ব্রেকিং
  • Home /
  • ভারত /
  • Migrant workers from Bengal in Chhattisgarh : ছত্তিশগড় হাইকোর্টে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মামলা, অবৈধ আটক ও জাতীয়তা নিয়ে অভিযোগ

Migrant workers from Bengal in Chhattisgarh : ছত্তিশগড় হাইকোর্টে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মামলা, অবৈধ আটক ও জাতীয়তা নিয়ে অভিযোগ

ছত্তিশগড় হাইকোর্ট সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের ১২ জন পরিযায়ী শ্রমিকের করা এক গুরুতর মামলায় রাজ্য সরকারকে নোটিস জারি করেছে। অভিযোগ, এই শ্রমিকদের বেআইনি ভাবে বাংলাদেশি বলে ধরে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং দুই দিন জেলেও রাখা হয় বিনা অপরাধে। ঘটনার পটভূমি....

Migrant workers from Bengal in Chhattisgarh : ছত্তিশগড় হাইকোর্টে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মামলা, অবৈধ আটক ও জাতীয়তা নিয়ে অভিযোগ

  • Home /
  • ভারত /
  • Migrant workers from Bengal in Chhattisgarh : ছত্তিশগড় হাইকোর্টে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মামলা, অবৈধ আটক ও জাতীয়তা নিয়ে অভিযোগ

ছত্তিশগড় হাইকোর্ট সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের ১২ জন পরিযায়ী শ্রমিকের করা এক গুরুতর মামলায় রাজ্য সরকারকে নোটিস জারি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

ছত্তিশগড় হাইকোর্ট সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের ১২ জন পরিযায়ী শ্রমিকের করা এক গুরুতর মামলায় রাজ্য সরকারকে নোটিস জারি করেছে। অভিযোগ, এই শ্রমিকদের বেআইনি ভাবে বাংলাদেশি বলে ধরে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং দুই দিন জেলেও রাখা হয় বিনা অপরাধে।

ঘটনার পটভূমি
এই ১২ জন শ্রমিক, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন মেহবুব শেখ সহ আরও ১১ জন, তাঁরা মুর্শিদাবাদ ও কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা। তাঁরা একটি নির্মাণ প্রকল্পে কাজের উদ্দেশ্যে ছত্তিশগড়ের কন্ডাগাঁও জেলায় এসেছিলেন। জুনের ৩০ তারিখ থেকে তাঁরা একটি স্কুল নির্মাণে নিযুক্ত ছিলেন এবং নির্মাণ সাইটেই বসবাস করছিলেন।

শ্রমিকরা দাবি করেছেন, তাঁদের সমস্ত পরিচয়পত্র— যেমন আধার কার্ড— পুলিশকে দেখানো হয়। তবুও, ১২ জুলাই কন্ডাগাঁও পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও দৃষ্টিগোচর অপরাধ ছাড়াই গ্রেফতার করে এবং মারধর করে কেন্দ্রীয় জেল জগদলপুরে পাঠানো হয়।

বিনা বিচারে জেলবন্দি
এই শ্রমিকদের পক্ষে আইনজীবী সুদীপ শ্রীবাস্তব ও রজনী সোরেন হাইকোর্টে হ্যাবিয়াস কর্পাস (হেফাজতে বেআইনি আটক) মামলা দায়ের করেন। যদিও মামলাটি শুনানির আগেই ১৪ জুলাই কন্ডাগাঁওয়ের এসডিএম-এর আদেশে শ্রমিকদের মুক্তি দেওয়া হয়।

মজার বিষয় হল, তাঁদের আটক করা হলেও না কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়েছিল, না কোনো রীতিমাফিক আটক নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।

অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া
মামলার আবেদনে শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের উপর পুলিশি নির্যাতন হয়েছে, হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং জোর করে ছত্তিশগড় ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এর ফলে তাঁদের কর্মসংস্থান বন্ধ হয়েছে ও জীবনধারায় প্রভাব পড়েছে।

পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দিয়ে রিপোর্ট জমা দিলে শ্রমিকদের মুক্তি দেওয়া হয়।

আদালতের পদক্ষেপ
ছত্তিশগড় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রমেশ সিনহা ও বিচারপতি বি. ডি. গুরু-র ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তারপর আবেদনকারীদের পাল্টা জবাব দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এই মামলা স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেয় কিভাবে পরিচয় ও জাতীয়তা নিয়ে সন্দেহের বশে সাধারণ পরিযায়ী শ্রমিকরা বেআইনি হেফাজতের শিকার হতে পারেন। আদালতের এই পদক্ষেপ একদিকে যেমন আইনের শাসনের প্রতিফলন, অন্যদিকে অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কেও প্রশ্ন তুলে দেয়।

আজকের খবর