u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
TMC Logo বিতর্ক: ‘সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক?’ ঋতব্রতকে নিশানা কল্যাণের, তৃণমূলের প্রতীক freeze কমিশনেরSuvendu Annapurna : ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ির মালিক হবেন মহিলারাই, প্রত্যেক বছর ১৭ সেপ্টেম্বর অন্নপূর্ণা দিবস’ ঐতিহাসিক ঘোষণা শুভেন্দুরModi on Annapurna : ‘বিজেপির মূলমন্ত্র ছিল কথা কম, কাজ বেশি, অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা সেই ভাবনাচিন্তা থেকেই’ জন্মদিনে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরনবান্নে ইতি? মহালয়ার আগেই মহাকরণে ফিরছেন শুভেন্দু, প্রথম দফায় সঙ্গে ৫ মন্ত্রী১৩৫ ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধের ভোলবদল, ASI-এর সঙ্গে পর্যটন দফতরের মৌ চুক্তি; লাইট-সাউন্ড শো থেকে নতুন ট্যুরিজম সার্কিট
  • Home /
  • কলকাতা /
  • The Summit School : পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী শিক্ষার মেলবন্ধনে সোনারপুরের স্কুলে আয়োজিত হল লিটল স্কলার্স ফেয়ার

The Summit School : পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী শিক্ষার মেলবন্ধনে সোনারপুরের স্কুলে আয়োজিত হল লিটল স্কলার্স ফেয়ার

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।‌ ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে এবিসিডি তো সকলেই শিখতে পারে, তবে তার সঙ্গে বাস্তব এবং প্রকৃতিকে চেনার শিক্ষা পাওয়াটাই সবথেকে জরুরী। এমন আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার কর্মযজ্ঞে মেতেছে সোনারপুরের দ্য সামিট স্কুল। স্বামী....

The Summit School : পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী শিক্ষার মেলবন্ধনে সোনারপুরের স্কুলে আয়োজিত হল লিটল স্কলার্স ফেয়ার

  • Home /
  • কলকাতা /
  • The Summit School : পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী শিক্ষার মেলবন্ধনে সোনারপুরের স্কুলে আয়োজিত হল লিটল স্কলার্স ফেয়ার

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।‌ ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে এবিসিডি তো সকলেই শিখতে পারে, তবে তার সঙ্গে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।‌

ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে এবিসিডি তো সকলেই শিখতে পারে, তবে তার সঙ্গে বাস্তব এবং প্রকৃতিকে চেনার শিক্ষা পাওয়াটাই সবথেকে জরুরী। এমন আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার কর্মযজ্ঞে মেতেছে সোনারপুরের দ্য সামিট স্কুল।

স্বামী বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ট্রাস্টের উদ্যোগে বছর কয়েক আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রামে তৈরি হয়েছিল এই দ্য সামিট স্কুল।

স্কুলের ডিরেক্টর রেশু বিনায়কিয়া (Director Mrs.Reshu Binaykia) নতুন নতুন বিভিন্ন শিক্ষা পদ্ধতি চালু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সুভাষগ্রাম ক্যাম্পাসে।

সারা বছর ধরে স্কুলের বই পড়ার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হয়ে ওঠার জন্যে একদিকে যেমন তাদের নিজেদের ব্রেকফাস্ট তৈরি থেকে শুরু করে নিজের বিছানা তৈরীর মতো খুব ছোট ছোট বিষয়গুলিও শেখানোর চেষ্টা করে চলেছেন রেশু বিনায়কিয়া।

Sonarpur Hridika : সোনারপুরের একরত্তি হৃদিকার জীবন বাঁচাতে চাই ১৬ কোটির ইঞ্জেকশন, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মমতা ও অভিষেকের কাছেও সাহায্যের আকুল আর্তি হৃদিকার বাবা-মায়ের

অর্থাৎ খুব স্পষ্টভাবে বলতে গেলে পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে কর্মমুখী শিক্ষার মেলবন্ধন। সেই আদর্শে এবারে স্কুলে দুদিন ধরে আয়োজিত হয়েছিল লিটল স্কলার্স ফেয়ার। যেখানে মূল থিম ছিল মানব সভ্যতার বিবর্তন। আমরা ছোটবেলা থেকে ইতিহাসে প্রস্তর যুগ অথবা আদিম মানুষ কিভাবে আজকের সভ্য বিজ্ঞানমনস্ক সামাজিক জীবে পরিণত হয়েছে তার বহু ইতিহাস পড়ি।

কিন্তু অনেকেই জানিনা প্রস্তর যুগে আদিম মানুষ কি ধরনের পাথুরে অস্ত্র দিয়ে প্রথম শিকার করতে শিখেছিল। অথবা রামায়ণ মহাভারতের বিভিন্ন চরিত্রকে ঠিক কেমন দেখতে ছিল শিল্পীর কল্পনায়! এর পাশাপাশি আমাদের সমাজে বিভিন্ন ছোটখাট জিনিস নিয়েও যে সমস্ত কুসংস্কার রয়েছে সেগুলিও ছোট বেলা থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সঙ্গে খেলার ছলে বোঝানোর জন্যেও বিভিন্ন ধরনের শোকেস বা হাতের কাজ উপস্থাপিত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলোর সঙ্গে হাতের কাজে রীতিমত তাক লাগিয়ে দিচ্ছে।

স্কুলের রেশু বিনায়কিয়া জানান, “প্রথমে ছেলেমেয়েদের নিজেদের চিন্তাভাবনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা কী করতে চায় – সেটা দেখা হয়। তাদের সেই মৌলিক ভাবনার সামান্য ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে তা সংশোধন করে দেওয়া হয়। এরই সঙ্গে তাঁদের নতুন নতুন আঁকা, শিল্পকর্ম, নকশা বোর্ডে এঁকে দেখানো হয়।”

ছাত্রছাত্রীদের হাতের তৈরি এই সমস্ত কাজকে অভিভাবকদের সামনেও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত বছর কয়েক আগে কলকাতা তথা দেশের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন চিকিৎসক টি বোর্ড তৈরি করে পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এই স্কুল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যাদের মধ্যে অন্যতম ডাক্তার অশোক বিনায়কিয়া এবং ডাক্তার রাকেশ বিনায়কিয়া।

এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য, গ্রামাঞ্চল ও মফঃস্বলের ছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা এবং বিজ্ঞানমনস্ক মানবসম্পদ গড়ে তোলা। যার মাধ্যমে আগামীদিনে ভারতবর্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বের দরবারে সুনাম অর্জন করবে।

ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনার প্রসার ঘটানোর জন্য সায়েন্স এক্সিবিশন, হাতেকলমে বিজ্ঞান শেখা প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়েদের শিক্ষা ক্ষেত্রে যেমন মনোযোগ বাড়াবে ঠিক তেমনি বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে আগামী দিনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে অনেকটাই সহায়ক হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

এছাড়াও পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মমুখী শিক্ষা কেন্দ্রীয় সরকারের স্কিল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রকের সঙ্গে যৌথভাবে দেওয়ার জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানালেন স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. লিপিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তারই অংশ হিসেবে বিজ্ঞান প্রদর্শনীর পাশাপাশি হস্তশিল্প প্রদর্শনীর‌ও আয়োজন করা হয়। পড়ুয়াদের তৈরি বিভিন্ন মডেল দেখে খুশি সকলে।

আজকের খবর