ব্রেকিং
Latest Posts
Hiraan Chatterjee Wedding Scandal : ২১-শে হিরণ ভাইফোঁটা নিয়েছিলেন এখনকার বউ ঋতিকার কাছে, অবৈধ সম্পর্ক লুকোতেই ভাই বোন সেজে থাকা?Mamata against SIR : ‘এবার ওরা ঠিক করে দেবে কবে কে বিয়ে করবে? প্রেমটা ওরা ঠিক করে দেবে?’ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতারSikh community social service in Bengal : ‘সেবা ও উন্নয়নে শিখ সম্প্রদায়ের অবদান অনস্বীকার্য’ ভবানীপুরে বললেন ডা. নির্মল মাজিSuvendu Adhikari Bhawanipur : ‘ভবানীপুরে এতক্ষণ আছি, এতেই উনি বিচলিত, সরস্বতী পুজোয় ৩৬টা আমন্ত্রণ পেয়েছি’ ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুরCPM against TMC BJP : ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই’ তৃনমূল ও বিজেপিকে হারাতে বিরোধী জোট গঠনের ডাক সেলিমের
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Highcourt against CESC : কলকাতায় জমা জলে মৃত্যুমিছিল, ‘ক্ষুব্ধ’ কলকাতা হাইকোর্ট, এবার সিইএসসি-কাছে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

Highcourt against CESC : কলকাতায় জমা জলে মৃত্যুমিছিল, ‘ক্ষুব্ধ’ কলকাতা হাইকোর্ট, এবার সিইএসসি-কাছে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। কলকাতায় অবিরাম বৃষ্টিতে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হয় আটজনের। এবার এই মৃত্যুমিছিলের ঘটনায় সিইএসসি-র কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আট জনের মৃত্যুতে স্বতঃপ্রনোদিত মামলায় রিপোর্ট তলব ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি অপূর্ব সিনহা....

Highcourt against CESC : কলকাতায় জমা জলে মৃত্যুমিছিল, ‘ক্ষুব্ধ’ কলকাতা হাইকোর্ট, এবার সিইএসসি-কাছে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Highcourt against CESC : কলকাতায় জমা জলে মৃত্যুমিছিল, ‘ক্ষুব্ধ’ কলকাতা হাইকোর্ট, এবার সিইএসসি-কাছে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। কলকাতায় অবিরাম বৃষ্টিতে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হয় আটজনের। এবার এই মৃত্যুমিছিলের ঘটনায়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

কলকাতায় অবিরাম বৃষ্টিতে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যু হয় আটজনের। এবার এই মৃত্যুমিছিলের ঘটনায় সিইএসসি-র কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আট জনের মৃত্যুতে স্বতঃপ্রনোদিত মামলায় রিপোর্ট তলব ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রিপোর্ট চাইল রাজ্য, পুরসভা ও সিইএসসি-এর কাছে। কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানাতে হবে কলকাতা পুরসভা ও সিইএসসি-কে। আগামী ৭ নভেম্বর রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ। ওই দিন মামলার পরবর্তী শুনানি।
এবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। সিইএসসি-এর কাছে রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। পাশাপাশি নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে কলকাতা পুরসভাকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে সরকারের অবস্থান জানাবে রাজ্য। আগামী ৭ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
কলকাতায় জমা জলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সেভ ডেমোক্রেসি এবং অল ইন্ডিয়া লইয়ার্স ইউনিয়নের তরফে মেইল করেছিলেন আইনজীবী শামীম আহমেদ। ওই মেলের পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটিকে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করে। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার হওয়া শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ৭ নভেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট ফাইল করে কলকাতা পুরসভাকে জানাতে হবে। জল জমা নিয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা? একই সঙ্গে সিইএসসি খোলা তার নিয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং রাজ্যকে জানাতে হবে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে তারা কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
সোমরাত থেকেই টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে শহর কলকাতা জুড়ে। এক রাতের মধ্যে বানভাসি পরিস্থিতি তৈরী হয় শহরজুড়ে। বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। বিভিন্ন গলিপথও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। আর সেই জমা জলেই প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে রাজ্যে ১১ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যু নিয়ে এবার সিইএসসি-র কাছে রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট।
টানা বৃষ্টিতে জমা জলে মৃত্যুর ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিইএসসি-র অবহেলায় কলকাতায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যাঁরা মারা গেলেন, তাঁদের পরিবারের জন্য আমাদের আন্তরিক সমবেদনা। মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয়না, জীবনের কোন বিকল্প হয় না। তবুও আমরা প্রতি পরিবারের একজনের চাকরি নিশ্চিত করব। ক্ষতিপূরণ দিতে বলছি সিইএসসি কে-ও। আমি সিইএসসি-র সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের আন্তরিক সমবেদনার পাশাপাশি এই ক্ষতিপূরণ-ও পরিবারগুলির প্রাপ্য।’ একই সঙ্গে তিনি মৃত্যুর যাবতীয় দায় সিইএসসি-এর ঘাড়েই চাপান। যদিও তার পালটা এক্স হ্যান্ডেলে সিইএসসি জানিয়েছে ‘স্ট্রিট লাইট পোল, ট্রাফিক লাইটগুলি আমাদের মালিকাধীন নয়, আমরা সেগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করি না, না সেগুলি আমাদের দ্বারা পরিচালিত।’

আজকের খবর