ব্রেকিং
  • Home /
  • ভারত /
  • Radha Krishna Dol Purnima : শুধু রাধা-কৃষ্ণের পবিত্র প্রেমের সাক্ষী নয়, দোল পূর্ণিমা কিন্তু কামদেবের তপস্যার সাক্ষীও

Radha Krishna Dol Purnima : শুধু রাধা-কৃষ্ণের পবিত্র প্রেমের সাক্ষী নয়, দোল পূর্ণিমা কিন্তু কামদেবের তপস্যার সাক্ষীও

বিতস্তা সেন। কলকাতা সারাদিন। দোলযাত্রা বা বসন্তোত্সব একান্তই বাঙালির রঙিন উত্সব। আর হোলি হলো অবাঙালিদের উৎসব। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও তাঁর সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি। এ কারণে দোলযাত্রার দিন এ....

Radha Krishna Dol Purnima : শুধু রাধা-কৃষ্ণের পবিত্র প্রেমের সাক্ষী নয়, দোল পূর্ণিমা কিন্তু কামদেবের তপস্যার সাক্ষীও

  • Home /
  • ভারত /
  • Radha Krishna Dol Purnima : শুধু রাধা-কৃষ্ণের পবিত্র প্রেমের সাক্ষী নয়, দোল পূর্ণিমা কিন্তু কামদেবের তপস্যার সাক্ষীও

বিতস্তা সেন। কলকাতা সারাদিন। দোলযাত্রা বা বসন্তোত্সব একান্তই বাঙালির রঙিন উত্সব। আর হোলি হলো অবাঙালিদের উৎসব।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

বিতস্তা সেন। কলকাতা সারাদিন।

দোলযাত্রা বা বসন্তোত্সব একান্তই বাঙালির রঙিন উত্সব। আর হোলি হলো অবাঙালিদের উৎসব।

বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও তাঁর সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি। এ কারণে দোলযাত্রার দিন এ মতের বিশ্বাসীরা রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ আবিরে রাঙিয়ে দোলায় চড়িয়ে নগরকীর্তনে বের হন। এ সময় তারা রং খেলার আনন্দে মেতে ওঠেন। পুষ্পরেণু ছিটিয়ে রাধা-কৃষ্ণ দোল উৎসব করতেন। সময়ের বিবর্তনে পুষ্পরেণুর জায়গায় এসেছে রং বা ‘আবির’।

রাধা-কৃষ্ণের পবিত্র প্রেমের সঙ্গে হোলি জড়িত। লোককাহিনি মতে, দিনটা ছিল বসন্তপঞ্চমীর। আচমকাই শ্রীমতী রাধা খেয়াল করলেন, তাঁদের ওপর কিছু ফুলের পাপড়ি ঝরে পড়ল। ব্যাপার কী? কৃষ্ণ যোগবলে জানলেন, দেবতারা স্বর্গে রঙের উৎসব উদ্‌যাপন করছেন। শ্রীমতীও বায়না ধরলেন রং খেলার জন্য। কৃষ্ণ জানালেন, সেদিনটা দেবতাদের জন্যই থাক, অন্য একদিন রঙে রেঙে ওঠা যাবে। শ্রীমতীর সে আবদারই পূরণ হলো ফাল্গুনি পূর্ণিমায়। আবার অনেকে বলেন, ছোট্ট কৃষ্ণ পুতনার বিষ স্তন পান করার পর থেকেই কালো বরণ। এদিকে রাধা ও তাঁর সখীরা সবাই গৌরবরণী। তাই দেখে মা যশোদার কাছে অনুযোগ করলেন কৃষ্ণ। মা তাঁকে জানালেন, কোনো একদিন গিয়ে কৃষ্ণও যেন গোপীদের রঙে রাঙিয়ে দেন। তাহলেই সব এক। সেই থেকেই রঙের উৎসবের সূচনা। কৃষ্ণ আর তাঁর দলবল গিয়ে রাধাকে রং মাখিয়ে এসেছিলেন বরষাণায়। প্রত্যুত্তরে গোপীরা লাঠি হাতে তেড়ে এসেছিলেন নন্দগাঁওয়ে। আর আত্মরক্ষা করেছিলেন কৃষ্ণের সখারা। এই হলো লাঠমার হোলি।

শিব-পুরাণমতে, হিমালয়-কন্যা পার্বতী শিবকে স্বামীরূপে পাওয়ার জন্য কঠোর তপস্যা করছিলেন। অন্যদিকে বৈরাগী শিব কঠোর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। দেবতারা জানতেন যে সৃষ্টির কল্যাণের জন্য শিব-পার্বতীর বিয়ে জরুরি। এ কারণে দেবতাদের পরামর্শে কামদেব শিবের তপস্যা ভঙ্গ করার জন্য তাঁর ওপর পুষ্পবাণ নিক্ষেপ করেন।

এই বাণ মহাদেবের মধ্যে প্রেম ও কাম ভাবনা উৎপন্ন করায় তাঁর তপস্যা ভঙ্গ হয়। ক্ষুব্ধ শিবের তৃতীয় নেত্রের আগুনে ভস্ম হয়ে যান কামদেব। তাঁর স্ত্রী রতির আকুল মিনতিতে সাড়া দিয়ে কামদেবকে পুনর্জীবন প্রদান করেন মহাদেব। অন্যদিকে দেবতাদের নিবেদনে পার্বতীকে বিয়ে করতে সম্মত হন শিব। তিথিটিই ছিল ফাল্গুন পূর্ণিমা, যাকে উৎসবের মতো উদ্‌যাপন করেছিলেন দেবতারা।

আজকের খবর