সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।
শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্ভাবনী চিন্তা ও সহযোগিতার মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করতে Leadership Summit Kolkata 2025-এ আয়োজিত হলো একটি বিশেষ K-12 meet।
এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং প্রযুক্তির যুগে শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আলোচনা করা।
এই K-12 মিট-এ কলকাতা ও আশেপাশের একাধিক স্কুলের প্রিন্সিপাল ও কোঅর্ডিনেটররা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ছাত্রছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য, AI এবং শিশুদের উপর তার প্রভাব, এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকা।
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ন আলোচনা
একটি বিশেষ সেশনে শিক্ষকদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং emotional well-being নিয়ে একটি অর্থবহ আলোচনা হয়। আলোচকরা বলেন, “আজকের দিনে স্কুলগুলোকে শুধু পড়াশোনা নয়, ছাত্রদের মানসিক স্থিতি এবং আবেগগত স্বাস্থ্যের উপরও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।” এই সেশনে শিক্ষকদের জন্য কিভাবে এক সহানুভূতিশীল পরিবেশ তৈরি করা যায়, তার উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
AI ও শিক্ষার ভবিষ্যৎ
আরেকটি আলোচনায় উঠে আসে AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষাক্ষেত্রে কিভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং এর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ গুলি। বক্তারা জানান, “AI শিক্ষার ধরন পরিবর্তন করতে পারে, তবে এর সঠিক ব্যবহার ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।”

সম্মাননা ও সাফল্যের পালক
সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই সেশনে Jyotirmoy Public School-এর প্রতিনিধি হিসেবে শুকতারা রায় বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনে Principal of Excellence Trophy অর্জন করেন জ্যোতির্ময় পাবলিক স্কুলের স্কুলের প্রিন্সিপাল সুশান্ত দাস, তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব ও শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অবদানের জন্য।
এছাড়াও, ঐন্দ্রিলা পাল, যিনি বাংলা বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর ও এক্সাম সেল ইন-চার্জ, তিনি অর্জন করেন The Most Trusted Employee পুরস্কার। এই সাফল্য গোটা স্কুল পরিবারকে গর্বিত করেছে।

শিক্ষার ভবিষ্যতের জন্য অঙ্গীকার
Leadership Summit Kolkata 2025 শেষ হয় এক নতুন প্রতিজ্ঞার মাধ্যমে—ছাত্রদের মানসিক ও একাডেমিক বিকাশকে সমান গুরুত্ব দিয়ে, এক সহানুভূতিশীল ও উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই হবে আগামী দিনের লক্ষ্য।