ব্রেকিং
Latest Posts
দার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুরDilip Ghosh Bulldozer : ‘৪ তারিখের পর এখানে থাকতে পারবে? খুব খারাপ সময় আসছে, বুলডোজার চলবে’ তৃণমূল কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • President on Mamata : ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা’ বাংলায় এসে দাবি রাষ্ট্রপতির, ‘রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভুল বোঝানো হয়েছে’ পাল্টা তৃণমূল

President on Mamata : ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা’ বাংলায় এসে দাবি রাষ্ট্রপতির, ‘রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভুল বোঝানো হয়েছে’ পাল্টা তৃণমূল

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দিতে এসে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি মঞ্চে এলেও সার দিয়ে ফাঁকা আসন ছিল দর্শকাসন। এদিকে....

President on Mamata : ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা’ বাংলায় এসে দাবি রাষ্ট্রপতির, ‘রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভুল বোঝানো হয়েছে’ পাল্টা তৃণমূল

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • President on Mamata : ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা’ বাংলায় এসে দাবি রাষ্ট্রপতির, ‘রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভুল বোঝানো হয়েছে’ পাল্টা তৃণমূল

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দিতে এসে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি মঞ্চে এলেও সার দিয়ে ফাঁকা আসন ছিল দর্শকাসন। এদিকে উদ্যোক্তারা প্রথমে জানিয়েছিলেন এই কনফারেন্স হবে বিধাননগরে। কিন্তু তারপরেও চারবার সভাস্থল বদল করা হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি মেলে প্রশাসনের তরফে। কিন্তু উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, প্রচুর আমন্ত্রিত এই সভায় আসতেই পারেননি সিকিউরিটি পাস না পাওয়ার কারণে। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এরপরেও দমেননি রাষ্ট্রপতি। সভাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে আগে যেখানে সভা করার কথা ছিল শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে চলে যান। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। সেখান থেকেই বলেন, ‘আমি তো এই এলাকাতেই সভা করতে চেয়েছিলাম। পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার আমাকে সভা করতে দিল না? এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি বলেন, উনি আমার ছোট বোনের মতো। কিন্তু হয়তো কোনও কারণে উনি আমার উপর রুষ্ট হয়েছেন। যে কারণে সভা করতে দিলেন না।’ মঞ্চে ওঠার পরই তিনি লক্ষ্য করেন, দর্শকাসনের অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এত কম মানুষের উপস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এখানে বসে আমি অনেক সাঁওতালি মানুষকে বাইরে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি। এত চেয়ার ফাঁকা কেন? মনে হচ্ছে যেন কেউ তাঁদের এখানে আসতে বাধা দিচ্ছে। যখন আমি মাঠ এবং ব্যবস্থা দেখি, তখন আমার মনে হয় সাঁওতালি সম্প্রদায়ের এত বড় আন্তর্জাতিক সমাবেশে সকলের খোলাখুলি অংশগ্রহণ করা উচিত। কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?’

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী তো বটেই রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও আসেননি। যদিও শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘রাজ্যের তরফে আমি রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাই। ডিএম এবং পুলিশ কমিশনার ছিলেন। এর আগেও প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন তাঁকে স্বাগত জানাই। কিন্তু তখন আমি মন্ত্রী ছিলাম নাকি মেয়র খেয়াল নেই। রাজ্যের এই তালিকা রাষ্ট্রপতি ভবন অনুমোদন দিয়েছিল। অন্যদিকে সভাস্থল নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই সভাস্থল নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল।’

অন্যদিকে রাজ্যের আদিবাসীদের উন্নয়ন নিয়ে রাষ্ট্রপতি শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করেছেন তার প্রেক্ষিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে হয়তো মিথ্যে তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে বাংলায় আদিবাসীদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে কি কি করা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সেই তথ্য সম্পর্কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার আদিবাসী মহিলাদের লক্ষ্যের ভান্ডার প্রকল্পের প্রতি মাসে ১৭০০ টাকা করে দেন। জয় জোহার প্রকল্পের মত একাধিক সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প চালু করেছেন আদিবাসীদের জন্য। বিশেষ কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই হয়তো মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে এই সমস্ত তথ্য না দিয়ে বাংলার আদিবাসীদের কোন উন্নয়ন করা হয়নি বলেই জানানো হয়েছে।’

 

আজকের খবর