও সঠিক কোনও উত্তর ছিল না কমিশনের কাছে। বাংলার সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে কমিশন, অভিযোগ করেন অভিষেক।

অভিষেকের অভিযোগ, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানেনই না বাংলায় ঠিকভাবে কীভাবে এসআইআর-এর কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ওপর থেকে কেউ নির্দেশ দিচ্ছেন, সেই মতো তিনি কাজ করছেন। বাংলার ক্ষেত্রে গোটা বিষয়টি তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়।’ রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি ইস্যুতেও প্রশ্ন রাখেন অভিষেক। তাঁর দাবি, এই যে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি ও কতজন রোহিঙ্গা রয়েছেন, তাঁদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

 

প্রসঙ্গত, শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন মাইক্রো অবজারভাররা। কিন্তু এই মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়ে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কমিশন নিযুক্ত অবজারভাররা ভিনরাজ্যের। তাঁরা রাজ্য ও এখানকার মানুষ সম্পর্কে অবগত নন। তাহলে কীভাবে এই মাইক্রো-অবজারভাররা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন, সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা।

 

আজকের খবর