ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta HC against Jobless Teachers : “মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না” চাকরিহারা অযোগ্যদের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে

Calcutta HC against Jobless Teachers : “মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না” চাকরিহারা অযোগ্যদের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ চাকরিহারা ‘অযোগ্য’ শিক্ষকরা। ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায় নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে ৩০ মে বলে সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে....

Calcutta HC against Jobless Teachers : “মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না” চাকরিহারা অযোগ্যদের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta HC against Jobless Teachers : “মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না” চাকরিহারা অযোগ্যদের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ চাকরিহারা ‘অযোগ্য’ শিক্ষকরা। ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ চাকরিহারা ‘অযোগ্য’ শিক্ষকরা। ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায় নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে ৩০ মে বলে সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন চাকরিহারা (অযোগ্য) শিক্ষকদের একাংশ। বিচারপতি পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা গ্রহণ করলেন না বিচারপতি পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়। বিচারপতির স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, “এই বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ রয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি এখন শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্টে গ্রীষ্মাবকাশকালীন বেঞ্চ হস্তক্ষেপ করবে না।”

আবেদনকারী শিক্ষকদের বক্তব্য ছিল, ”সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা স্কুলে যেতে পারছেন না। নতুন যে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেখানেও তাঁরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এই পরিস্থিতিতে আদালত হস্তক্ষেপ করুক।”

মঙ্গলবার নবান্নে এই মর্মে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ৩১ মে-র মধ্যে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে হলফনামা পেশ করতে হবে। সর্বোচ্চ আদালতের সেই নির্দেশ মেনে ৩০ মে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপরই রাজ্যের এই সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ চেয়ে এদিন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। প্রসঙ্গত, এর আগে ওএমআর বিকৃতি ও র‍্যাঙ্ক জাম্পের অভিযোগে চাকরি বাতিল হওয়া প্রার্থীরা সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু শীর্ষ আদালত থেকেও তাঁদের খালি হাতেই ফিরতে হয়েছিল।

 

বুধবার সকালে কালীঘাটের সামনে হাজরা মোড়ে বিক্ষোভ দেখান ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের একাংশ। ১৮০৩ জন মতো ‘নট স্পেসিফিক্যালি টেন্টেড’ শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন, যাঁরা স্কুলে যেতে পারছেন না, তাঁরা বেতনও পাচ্ছেন না। তাঁদেরই একাংশ বুধবার সকালে কালীঘাটের অদূরে হাজরা মোড়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা কিন্তু নট স্পেসিফিক্যালি টেন্টেড। আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এখনও প্রমাণ হয়নি। কিন্তু আমরা স্কুলে যেতে পারছি না, আমরা বেতনও পাচ্ছি না।” পরে বিক্ষোভকারীদের কয়েকজনকে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ।

ইউনাইটেড টিচিং এন্ড নন টিচিং ফোরামের সদস্যরা এদিন হাজরা মোড় জমায়েত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অর্থাৎ কালীঘাটের দিকে রওনা দেন। সেখানে পৌঁছতেই তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের বাধা অতিক্রম করে তাঁরা এগিয়ে যেতে চাইলে তুমুল বচসা শুরু হয়। এরপর তাঁদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাজরা মোড়ে তীব্র উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়।

 

ফোরামের এক সদস্য বলেন, “নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথমে যোগ্যদের যে ১৭,২০৬ জনের তালিকার কথা বলা হয়েছিল সেখানে আমাদের নাম ছিল। কিন্তু নতুন যে তালিকাগুলো এসএসসি ডিআই অফিসে পাঠাচ্ছে সেখানে ১হাজার ৮০৩ জনকে বাদ দিয়ে নতুন করে ১৫ হাজার ৪০৩ জনের তালিকা প্রস্তুত করেছে কমিশন। কী কারণে নাম বাদ দেওয়া হল তা স্পষ্ট করা হয়নি।”

আজকের খবর