ব্রেকিং
  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Abhishek Banerjee Digital Yoddha : ‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল, তারপরও হেরেছে, এবারও হারবে’ তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে হুংকার অভিষেকের

Abhishek Banerjee Digital Yoddha : ‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল, তারপরও হেরেছে, এবারও হারবে’ তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে হুংকার অভিষেকের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল। তারপরও হেরেছে। এবারও হারবে। তল্লাশি করতে আসেনি। চুরি করতে এসেছে।’ এভাবেই রবিবার তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে আইপ্যাক দপ্তরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশির প্রেক্ষিতে রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন....

Abhishek Banerjee Digital Yoddha : ‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল, তারপরও হেরেছে, এবারও হারবে’ তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে হুংকার অভিষেকের

  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Abhishek Banerjee Digital Yoddha : ‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল, তারপরও হেরেছে, এবারও হারবে’ তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে হুংকার অভিষেকের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল। তারপরও হেরেছে। এবারও....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

‘আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল। তারপরও হেরেছে। এবারও হারবে। তল্লাশি করতে আসেনি। চুরি করতে এসেছে।’ এভাবেই রবিবার তৃণমূলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে আইপ্যাক দপ্তরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশির প্রেক্ষিতে রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি ঘটনার দিন তৃণমূলের সব তথ্য চুরি করতে এসেছিল বলে তোপ দেগেছেন তিনি।

 

এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নয়ন নজর তৈরি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় নিজে সেখানে ঢুকে গিয়ে দলীয় নথিপত্র বাঁচিয়ে বেরিয়ে এসেছেন, একমাত্র মমতা এবং বাংলার নেত্রীর পক্ষেই সম্ভব বলে দাবি করে অভিষেক বলেন, ‘ওরা যে ভাষায় কথা বলেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে ভাষায় জবাব দিয়েছেন। অন্য রাজ্যে ধমকে চমকে দল বদল করানো হয়। এখানে সেটা পারেনি।’

 

এবার আইপ্যাকের অফিসে ইডি কেন গিয়েছে সেই নিয়েই মুখ খুলেছেন তিনি। আজ অভিষেক ডিজিটাল যোদ্ধাদের বুঝিয়ে বলেন, কোন কোন বিষয় মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, ‘আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি হল। বিজেপির নেতারা বলছেন কয়লাকাণ্ডে ইডি তল্লাশি করছে তাতে আপত্তি কোথায়? আপত্তি দু’টো জায়গায়। কয়লা তদন্তে ঠিক ভোটের আগে তল্লাশি। এখানে আপত্তি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দু’নম্বর আপত্তি হল, আইপ্যাকের তিনজন ডাইরেক্টর। একজন দিল্লিতে, একজন বাংলায় একজন তামিলনাড়ুতে কাজ করছে। তাহলে খালি বাংলায় তল্লাশি হবে কেন? খালি কলকাতায় তল্লাশি কেন? হায়দরাবাদে নয় কেন? কারণ, তল্লাশি করতে আসেনি। তথ্য চুরি করতে এসেছে। আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল। তারপরও হেরেছে। এবারও হারবে। তল্লাশি করতে আসেনি। চুরি করতে এসেছে।’

 

সোমবার কলকাতার মিলনমেলা প্রাঙ্গনে ডিজিটাল কনক্লেভে অভিষেক আইপ্যাক-কাণ্ডের আবহে প্রথম বার অভিযোগ করেন, তৃণমূলের তথ্য চুরি করতেই প্রতীকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তিনি বলেন, ‘কয়লাকাণ্ডে তল্লাশি চালাতে এসেছিল ইডি। যে মামলায় গত তিন বছরে কাউকে কোনও সমন করেনি তারা। আসতেই পারে। কিন্তু ওদের উদ্দেশ্য ছিল তথ্য চুরি করা।’

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশল ও প্রার্থী তালিকা সংক্রান্ত গোপন নথি হাতিয়ে নিতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা হয়েছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে দাবি করেছিলেন যে, দলের অভ্যন্তরীণ স্ট্র্যাটেজি সংক্রান্ত নথিপত্র সরিয়ে ফেলতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এদিন অভিষেকের এই কড়া অবস্থান তৃণমূলের সেই অভিযোগকেই আরও জোরালো করল।

 

অন্যদিকে, নির্বাচনের প্রাক্কালে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব কতখানি এবং মানুষের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের কথা পৌঁছে দিতে, কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করতে হবে, সোমবার এ বিষয়ে তাঁর দলের সোশ্যাল মিডিয়ার ‘যোদ্ধাদের’ বিশদে পরামর্শ দিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাশাপাশি, স্পষ্ট করে বলে দিলেন, ব্যক্তির হয়ে নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাতে হবে দলের হয়ে। সোমবার কলকাতার মিলনমেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত ডিজিটাল যোদ্ধাদের সম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেন, ‘ব্যক্তির থেকে বড় দল। ছোট, সেজো, মেজো নেতার নামে জয়ধ্বনি না দিয়ে আপনারা দলের নামে প্রচার করুন।’

অভিষেকের সতর্ক বার্তা, ‘প্রতি ওয়ার্ড, প্রতি অঞ্চলে উন্নয়ন মূলক কাজের পোস্ট করুন। কিছু নেতা সস্তায় লাইক বা শেয়ার পেতে কিছু পোস্ট করে। এমন কাজ করবেন না।’ এদিনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেন, ‘এই প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের এত বড় সোশ্যাল মিডিয়া কনক্লেভ করেছি। সোশ্যাল মিডিয়া এই মুহূর্তে আমাদের বড় অস্ত্র। মমতা বন্দোপাধ্যায় আমাকে ফোন করে বলেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার ছেলেরা এত ভাল কাজ করেছে।’

 

তৃণমূলের ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’দের প্রতি অভিষেকের বার্তা, ‘বিজেপির মতো টাকা পয়সা, ইডি, সিবিআই, ইসিআই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। কিন্তু আমাদের হাজার হাজার ডিজিটাল যোদ্ধা আছে। যাঁরা প্রচার করে চলেছেন বুকের রক্ত তুলে। হাতে আর কয়েকদিন আছে। তাই এক ইঞ্চি জমি ছাড়া যাবে না। আমাদের ফাঁক দেখলেই ওরা মানুষকে ভুল বোঝাবে। আমাদের দায়িত্ব আমাদের কাজ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া।’

নির্বাচনের আগে ঠিক কীভাবে ব্যবহার করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়াকে? যোদ্ধাদের দেওয়া পরামর্শে অভিষেক বলেন, ‘বিজেপির আলটপকা মন্তব্য বেশি করে প্রচারে বলতে হবে। আমাদের প্রচারে থাকতে হবে। মিথ্যার বেড়াজাল ভেঙে চূর্ণ বিচূর্ণ করতে হবে। বিজেপির অভিসন্ধি, মিথ্যার বেড়াজাল আমাদের ভাঙতে হবে। তৃণমূল কোথায় ব্যর্থ, সব বিধানসভায় শুনেছি বিজেপি চার্জশিট প্রকাশ করবে। আপনারা পাল্টা বলুন, কেন্দ্রের কাছে কত টাকা আটকে আছে।’ অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, ‘২৫০ আসন করতেই হবে। ১১০ দিন লড়তে হবে। এক ইঞ্চি ছাড়া যাবে না জায়গা। সময় নষ্ট করা যাবে না।’

আজকের খবর