Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39
Mamata attacks BJP on Bangla : “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” বাংলা ভাষা ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার - Kolkata Saradin : Bengali News, Latest Bengali News Headlines, Bangla Khabar, বাংলা খবর, Today Breaking News in Bengali
ব্রেকিং
  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Mamata attacks BJP on Bangla : “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” বাংলা ভাষা ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

Mamata attacks BJP on Bangla : “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” বাংলা ভাষা ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

রঞ্জন মাহাতো। কলকাতা সারাদিন।   “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” এভাবেই বৃহস্পতিবার আরও একবার বাংলা ভাষায় নিশুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, একসময় ১০ টাকার নোটেও বাংলা....

Mamata attacks BJP on Bangla : “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” বাংলা ভাষা ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Mamata attacks BJP on Bangla : “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” বাংলা ভাষা ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

রঞ্জন মাহাতো। কলকাতা সারাদিন।   “বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা....


Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

আরও পড়ুন

রঞ্জন মাহাতো। কলকাতা সারাদিন।

 

“বাংলা ভাষা বলে নাকি কিছু নেই। তাহলে রবীন্দ্রনাথ কী ভাষায় কথা বলতেন?” এভাবেই বৃহস্পতিবার আরও একবার বাংলা ভাষায় নিশুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, একসময় ১০ টাকার নোটেও বাংলা লেখা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর মোবাইল ফোনটি গাড়ি থেকে এনে দিতে। এরপর ফোনে একটি ছবি বের করে তিনি দেখান সংবাদমাধ্যমে। একটি ১০ টাকার নোটের ছবি দেখান তিনি। সেটি ১৯১২ সালের নোট বলে দাবি করেন মমতা। তিনি বলেন, “১৯১২ সালে ১০ টাকার নোট বাংলায় লেখা ছিল। আজ হঠাৎ বলে দিচ্ছেন, বাংলা বলে কোনও ভাষা নেই। ঐতিহ্যশালী ভাষা।”

মুখ‍্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “আমাদের বাঙালিরা স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রাণ দিয়ে স্বাধীনতা আনেন। তখন তোমার দল কোথায় ছিল? দল তৈরি হয়েছিল?”

 

ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিজেপি নয়া ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ মমতার। তাঁর কথায়, “ভোটার তালিকায় নাম আছে কিনা, তা আবার দেখতে হবে। কেন্দ্র নাম বাদ দিতে নতুন করে চক্রান্ত করেছে। না জেনে ফর্ম ফিল আপ করবেন না। নতুন ভোটার যাঁরা হচ্ছেন মনে রাখবেন বাবা-মায়ের সার্টিফিকেট লাগবে। এটা ডবল ইঞ্জিনের সরকারের চক্রান্ত। নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চক্রান্ত।” তিনি আরও বলেন, “যাঁরা বাংলাদেশ থেকে আইন মেনে এসেছেন তাঁরা এদেশের নাগরিক। অনুপ্রবেশকারী ইস্যু আমাদের হাতে নেই। কেন বলছেন? চিঠি পাঠাচ্ছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মতুয়াদের। আমাদের বাংলার মানুষরা লড়াই করল। সংগ্রাম করল। আর বিদেশি? তোমরা একা স্বদেশি? এই জিনিস আমরা বরদাস্ত করব না। মানব না। রুখে দাঁড়াবেন।”

 

ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্তা নিয়ে আরও একবার তোপ দাগেন মমতা। তিনি বলেন, “প্রত্যেক মানুষের একটা ভাষা আছে। ভাষা তাঁর সম্মান, গর্ব। আর বলছে বাংলা ভাষাই নেই। এদের কী বলব বলুন? নীরবে বুকটা ফেটে যায়। ওরা বাজে কথা বলে আমরা বলতে পারি না। আমরা মর্মাহত, শোকাহত। মানুষের উপর অত্যাচার হচ্ছে বাংলার। ২ হাজারের বেশি ফিরিয়ে এনেছি। গুরগাঁও, অসম, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশে অত্যাচার করছে। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভোটের আগে বলবে টাকা নাও আর ভোট দাও। তুমি টাকা দেওয়ার কে? ওটা মাটির টাকা, তোমার টাকা নয়। সব দেবেন। নিজের ঠিকানা দেবেন না। নিজের ভাষা দেবেন না। নিজের অস্তিত্ব দেবেন না। বাংলা ভাষায় কথা বললেই বলছে রোহিঙ্গা। জাতীয় সঙ্গীত কোন ভাষায় লেখা? বাংলা ভাষা। যখন মানুষ বিপদে পড়ে ভেদাভেদ করে না। ভোটার লিস্ট আর ভাষার সম্মান কেউ ছাড়বেন না। মতুয়াদের উপর মুম্বইতে অত্যাচার হচ্ছে। মুম্বইতে একজনকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুন করে বস্তায় তোলা হয়েছে। নিজের ভাষায় কথা বলাটা অপরাধ?” বলে রাখা ভালো, বাঙালি হেনস্তার প্রতিবাদে ইতিমধ্যে পথে নেমে আন্দোলন করেছেন মমতা।

 

এছাড়াও বৃহস্পতিবার ঝাড় গ্রামের আদিবাসী দিবস উদযাপনের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,

আমি আজ সকলকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। মঞ্চে যাঁদের ছবিতে মালা দেওয়া হয়েছে, তাঁদের সকলকে প্রণাম জানাই। তাঁদের শিক্ষা ছাড়া এই পৃথিবী সম্পূর্ণ হতে পারে না

 

৯ তারিখ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস এবং এই দিবসটি সারা বাংলায় ৪ দিন ধরে পালিত হবে। আমি আজ ঝাড়গ্রাম থেকে এই উৎসবের সূচনা করছি, তবে এটা ১০ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় চলবে। এই উপলক্ষে সকলকে জানাই জয় জোহার এবং শুভেচ্ছা ।

 

আগামীকাল ২২ শ্রাবণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের হৃদয়ে আছেন, তাই আমরা তাঁর প্রয়াণবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করি। বিশ্বকবি আমাদের জাতীয় স্তোত্র রচনা করেছেন। তাই এই দিনটিকে সম্মানের সঙ্গে পালন করা উচিত।

 

১৪ আগস্ট ‘কন্যাশ্রী দিবস’। প্রতি বছর আমরা এই দিনটি পালন করে থাকি। সব স্কুল ও প্রতিষ্ঠানকে এই দিনটি সম্মানের সঙ্গে ও আনন্দের সঙ্গে পালনের অনুরোধ করছি। আমি ওদিন কলকাতায় কন্যাশ্রী দিবসের একটি অনুষ্ঠানে থাকব।

 

১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস। এখন আমরা ভাবছি, আমরা আদৌ স্বাধীন কি না। আমরা স্বাধীন থাকতে চাই, পরাধীন হতে চাই না। আমাদের নাগরিকত্ব যেন কেড়ে না নেওয়া হয়। আমাদের মধ্যে কোনও জাতিগত বৈষম্য নেই। আমাদের মধ্যে কোনও বিভাজন হওয়া উচিত নয়। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে সকলে সুখে থাকে।

 

আজ ঝাড়গ্রামের ৩ লক্ষ মানুষকে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার-র মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়ার জন্য আমি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের ৯৪টি সামাজিক প্রকল্প রয়েছে, যেগুলি পৃথিবীর আর কোথাও নেই। আমি সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

 

২০১৩ সালে আমরা কন্যাশ্রী শুরু করি এবং তারপর এটি রাষ্ট্রসংঘের পাবলিক সার্ভিস ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পায়। শুরুতে এটি শুধুমাত্র স্কুল পর্যায়ে ছিল, কিন্তু তখন আমি অভিভাবকদের অনুরোধ করেছিলাম মেয়েদের জোর করে বিয়ে না দিয়ে পড়াশোনার সুযোগ করে দিন। কন্যাশ্রী প্রকল্প রাষ্ট্রসংঘের প্রথম পুরস্কার পেয়েছে।

 

সারা বাংলায় “আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান” কর্মসূচি চলছে। প্রতিটি বুথে ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৮,০০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ৮০,০০০টির বেশি বুথে একদিন করে শিবির হবে। মানুষ সেখানে স্থানীয় ছোটখাটো সমস্যার কথা জানাতে পারবে। তারপর সেগুলি নিয়ে আলোচনা হবে এবং আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে। কাল পর্যন্ত ২,৫৫৫টি শিবির হয়েছে যেখানে ১২ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। ঝাড়গ্রামে ৩৮টি শিবির হয়েছে, যেখানে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ এসেছেন। গতকাল মেদিনীপুরে আমি একটি শিবিরে ঢুকতে পারিনি অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে। আমি ভয় পাচ্ছিলাম, আমার ঢুকলে পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বাইরে থেকে দেখেছি—এত মানুষ এসেছে! এই কর্মসূচির জন্য সারা বাংলায় ভালো প্রচার করা উচিত। “আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান” শিবিরের দু’দিন আগে এলাকায় মাইকিং করে সবাইকে সচেতন করতে হবে। এই শিবির ৬০ দিন ধরে চলবে।

 

মেয়েদের বিয়ে দিতে জোর করা উচিত নয়। ওদের জীবনকে নিজস্বভাবে গড়তে দিন। মেয়েরা আজ স্বাধীনভাবে চলতে পারে, পরিবার চালাতে পারে, এমনকি দেশ, প্লেন বা ট্রেনও চালাতে পারে। আমি একটা সমীক্ষা করেছিলাম—গর্ব হয় দেখে যে অনেক কন্যাশ্রী-মেয়ে পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার বা অধ্যাপিকা হয়েছে। তারা আজ সারা বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে কাজ করছে।

 

আমাদের রাজ্যে কোনও জাতি বা গোষ্ঠী বা সম্প্রদায় বঞ্চিত নয়। আমরা সবাই একসাথে থাকি। সম্প্রীতিতে থাকি। যারা বদনাম করে, করতে দিন—ওতে মাথা নষ্ট হয়। ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক চিন্তা করুন, ভালো থাকবেন।

 

বাংলা নদীমাতৃক রাজ্য, এখানে বহু দুর্যোগ হয়। কৃষকদের চিন্তা করার দরকার নেই—আমাদের রাজ্য সরকার তাঁদের শস্য বিমার টাকা দেয়। ওই চিন্তা আমাদের ওপরে ছেড়ে দিন। এবারও সারা দেশে ধান উৎপাদনে বাংলা প্রথম হয়েছে। এটা আমাদের কৃষকদের গর্ব।

 

আমরা ইতিমধ্যেই ৪৭ লক্ষ বাড়ি দিয়েছি। গত বছর থেকে আরও ১২ লক্ষ বাড়ির টাকা মঞ্জুর করেছি। আরেকটা ১৬ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা রয়েছে—তাঁরা ডিসেম্বরে প্রথম কিস্তি ও মে-তে দ্বিতীয় কিস্তি পাবেন। তারপর ছ’মাসের মধ্যে বাকি বাড়িগুলিও শেষ করব। বাংলায় কেউ বাদ যাবে না।

 

কেউ যদি ফর্ম ফিলআপ করতে বলে, না জেনে করবেন না। ওরা ভোটার তালিকা থেকে আপনার নাম বাদ দিয়ে এনআরসি নোটিশ দেবে। আমরা এটা বরদাস্ত করব না। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্ত—ওরা ভোটার তালিকার নাম যাচাই করবে। মানুষকে দেখে নিতে হবে, নাম ভোটার লিস্টে আছে কি না। যারা ২০০২ সালের আগে জন্মেছে, তাদের বাবা-মায়ের বার্থ সার্টিফিকেট চাওয়া হচ্ছে। আমরা যখন ক্ষমতায় এলাম, তখন ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি রেট ছিল ৬০ শতাংশ। তার আগে তো আরও কম ছিল। এখন কতজনের কাছে বাবা-মায়ের বার্থ সার্টিফিকেট আছে? যারা এটা চাইছে, তাদের কাছে আছে? ওরা তো রুপোর চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছে—ওরা গরিবদের দুঃখ বুঝবে কীভাবে?

 

ওরা তো বাংলা ভাষার অস্তিত্বই অস্বীকার করেছে। রবীন্দ্রনাথ বা নেতাজি কোন ভাষায় কথা বলতেন? কী নির্লজ্জ—বলছে বাংলা ভাষা বলে কিছু নেই! আমি একটা চেয়ারে আছি, তাই আমি খারাপ কিছু বলতে করতে পারি না।

 

বাঙালিদের ওপর অত্যাচার চলছে। ২০০০-এর বেশি শ্রমিককে আমরা ফিরিয়ে এনেছি। ওদের গুরগাঁওয়ের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল। রাজস্থান, অসমেও একই নিপীড়ন চলছে। মধ্যপ্রদেশ থেকে মালদার একটি আদিবাসী মেয়েকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দিয়েছে। দলিতদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে।

 

এসব লোকজন ভোটের সময় এসে টাকা দিয়ে ভোট চাইবে। এই টাকার উৎস কী? আমরা সব জানি। নিজের ঠিকানা, ভাষা, অস্তিত্ব—কোনওটাই দেবেন না।

 

নতুন ভোটারদের মনে রাখা উচিত—তাঁদের পিতামাতার বার্থ সার্টিফিকেট লাগবে বলছে। ভোটারদের বোঝা উচিত, এটা “ডবল ইঞ্জিন” সরকারের ষড়যন্ত্র। ওরা মানুষের নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাতে চায়। শুধুমাত্র বাংলা বললেই, মানুষকে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি বলে দেগে দিচ্ছে। কেউ যদি অলচিকি ভাষায় কথা বলে, আমি কি তাকে রোহিঙ্গা বলতে পারি? মায়ানমার তো অন্য দেশ, ওদের ভাষাও আলাদা।

 

মুম্বইতে মতুয়াদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। বাংলা ভাষায় কথা বলায় এক বাঙালিভাষীকে খুন করে টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরা হয়েছে। আমরা কি প্রতিবাদ করব না? এই মাটি আমাদের জননী। এটাই আমাদের জন্মভূমি। আমাদের ভাষা বলা কি অপরাধ?

 

যারা ১৯৭১-এর ভারত-বাংলাদেশ যুদ্ধের পর আইনি পথে এসেছে, তারা ভারতীয় নাগরিক। যারা ভারতীয়, তাদের কেন বাংলাদেশে পাঠানো হবে? যারা সত্যিই অনুপ্রবেশকারী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কিন্তু এটা আমাদের হাতে নয়, ওদের হাতে। কিন্তু অসম সরকার কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারের মানুষদের নোটিশ পাঠাচ্ছে। মতুয়াদের বিদেশি ও অনুপ্রবেশকারী বলে দেগে দিচ্ছে। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই দেশ—আর এখন আমাদেরই বিদেশি বলা হচ্ছে!

 

ওরা বিদেশি না “স্বদেশি”? স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ওদের রাজনৈতিক দলটা কি ছিল? যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, আমি তো কংগ্রেসে ছিলাম, তারপর ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়। তখন থেকেই আমি জানি, কীভাবে আমাদের পিতৃপুরুষরা স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন। আমরা এটা সহ্য করব না। সবাই রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। আমরা সবাই এক, বাংলার সম্মানের জন্য একসঙ্গে লড়ব।

 

পরিযায়ী শ্রমিকদের চিন্তা করার কিছু নেই। ডবল ইঞ্জিন সরকার বলে—ওরা বাংলায় কাজ না পেয়ে বাইরে গিয়েছে। কিন্তু আসল সত্য হল—ওরা দক্ষ বলেই ওদের কাজে নিয়েছে। বাংলায় অন্য রাজ্যের ১.৫ কোটি শ্রমিক কাজ করেন—আমরা তাঁদের সম্মান দিই। তাহলে আমাদের বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের কেন অত্যাচার করে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো হবে? এই অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না।

এখনও পর্যন্ত নির্বাচন ঘোষণা হয়নি, অথচ দুই ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা দিয়েছে। কোন এক্তিয়ারে? আমরা জানি, নির্বাচন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে। আমরা তখন সহযোগিতা করি, বিকল্পও দিই। আম্বেদকর তো এই সংবিধান লেখেননি, যেটা ওরা করছে! নির্বাচনের এখনো অনেক দেরি আছে। পিছনের দরজা দিয়ে এনআরসি-র মাধ্যমে অফিসারদের ভয় দেখাতে চাইছে? রাজ্য সরকার তখনও ছিল, এখনও আছে, আগামীতেও সরকার কর্মচারীদের পাশে থাকবে।

 

আজকের খবর