ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Mamata Banerjee Dharna Ends: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়ের পর ধর্মতলার ধরনা তুললেন মমতা, অভিষেকের অনুরোধে ৫ দিনের আন্দোলনের ইতি

Mamata Banerjee Dharna Ends: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়ের পর ধর্মতলার ধরনা তুললেন মমতা, অভিষেকের অনুরোধে ৫ দিনের আন্দোলনের ইতি

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   বাংলার এক কোটির বেশি বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মমতার ধরনার জেরে বড় জয় সুপ্রিম কোর্টে। একজন বৈধ ভোটার ও চূড়ান্ত তালিকার বাইরে থাকবে না বলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি....

Mamata Banerjee Dharna Ends: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়ের পর ধর্মতলার ধরনা তুললেন মমতা, অভিষেকের অনুরোধে ৫ দিনের আন্দোলনের ইতি

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Mamata Banerjee Dharna Ends: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়ের পর ধর্মতলার ধরনা তুললেন মমতা, অভিষেকের অনুরোধে ৫ দিনের আন্দোলনের ইতি

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   বাংলার এক কোটির বেশি বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

বাংলার এক কোটির বেশি বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মমতার ধরনার জেরে বড় জয় সুপ্রিম কোর্টে। একজন বৈধ ভোটার ও চূড়ান্ত তালিকার বাইরে থাকবে না বলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মাথার উপরে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ট্রাইবুনাল গঠন করে দেওয়ার পরেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ৫ দিন পরে আপাতত ধরনা প্রত্যাহার করলেন মমতা।

আজ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পরে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে অভিষেক বক্তব্য রাখার পরে মমতাকে ধরনা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমি দিদিকে বলতে চাই যে আপনার দাবি দেশের সর্বোচ্চ আদালত মান্যতা দিয়েছে। এটি বাংলার জয়। আগামী ৫০-৫৫ দিন আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এই লড়াই ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। বাংলার ১০ কোটি মানুষের স্বার্থ রক্ষার জন্য আপনাকে সুস্থ এবং ভালো থাকতে হবে। বাকিটা আমরা সামলে নেব। জ্ঞানেশ কুমার ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছেন। তাই আপনি আজ এই কর্মসূচি সমাপ্ত করুন। ৮০ হাজার বুথে ওদেরকে নিঃস্ব করতে হবে। সেই অনুরোধ মেনেই কার্যত ধরনা তোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে মমতা বলেন, যে হেতু অনেকটা বিচার পাওয়া গিয়েছে, আমরা পাঁচদিন রাস্তায় আছি। অভিষেক সবার মতামত নিয়েছেন। অভিষেকের প্রস্তাবে আমরা আজকে আপাতত ধর্না তুলে নিচ্ছি।

 

খেলাটা সুপ্রিম কোর্টের হাতে রয়ে গেল

 

এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের আজকের নির্দেশের প্রেক্ষিতে মমতা বলেন, নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেও সুপ্রিম কোর্টের হাতে মামলা থাকবে। আমার পিটিশনটি এখনও আছে। এখন নির্বাচন ঘোষণা করে দিলেও ভাববেন না যে আপনার সুযোগ নেই। ওরা বলেছেন, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কারও নাম বাদ গিয়ে থাকে, আমাদের কাছে আসবেন। আমরা স্পেশাল কেস হিসাবে এটি দেখব। ২৫ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। কিন্তু ১৫-১৬ তারিখ ভোট ঘোষণা হয়ে গেলেও এটা খেলা শেষ হবে না। খেলাটা সুপ্রিম কোর্টের হাতে রয়ে গেল। আমরা এখন দেখব। আমাদের পিটিশন অনুযায়ী নির্দেশগুলি হয়েছে। পর্যবেক্ষণগুলিও আমরা জেনেছি।

 

ধরনা মঞ্চ থেকে অভিষেক আজ বলেন,

 

নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অ্যাপে ত্রুটি তৈরি করছে যাতে বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয় এবং ভোটার তালিকা তৈরির কাজ পিছিয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে।

 

ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া বৈধ ভোটাররা যাতে বঞ্চিত না হন তা নিশ্চিত করার জন্য, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে বলেছে এবং কলকাতা হাইকোর্টকে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি আপিল ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে।

 

এটি গণতন্ত্রের জয় এবং মা-মাটি-মানুষের জয়। এটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরন্তর সংগ্রাম এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অবিরাম লড়াইয়ের জয়।

 

কিছু বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত করতে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন।

 

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে বাংলার মামলাটিকে বিশেষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের এক দিন আগে পর্যন্তও ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করা যাবে।

 

এটি বাংলার জয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পথ দেখিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস সেই পথেই চলেছে। আমাদের সব দাবি সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে নিয়েছে।

 

ভারতের সর্বোচ্চ আদালতও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা হারিয়েছে কারণ তাদের একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

 

আগের শুনানিগুলোর একটিতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছিল। যেহেতু তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি, তাই সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে।

 

সুপ্রিম কোর্ট একটি নতুন আপিল কর্তৃপক্ষ গঠন করেছে কারণ তাদের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছিল তাদের দ্বারা, যারা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের বিভ্রান্ত করার জন্য তাদের অ্যাপে নতুন নির্দেশিকা তৈরি করেছিল।

 

এই লড়াই এখানেই শেষ নয়। এটি সেদিন শেষ হবে যেদিন প্রত্যেক বৈধ নির্বাচক তার ভোটাধিকার ফিরে পাবেন।

যদি কারও নাম অবৈধভাবে বাদ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে সেই ব্যক্তি ভোটার তালিকায় পুনরায় নথিভুক্ত হওয়ার জন্য ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করবেন।

সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে তারা কার্যক্রমের ওপর কড়া নজর রাখবে এবং প্রয়োজনে আমরা এই মামলার দিকে তাদের দৃষ্টি পুনরায় আকর্ষণ করতে পারি।

 

আজকের খবর