হাওড়া গ্রামীন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৭৭২ কেজি গাঁজা উদ্ধার হল। যার মধ্যে বাউড়িয়া থানা এলাকা থেকে ৭১২ কেজি এবং বাগনান থানা এলাকা থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধর হয়। পুলিশ সূত্রে খবর উদ্ধার হওয়া গাঁজার বাজার মূল্য এক কোটি টাকার বেশী।
ঘটনায় শেখ মাজেদ আলি এবং শেখ সাকিউল আলী নামে দুই ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গেছে বুধবার বিকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সিআইডির স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ, নারকোটিক শাখা এবং বাউড়িয়া থানা কাজিরচড়া অশ্বথতলার বাসিন্দা শেখ মাজেদ আলীর বাড়িতে হানা দেয়।
মাজেদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৭১২ কেজির মত গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি মাজেদের দুটি গাড়ি এবং তিনটি মোবাইল ও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। জানা গেছে মাজেদের বাড়ির নীচের তলায় একটি ঘরের মেঝের নীচে একটি জায়গা এবং গোপন লোহার কুঠরি থেকে এই বিপুল পরিমান গাঁজা উদ্ধার করে পুলিস।
সিআইডি সূত্রে খবর এই বিপুল পরিমান গাঁজা মাজেদ ওড়িষা থেকে কিনে হাওড়া এবং আশেআশের জেলার এজেন্টদের গাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিল। এদিন হাওড়া পুরো তল্লাশি প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করা হয়। অন্যদিকে এদিন বিকালে বাগনানের পিপুল্যানের বাসিন্দা সেখ মানোয়ার হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় বাগনান থানার পুলিশ। সেখান থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় শেখ সাকিউল আলী নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জানা গেছে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাগনান থানার পুলিশ বুধবার বিকালে মানোয়ারের বাড়িতে পৌছে যায়। সেখান থেকে পুলিশ সাকিউলকে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে বাগনান এলাকায় গাঁজা পাচারের মূল পান্ডা ফিরোজ আলী।
মানোয়ার তার ম্যানেজার। ফিরোজের পাশাপাশি মানোয়ারের বাড়িতেও গাঁজা মজুদ আছে। সেইমত পুলিশ ফিরোজের বাড়িতে গেলেও পুলিশ আসার খবর পেয়ে বাড়িতে তালা দিয়ে চম্পট দেয় ফিরোজ। ফিরোজের ঘরের সামনে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।