ব্রেকিং
Latest Posts
  • Home /
  • ভারত /
  • BJP against Babri Masjid : ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না’ হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের দিনেই হুংকার বিজেপির

BJP against Babri Masjid : ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না’ হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের দিনেই হুংকার বিজেপির

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না।’ এভাবেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ভরতপুরের বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের হাতে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিনেই চরম হুঁশিয়ারি....

BJP against Babri Masjid : ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না’ হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের দিনেই হুংকার বিজেপির

  • Home /
  • ভারত /
  • BJP against Babri Masjid : ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না’ হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের দিনেই হুংকার বিজেপির

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না।’ এভাবেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ভরতপুরের বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের হাতে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিনেই চরম হুঁশিয়ারি দিলেন সর্বভারতীয় বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নকভি। তিনি বলেন, ‘বাবরের বাবা উমর শেখ যদি তাঁর কবর থেকে উঠে আসেন, তবুও বাবরি মসজিদ কখনও পুনর্নির্মাণ করা যাবে না। নৃশংস বিদেশী হানাদারদের দিন চিরতরে চলে গেছে। তৃণমূল নেতারা এই নাটকে লিপ্ত হন এবং তারপর এটি নিয়ে রাজনীতি করেন।’

যোগগুরু এবং পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা রামদেব এই ঘটনা প্রসঙ্গে কড়া মন্তব্য করে বাবরকে ‘বিদেশি হানাদার’ আখ্যা দিয়েছেন। রামদেব স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ভারতের পরিচয় কোনো বিদেশি আক্রমণকারীর নামে নয়। ভারত দেশের বীর ও দেবতাদের সম্পত্তি। তিনি বলেন, ‘ভারত বাবর-এর দেশ নয়। ভারত মহারানা প্রতাপ, ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ, চন্দ্রশেখর, রাজগুরু, ভগত সিং, রাম-কৃষ্ণ, সনাতন এবং শিব-এর দেশ। বাবর ছিল একজন বিদেশি হানাদার এবং ডাকাত। যে ব্যক্তিরা তার নাম মহিমান্বিত করতে চান, তারা ভারতের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। এমন মানুষ কখনোই তাদের লক্ষ্যে সফল হবে না।’

তবে শুধুমাত্র বিজেপি বা বিজেপির ঘনিষ্ঠরা নয়, হুমায়ুনের এই উদ্যোগে পাশে পাননি তৃণমূলকেও। তবে হুমায়ুনের দাবি মত তৃণমূলের পাশে না থাকার কারণ যে বাবরি মসজিদ নয় অন্য কিছু তাপমাত্র করে দিয়েছেন দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। শুধু বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য হুমায়ুনকে যে সাসপেন্ড করা হয়নি, তা বুঝিয়ে দিয়ে কুণাল বলেন, ‘বাংলায় কোনও ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিগণ তাঁদের জায়গায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা তাঁদের ধর্মের আরাধনার জায়গা করতেই পারেন। তার জন্য তাঁকে বহিষ্কার বা তাঁর প্রতি কোনও শাস্তিমূলক কোনও ব্যবস্থা এগুলো হতে পারে না। এগুলো কখনও তৃণমূল কংগ্রেস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। কিন্তু, যদি কোনও ব্যক্তি অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্তের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মের মোড়কে রাজনৈতিক অঙ্কে সেই ধর্মকেন্দ্রিক কোনও ইভেন্টকে দিয়ে ভোটের রাজনীতির বিষাক্ত মেরুকরণের মায়াজাল তৈরি করতে চান এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করেন। তিনি যদি দলবিরোধী কাজ করেন কিংবা সাংগঠনিকভাবে দলকে বিড়ম্বনায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে বিষয়টা আর ধর্মের বলে থাকে না। তৃণমূল সব ধর্মকে সম্মান করে। কিন্তু, কিছু লোক যখন ধর্মের নামে রাজনৈতিক ইভেন্ট করে, যেমন অমুক কণ্ঠে গীতা পাঠ। তখন আমরা গীতার বিরোধিতা করি না। ওই ইভেন্টের বিরোধিতা করার অবকাশ থাকে। তেমনই কেউ মসজিদ তৈরি করলে করতেই পারেন। কিন্তু, সেটা যদি অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত কিংবা প্ররোচনার ফাঁদে পড়ে একটি রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয় ও তার উদ্দেশ্য অন্য কিছু থাকে, সেক্ষেত্রে সেটা সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পর্যবেক্ষণের আওতায় পড়ে যায়। ফলে কেউ যদি বলেন, আমাকে অমুক তৈরির জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে, সেটা একদম মিথ্যা কথা। মন্দির, মসজিদ তৈরির জন্য তৃণমূল ব্যবস্থা নেয়নি, নেবে না।’

এর আগে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি যারা করে, তাদের সঙ্গে দল কোনও সম্পর্ক রাখবে না।’ বেলডাঙায় কেন বাবরি মসজিদ তৈরি করার কথা বলা হল, সেই প্রশ্নও তোলেন ফিরহাদ। পুরো বিষয়টাতে বিজেপির ইন্ধন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন। ফিরহাদ বলেছিলেন, ‘প্রত্যেকবার ভোটের আগে কোনও না কোনও গদ্দারকে নিয়ে গিয়ে কার্ডটা খেলে। এবার হুমায়ুন ভাইকে ধরেছে। বিজেপির কথাতেই এই বিভেদের রাজনীতি করা হচ্ছে। যখন দেখল এসআইআর করে কিছু হচ্ছে না, তখন বিজেপি এই বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

আজকের খবর