ব্রেকিং
Latest Posts
Investment in Bengal Tourism : বাংলার বুকেই এবার ডেস্টিনেশন ওয়েডিং আর অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, উত্তরবঙ্গের পর্যটনে বিনিয়োগ ৫০ কোটি টাকাMount Katao Travel Guide: সিকিমের লুকোনো সুইজারল্যান্ড, যেখানে পৌঁছেই মনে হবে—এতদিন চোখের আড়ালেই ছিল এই স্বর্গ!MHA Vande Mataram guidelines : বন্দেমাতরম গাওয়ার সময় উঠে দাঁড়ানো বাধ্যতামূলক, সরকারি অনুষ্ঠানে নতুন নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকেরSuvendu Adhikari against Mamata : ‘মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করেছেন’— ডিএ ইস্যুতে মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীরHumayun Kabir Babri masjid : ‘আল্লাহ আমার পাশে আছেন, বাবরি মসজিদ হবেই’ বাবরি মসজিদের নির্মাণ শুরু করে হুংকার হুমায়ুনের
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Dilip Ghosh attacks Mamata : “মন খুলে কথা বলছেন না মমতা, জনগণের চাপে মিউ মিউ করতে হচ্ছে” অপারেশন সিঁদুর নিয়ে অবস্থানের জেরে মমতা সহ বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

Dilip Ghosh attacks Mamata : “মন খুলে কথা বলছেন না মমতা, জনগণের চাপে মিউ মিউ করতে হচ্ছে” অপারেশন সিঁদুর নিয়ে অবস্থানের জেরে মমতা সহ বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার যোগ্য জবাব দিয়ে ভারতীয় সেনা যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘‌অপারেশন সিঁদুর’‌ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং দেশবাসী আনন্দে উদ্বেল, তখন রাজনৈতিক মহলেও দেখা দিয়েছে এক ভিন্ন আবহ। হামলার ১৫ দিনের মাথায় এমন কার্যকর প্রত্যাঘাত....

Dilip Ghosh attacks Mamata : “মন খুলে কথা বলছেন না মমতা, জনগণের চাপে মিউ মিউ করতে হচ্ছে” অপারেশন সিঁদুর নিয়ে অবস্থানের জেরে মমতা সহ বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Dilip Ghosh attacks Mamata : “মন খুলে কথা বলছেন না মমতা, জনগণের চাপে মিউ মিউ করতে হচ্ছে” অপারেশন সিঁদুর নিয়ে অবস্থানের জেরে মমতা সহ বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার যোগ্য জবাব দিয়ে ভারতীয় সেনা যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার যোগ্য জবাব দিয়ে ভারতীয় সেনা যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘‌অপারেশন সিঁদুর’‌ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং দেশবাসী আনন্দে উদ্বেল, তখন রাজনৈতিক মহলেও দেখা দিয়েছে এক ভিন্ন আবহ। হামলার ১৫ দিনের মাথায় এমন কার্যকর প্রত্যাঘাত হানায় দেশের প্রায় সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন জানিয়েছেন।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে থাকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, জনগণের প্রবল চাপের মুখেই মুখ্যমন্ত্রী সুর বদলাতে এবং এই ধরনের কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী নীতি এবং ভারতের বিরুদ্ধে তাদের ধারাবাহিক আগ্রাসন নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান তার জন্ম থেকেই হিংসার রাজনীতি করে আসছে। সন্ত্রাসবাদ তাদের রাজনীতি। ভারতের পিছনে লেগে থাকা তাদের রাজনীতি। চিরদিন বর্ডারের নাগরিকদের উপর সেলিং করা, তাদের জমি ফসল নষ্ট করা, এসব করে এসেছে। এখন ওখানে রেলিং দেওয়ায় আসতে পারে না। ওদের সেনার ভারতের সঙ্গে লড়ার দম নেই। ভারত কোনওদিন সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়নি। ভারত এবং মোদীর পিছনে সবাই আছে। পাকিস্তানের সেনারা হুহু করে চাকরি ছাড়ছে।”

অন্যদিকে ‘‌অপারেশন সিঁদুর’‌ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ছিল, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করব। এখন যেন আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ না থাকে। সবাই আমরা দেশের পক্ষে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনেই দিলীপ ঘোষ বলেন, “মন খুলে কথা বলছেন না মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সরকারের লোকেরা। শুধুমাত্র জনগণের চাপে এই ধরনের কথা বলতে হচ্ছে তাঁদের।”

দিলীপ ঘোষ এখানেই থেমে না থেকে সরাসরি মমতাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, “স্পষ্ট করে বলতে হবে যে, আমরা ১০ কোটি মানুষ কেন্দ্রের সঙ্গে আছি। সেনার সঙ্গে আছি। কেন্দ্র যা সিদ্ধান্ত নেবে তার সঙ্গে থাকব।” যদি এই স্পষ্ট বার্তা না দেওয়া হয়, তবে “ডাল মে কুছ কালা হ্যায়” – এমনটাই মনে করবেন তিনি।

‘‌অপারেশন সিঁদুর’‌ নিয়ে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি যখন কেন্দ্রের সঙ্গে এককাট্টা হয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একসঙ্গে থাকার বার্তা দিচ্ছে এবং আজ আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন, তখন দিলীপ ঘোষ বিরোধীদের একাংশের কঠোর সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতার কথায়, এই ধরনের সমর্থন আসলে “রাজনৈতিক মন্তব্য”। তিনি মনে করেন, এই সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরোধিতা করলে মানুষ তাদের “শুইয়ে দেবে” এবং “ধুয়ে দেবে”, এই ভয়েই তারা মুখ খুলছে। কমিউনিস্ট পার্টি এবং কংগ্রেসের মতো দলগুলি ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুখ খোলে না বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তৃণমূলকে কংগ্রেসের “বাই প্রোডাক্ট” আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আজ জনগণের সেন্টিমেন্টের চাপে তাদের “মিউ মিউ” করতে হচ্ছে। সাহস থাকলে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মুখ খোলার আহ্বান জানান তিনি।

সব মিলিয়ে, ‘অপারেশন সিঁদুর’ পরবর্তী পরিস্থিতিতে যখন জাতীয় সংহতির আবহ দেখা যাচ্ছে, তখন দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন বিতর্ক তৈরি করল এবং মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি।

আজকের খবর