কলকাতা সারাদিন প্রতিবেদন।
সারা দেশ জুড়ে গ্যাসের উপর এসমা জারি হওয়ার পর এবারে জ্বালানি তেলেও একইরকমভাবে প্রভাব পড়তে চলেছে। তার প্রত্যক্ষ প্রমান দেখা পাওয়া যাচ্ছে দীঘা উপকূলে। নিত্য দিন বাংলার ওই সমুদ্র উপকূলে তেলের ব্যারেলের জন্য কার্যত বিভিন্ন তেল কম্পানির আধিকারিকরা ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকছেন। তাতেও মিলছে না পর্যাপ্ত পরিমান জ্বালানি তেল।
ইন্ডিয়ান অয়েল সূত্রে জানা গিয়েছে নিত্য দন কলকাতা এবং তার আশেপাশের এলাকায় পেট্রোল ডিসেলের চাহিদা পূরণ করতে প্রয়োজন হয়র থাকে লক্ষাধিক গ্যালন তেল। কিন্তু সেই জায়গায় মিলছে কয়েক হাজার গ্যালন তেল। যে কারণে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই পেত্রোল এবং ডিসেলের দাম বৃদ্ধি হতে চলেছে বলেই জানা গিয়েছে।
শুধু তাই নয় ইন্ডিয়ান অয়েলের এক আধিকারিক নাম প্রকাশে না এনে দাবি করেন, এই ভাবে তেলের জোগান দেওয়া হলে আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার জ্বালানি তেলের উপরেও একই রকমভাবে এসমা জারি করতে পারে। এর ফলে মনে করা হচ্ছে আগামী দিনে বাজারে দ্রব্যমূল্য আকাশ ছোঁয়া হতে চলেছে, পাশাপাশি ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে চলেছে কৃষির উপরেও।
এদিকে সিএনজির অপ্রত্যুলতার কারণে শহরতলীর অধিকাংশ অটোর রুটের ভাড়া চরম ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাতেও মিলছে না অটোর মতন নিত্য প্রয়োজনীয় যাত্রী পরিবহন।
যদিও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই সংকটের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য বুধবারই অতি প্রয়োজনীয় বৈঠক করেছেন। এদিকে জ্বালানি তেল বিক্রেতা সংস্থাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গত ৫ দিনে তেলের জোগান কমেছে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ। যে কারণে অধিকাংশ ডিলারই তাদের মজুত রাখা জ্বালানি তেলের উপর ভরসা করে চালাচ্ছিলেন এতদিন।

তবে বর্তমানে সেই সমস্যা এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তেলের জোগান বৃদ্ধি করা না গেলে আটকে যেতে শহরের অধিকাংশ পরিবহন ব্যবস্থা।