ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • TMC Bijaya Sammilani 2025 : কালীপুজো অবধি ‘ডেডলাইন’! নির্বাচনের আগে জনসংযোগে তৃণমূলের ‘বিজয়া সম্মিলনী’ রোডম্যাপ

TMC Bijaya Sammilani 2025 : কালীপুজো অবধি ‘ডেডলাইন’! নির্বাচনের আগে জনসংযোগে তৃণমূলের ‘বিজয়া সম্মিলনী’ রোডম্যাপ

২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে এটাই শেষ বিজয়া সম্মিলনী। তাই এবারের দুর্গাপুজো ও বিজয়া দশমীর পরবর্তী সময়কে সর্বাধিক কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই কর্মসূচির রূপরেখা তৈরি করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কালীপুজো....

TMC Bijaya Sammilani 2025 : কালীপুজো অবধি ‘ডেডলাইন’! নির্বাচনের আগে জনসংযোগে তৃণমূলের ‘বিজয়া সম্মিলনী’ রোডম্যাপ

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • TMC Bijaya Sammilani 2025 : কালীপুজো অবধি ‘ডেডলাইন’! নির্বাচনের আগে জনসংযোগে তৃণমূলের ‘বিজয়া সম্মিলনী’ রোডম্যাপ

২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে এটাই শেষ বিজয়া সম্মিলনী। তাই এবারের দুর্গাপুজো ও বিজয়া দশমীর পরবর্তী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে এটাই শেষ বিজয়া সম্মিলনী। তাই এবারের দুর্গাপুজো ও বিজয়া দশমীর পরবর্তী সময়কে সর্বাধিক কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই কর্মসূচির রূপরেখা তৈরি করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কালীপুজো অবধি চলবে এই জনসংযোগ কর্মসূচি। এর পরই শুরু হবে ভোটের প্রস্তুতির মূল পর্ব।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে বিজয়া সম্মিলনী

আগামী ১৩ অক্টোবর ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের আমতলায় আয়োজিত হতে চলেছে রাজ্যের সবচেয়ে বড় বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। তিনি সরাসরি জেলার ব্লক নেতৃত্ব, জেলা নেতৃত্ব এবং যুব সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মূল উদ্দেশ্য— ভোটের আগে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়া, জনসংযোগ বাড়ানো এবং সংগঠনকে চাঙা রাখা।

জেলায় জেলায় জনসংযোগের ব্লুপ্রিন্ট

প্রতি বছরই TMC বিজয়া সম্মিলনী আয়োজন করে। তবে এবারের গুরুত্ব একেবারেই আলাদা। বিধানসভা ভোটের আগে এই বিজয়াকে হাতিয়ার করে নিচ্ছে শাসকদল। জেলায় জেলায় ইতিমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে বক্তাদের তালিকা। জানা গিয়েছে, ৫০ জনের বেশি বক্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে যাঁরা বিভিন্ন ব্লক ও জেলায় জনসংযোগের দায়িত্ব সামলাবেন। এই তালিকায় নাম অনুমোদন করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে।

কারা বক্তব্য রাখবেন?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদিত তালিকায় থাকছেন—

দলের শীর্ষ নেতৃত্ব

বিধায়করা

যুব নেতা

ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্যরা

অর্থাৎ অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য, প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া এবং আগামী নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

কালীপুজো পর্যন্ত সময়সীমা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্পষ্ট নির্দেশ, ১৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিটি ব্লকে বিজয়া সম্মিলনী সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ কালীপুজো অবধি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নির্দিষ্ট ডেডলাইনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা কমিটি কাজ শুরু করে দিয়েছে।

 

কেন এত গুরুত্ব পাচ্ছে বিজয়া সম্মিলনী ২০২৫?

1. শেষ সুযোগ: ভোটের আগে এটাই শেষ উৎসবমুখর জনসংযোগের সময়।

2. সরাসরি যোগাযোগ: সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন।

3. ভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনের ঐক্য ও শক্তি দেখানো।

4. তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনা: ছাত্র ও যুব নেতাদের মঞ্চে এনে পরবর্তী প্রজন্মকে সক্রিয় করা।

তৃণমূল কংগ্রেস এবারের বিজয়া সম্মিলনীকে শুধু উৎসব নয়, বরং একটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। কালীপুজোর আগে সমস্ত ব্লক ও জেলায় এই কর্মসূচি শেষ করে রাজ্যজুড়ে ভোটের প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করতে চাইছে শাসকদল। আর সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজকের খবর