ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta High Court on SSC : “চিহ্নিত অযোগ্যদের সুযোগ না দিলে অপূরণীয় ক্ষতি, এটা তাঁদের মৌলিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ” হাইকোর্টে সওয়াল কল্যাণের

Calcutta High Court on SSC : “চিহ্নিত অযোগ্যদের সুযোগ না দিলে অপূরণীয় ক্ষতি, এটা তাঁদের মৌলিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ” হাইকোর্টে সওয়াল কল্যাণের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘চিহ্নিত দাগি’দের নিয়োগে অংশ নিতে না দিলে তাঁদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।তাছাড়া এটা তাঁদের মৌলিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ হবে বলে সওয়াল করেছে রাজ্য ও কমিশন। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে কমিশনের তরফে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬০....

Calcutta High Court on SSC : “চিহ্নিত অযোগ্যদের সুযোগ না দিলে অপূরণীয় ক্ষতি, এটা তাঁদের মৌলিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ” হাইকোর্টে সওয়াল কল্যাণের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta High Court on SSC : “চিহ্নিত অযোগ্যদের সুযোগ না দিলে অপূরণীয় ক্ষতি, এটা তাঁদের মৌলিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ” হাইকোর্টে সওয়াল কল্যাণের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘চিহ্নিত দাগি’দের নিয়োগে অংশ নিতে না দিলে তাঁদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।তাছাড়া....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

‘চিহ্নিত দাগি’দের নিয়োগে অংশ নিতে না দিলে তাঁদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।তাছাড়া এটা তাঁদের মৌলিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ হবে বলে সওয়াল করেছে রাজ্য ও কমিশন। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে কমিশনের তরফে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে মাত্র ১৮৮ জন ‘চিহ্নিত দাগি’ আবেদন করেছেন। মোট ‘চিহ্নিত দাগি’ ১৮০১ জন। রাজ্যের তরফে এমন সওয়ালও করা হয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দিষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়নি যে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত অযোগ্যরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এই মামলায় কাল ফের শুনানি।

নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত অযোগ্যদের বসতে দিতে হবে। এই নিয়ে মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের হয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে সওয়াল করছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলায় এ দিন তাঁর প্রশ্ন, “একটা ভুলের জন্য কতবার শাস্তি? আইনে একবার। প্যানেল বাতিলের পর তাহলে আবার কেন শাস্তি?”
রাজ্যের হয়ে এজি বলেন, “যদি সব প্রক্রিয়া খারাপ ভাবে হয়েই থাকে, তাহলে যাঁরা পাশ করে বেরিয়ে গেলেন তাঁরা কীভাবে সেটা করলেন?” আদালতে রাজ্যের সওয়াল, টার্মিনেশন বিভিন্ন ভাবে হতে পারে। বাতিলের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে তাদের নিয়োগে বাধা নাও থাকতে পারে। যদি সেটা হত তাহলে অর্ডারে সেই ভাবে লেখা থাকত। শীর্ষ আদালতও এবিষয়ে ভেবেছে। দীর্ঘ তিরিশ বছর কেউ চাকরি করছেন। সেটা কোনও কারণ দেখিয়ে কেড়ে নিলেও তাঁর অভিজ্ঞতাকে স্বীকার করতে হবে।

ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, যখন একটা বড় ইস্যু উঠে আসে। সেটা বাতিল হয় তখন সার্ভিস কত বছর সেটা নাও গ্রহণীয় হতে পারে। এখনো পর্যন্ত ২ লক্ষ ৬০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে মাত্র ১৮৮ জন চিহ্নিত অযোগ্য আবেদন করেছেন? স্কুল সার্ভিস কমিশন উত্তরে জানায়, “মোট চিহ্নিত অযোগ্য হল ১৮০১।”

আজ কমিশনকে বিচারপতি সৌমেন সেন প্রশ্ন করেন, “বেআইনি হোক বা অনিয়ম করে হোক এই চিহ্নিত অযোগ্যরা চাকরি পেয়েছেন। করেছেন। ফলে এদের অভিজ্ঞতা কীভাবে কেড়ে নেওয়া যায় ? এটাই আপনাদের বক্তব্য?” উত্তরে কমিশন জানায়, “হ্যাঁ, একদমই তাই। চিহ্নিত অযোগ্যদের নিয়োগে অংশ নিতে না দেওয়া হলে তাঁদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।” কোর্টে সওয়াল কল্যাণের।

পাশাপাশি বিচারপতি সৌমেন সেন আরও প্রশ্ন করেছেন, এই চিহ্নিত অযোগ্যরা কোনও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করতে পারলেন কি পারলেন না তার দ্বারা স্কুল সার্ভিস কমিশন কীভাবে প্রভাবিত হবে ? তার ব্যাখ্যা হিসাবে আইনজীবীরা বলছেন, স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাজ হল পরীক্ষা নেওয়া এবং যে শূন্যপদ তৈরি হবে তার পরীক্ষা নিয়ে নাম সুপারিশ করা। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। যোগ্য প্রার্থীরাই চাকরি পাবেন। এটাই নিয়ম। ফলে, অযোগ্য প্রার্থীরা…যাঁরা সুপ্রিম কোর্টের কাছে নির্দিষ্টভাবে অযোগ্য বলে চিহ্নিত হয়েছেন, তাঁদের হয়ে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশন সওয়াল করবে বা কমিশন কীভাবে প্রভাবিত হবে…সেই প্রশ্নও বিচারপতি তুলেছেন।

প্রসঙ্গত, নিয়োগে দুর্নীতির জন্য প্রায় ছাব্বিশ হাজারের চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। নতুন করে ফের পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে চিহ্নিত অযোগ্যরা যাতে পরীক্ষায় বসতে না পারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল কোর্ট।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে। বিজ্ঞপ্তিও দেয়। তবে অভিযোগ ওঠে, অযোগ্যদেরও পরীক্ষায় বসার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছিল। এরপর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতেই তাকে চ্যালেঞ্জ করে একযোগে ৯টি মামলা হয় হাইকোর্টে।সেই মামলায় গতকালই হাইকোর্টের একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানায় অযোগ্যদের পরীক্ষা থেকে বাদ দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালাতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সময়সীমার মধ্যেই সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।এরপর আজ রাজ্যের পক্ষ থেকে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পর্ষদ ও রাজ্য মামলা দায়েরের আবেদন জানায় বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে। মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। আজ সেই ছিল সেই মামলার শুনানি। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলা শুনবে কোর্ট।

আজকের খবর