সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।
চৈত্র মাস শেষ হতে এখন ১২ দিন বাকি। তাপমাত্রা পারদ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই অবস্থায় আগেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল চলতি বছর কী আগে গরমের ছুটি পড়বে?
এবার সেই জল্পনাকেই সত্যি গরমের ছুটি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বলা বাহুল্য, চলতি বছর গরমের ছুটি পড়ার কথা ছিল ১২ মে থেকে। যা ২৩ মে পর্যন্ত চলবে। কিন্তু চৈত্র মাসে তীব্র দাবদাহের জেরে প্রায় ১২দিন এগিয়ে গেল স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি। তবে কবে থেকে ফের খুলবে স্কুল তা এখন স্পষ্ট নয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু গরমটা বেশি, তাই ৩০ এপ্রিল থেকেই প্রাইমারি এবং হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি পড়ে যাবে। এরমধ্যেও ১০ এপ্রিল ছুটি আছে। মহাবীর জৈনের জন্মদিন। ১৪ ও ১৫ তারিখে পয়লা বৈশাখ। অনেকগুলো রবিবার আছে। কাজেই হয়ত ৩০ এপ্রিলের মধ্যেও ১২-১৩ দিন ছুটির মধ্যে বেরিয়ে যাবে। আগে ছুটি হত মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে। যেহেতু গরম ওয়েদারটা বেশি, বাচ্চাদের কষ্ট হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা শিক্ষামন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন যে, ছুটিটা ৩০ এপ্রিল থেকে পড়বে। যাতে ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকদের কোনও অসুবিধা না হয়।”
শিক্ষা দফতরের সূচি জানিয়েছিল, এ বছর গরমের ছুটি ১২ মে থেকে শুরু হয়ে ২৩ মে পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ, মাত্র ১১ দিনের জন্য স্কুল বন্ধ থাকবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মতো গ্রীষ্মপ্রধান রাজ্যে এত কম সময়ের ছুটি যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শিক্ষকরা। আজ মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরে, ১২ দিন এগিয়ে এল ছুটি।

গত বছরও নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ৯ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত ছুটি থাকার কথা থাকলেও, তীব্র দাবদাহের কারণে ২১ এপ্রিল থেকেই স্কুল বন্ধ হয়ে যায় এবং ২ জুন পর্যন্ত তা স্থায়ী হয়। ফলে, প্রায় দু’মাস স্কুল বন্ধ থাকায় ছাত্রদের পড়াশোনায় ব্যাপক প্রভাব পড়ে। এবারও ছুটি শুরু হয়ে যাচ্ছে ৩০ এপ্রিল থেকে। কবে স্কুল খুলবে, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি।