শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।
কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার নদিয়ার দাপুটে তৃণমূল নেতা। ধৃতেরা নাম শিবনাথ চৌধুরী। তিনি কৃষ্ণনগর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের সহ-সভাপতির পদে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর গ্রেফতারি নিয়েই এখন চর্চা জেলার রাজনৈতিক মহলে। তাঁকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালী থানার পুলিশ।
যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। তাঁর দাবি, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। এদিনই তাঁকে কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হচ্ছে।
শিবনাথ তৃণমূলের কৃষ্ণনগরের টাউন সভাপতিও ছিলেন। শুধু তাই নয়, কালিনগর সোসাইটির চেয়ারম্যানও ছিলেন। ছিলেন আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে। সেই নেতাই গ্রেফতার হতে চর্চা কৃষ্ণনগরের নাগরিক মহলেও।
যদিও শিবনাথের দাবি, তিনি পদে থাকাকালীন টাকা ফেরত পাচ্ছিলেন না বলে বেশ কিছুজন অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু তাহলে প্রতারণার অভিযোগ উঠছে কী করে? পুলিশের গ্রেফতারি নিয়ে এমনই প্রশ্ন তুলছেন ওই নেতা। তাঁর দাবি এই গ্রেফতারির পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি বলেন, সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনের পর থেকেই আমার বিরুদ্ধে কেস হচ্ছে। এটা পুরোটাই চক্রান্ত। অন্যদিকে অভিযোগকারী নন্দিতা ঘোষ বলছেন, “উনি কালিনগর সোসাইটির ১৪ কোটি টাকা তছরূপ করেছে। অফিসাররা ভয় পান। ব্যবস্থা নিতে পারেননি। তাই আমি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে।”

তবে প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারে নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসকদলের। জানা যাচ্ছে, জানা যাচ্ছে, দিয়া ডিসট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান হিসাবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব সামলেছেন শিবনাথ চৌধুরী। আর সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ কোটি টাকা তছরূপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ সমবায় সমিতির থেকে।