পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি থানার অন্তর্গত শালবনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বনমালীপুর উপরপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। মৃত ছাত্রের নাম রমেশ মাহাতো,তার বয়স প্রায় ১৫ বছর, সে শালবনি ব্লকের ভাঙ্গাবাঁধ হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে সোমবার সন্ধ্যায় তাকে তার মা মোবাইল ফোন নিয়ে একটু বকাবকি করে, সেই সঙ্গে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছাড়িয়ে নেয় এবং তাকে তার মা পড়াশোনা করতে বলে। সেই অভিমানে বাড়ির সবার অলক্ষে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি জঙ্গলে গিয়ে একটি গাছের ডালে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে সে আত্মহত্যা করে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।
মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি দেখতে পায়,যার ফলে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় শালবনি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ওই ছাত্রের মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সেই সঙ্গে কি কারণে ওই ছাত্র গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য শালবনি থানার পুলিশ তদন্তের কাজ শুরু করেছে। ওই ঘটনার খবর শুনে মৃত ছাত্রের বাড়িতে যায় শালবনির বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্রেতা ও সুরক্ষা দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো। তিনি মৃত ছাত্রের বাবা মান্তু মাহাতো ও তার পরিবারের সকলকে সমবেদনা জানানএবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
রাজ্যের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো বলেন ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। মৃত ছাত্রের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। তবে ওই ঘটনার ফলে মৃত ছাত্রের পরিবারের সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন,সেই সঙ্গে গোটা এলাকা জুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া।