ব্রেকিং
  • Home /
  • Durga Puja News /
  • Bengali Asmita politics BJP West Bengal : পূজার রাজনৈতিক চাল বিজেপি-র, ‘বাঙালি অস্মিতা’ কি এবার গেরুয়া শিবিরে

Bengali Asmita politics BJP West Bengal : পূজার রাজনৈতিক চাল বিজেপি-র, ‘বাঙালি অস্মিতা’ কি এবার গেরুয়া শিবিরে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। বাংলার রাজনীতিতে আবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দুর্গাপুজোকে ঘিরে। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব এবার শুধুমাত্র ধর্মীয় আবহেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং তা পরিণত হচ্ছে রাজনীতির অন্যতম হাতিয়ারে। বিজেপি সরাসরি এই উৎসবকে সামনে রেখে ‘বাঙালি অস্মিতা’র প্রশ্নে....

Bengali Asmita politics BJP West Bengal : পূজার রাজনৈতিক চাল বিজেপি-র, ‘বাঙালি অস্মিতা’ কি এবার গেরুয়া শিবিরে

  • Home /
  • Durga Puja News /
  • Bengali Asmita politics BJP West Bengal : পূজার রাজনৈতিক চাল বিজেপি-র, ‘বাঙালি অস্মিতা’ কি এবার গেরুয়া শিবিরে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। বাংলার রাজনীতিতে আবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দুর্গাপুজোকে ঘিরে। বাঙালির সবচেয়ে বড়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

বাংলার রাজনীতিতে আবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দুর্গাপুজোকে ঘিরে। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব এবার শুধুমাত্র ধর্মীয় আবহেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং তা পরিণত হচ্ছে রাজনীতির অন্যতম হাতিয়ারে। বিজেপি সরাসরি এই উৎসবকে সামনে রেখে ‘বাঙালি অস্মিতা’র প্রশ্নে নিজেদের নতুন কর্মসূচি শুরু করেছে।

বিজেপির নতুন কর্মসূচি: বাঙালি মিলন সমারোহ

বিজেপি ‘দুর্গা সহায়’ নামে একটি বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে থাকছে ‘বাঙালি মিলন সমারোহ’। এর মাধ্যমে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, ভারতের অন্যান্য রাজ্য ও দেশের বাইরেও যেখানে দুর্গাপুজো হয়, সেখানকার বাঙালিদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

এই কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দুষ্মন্ত কুমার গৌতম এবং তরুণ চুঘ। প্রতিটি রাজ্যে একজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা থাকবেন, যিনি স্থানীয় স্তরে এই উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

 

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস সফলভাবে *‘বাঙালি অস্মিতা’*কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বড় জয় পেয়েছিল। বিজেপির দাবি, এবারের উদ্যোগ সেই আবেগকে আরও প্রসারিত করে বাঙালির ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো। বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন—
“এটি দিল্লি সরকারের বিশেষ উদ্যোগ। বাঙালিদের আবেগকে মর্যাদা দেওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ।”

রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূল যে আবেগের রাজনীতি করে সাফল্য পেয়েছিল, এবার সেই একই পথ ধরে বিজেপি পাল্টা জবাব দিতে চাইছে। এরই অঙ্গ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দক্ষিণেশ্বর ও কালীঘাট মন্দির পরিদর্শনকেও একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পূজা আর রাজনীতি: একসঙ্গে দুই মঞ্চ

বাংলার দুর্গাপুজো এখন আর শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়। তা সামাজিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নিচ্ছে। বিজেপি মনে করছে, দুর্গাপুজোর মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষের আবেগের কাছাকাছি যেতে পারবে। অন্যদিকে তৃণমূলও নিজেদের সাংস্কৃতিক ও বাঙালি পরিচয়কে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে চাইছে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাই এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে দুই বড় দলের মধ্যে রণক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের প্রচারে যেমন রয়েছে বাংলার সংস্কৃতি ও অস্মিতা, তেমনি বিজেপি নিজেদের ‘দুর্গা সহায়’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছে।

সব মিলিয়ে, এবারের দুর্গাপুজো কেবল আনন্দ ও ধর্মীয় আবহের উৎসব নয়। এটি হয়ে উঠছে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের এক বড় অধ্যায়। এখন দেখার বিষয়, তৃণমূলের ‘বাঙালি অস্মিতা’র বিপরীতে বিজেপির ‘দুর্গা সহায়’ কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

আজকের খবর