ব্রেকিং
Latest Posts
Anik Dutta Dies: ছাদ থেকে পড়ে রহস্য মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের, টলিউডে শোকের ছায়া, উঠছে একের পর এক প্রশ্নTMC MLA Arrest : পুরীর হোটেল থেকে আটক বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল! রাতারাতি কলকাতায় আনার তোড়জোড়ে চাঞ্চল্যSuvendu Adhikari : ‘জলদি ভাগো!’ হাকিমপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর, ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতিতে ফের জোরAnnapurna Yojana : অন্নপূর্ণা যোজনায় বড় চমক! বুধবারই আসছে ফর্ম, ১ জুন থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা? কল্যাণী থেকে বিস্ফোরক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুরWife Swapping in India : স্ত্রী-বিনিময়ের গোপন চক্র, মহানগরের আড়ালে বাড়ছে ‘ওয়াইফ সুইচিং’ ট্রেন্ড, সম্পর্ক ও আইনের সামনে নতুন প্রশ্ন
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu Adhikari Nandigram Warning : ‘বদল হবেই, বদলাও হবে কিন্তু আমি বলে দিতে পারি’ মমতা তথা তৃণমূলের উদ্দেশ্যে খোলা হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari Nandigram Warning : ‘বদল হবেই, বদলাও হবে কিন্তু আমি বলে দিতে পারি’ মমতা তথা তৃণমূলের উদ্দেশ্যে খোলা হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

কনিষ্ক সামন্ত। কলকাতা সারাদিন। নন্দীগ্রাম। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনকে সরিয়ে বাংলার ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রী হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, ‘বদলা নয় বদল চাই।’ তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মমতার....

Suvendu Adhikari Nandigram Warning : ‘বদল হবেই, বদলাও হবে কিন্তু আমি বলে দিতে পারি’ মমতা তথা তৃণমূলের উদ্দেশ্যে খোলা হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu Adhikari Nandigram Warning : ‘বদল হবেই, বদলাও হবে কিন্তু আমি বলে দিতে পারি’ মমতা তথা তৃণমূলের উদ্দেশ্যে খোলা হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

কনিষ্ক সামন্ত। কলকাতা সারাদিন। নন্দীগ্রাম। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনকে সরিয়ে বাংলার ক্ষমতায়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

কনিষ্ক সামন্ত। কলকাতা সারাদিন। নন্দীগ্রাম।

২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনকে সরিয়ে বাংলার ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রী হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, ‘বদলা নয় বদল চাই।’ তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মমতার মতো বদলার পরিবর্তে বদলের থিওরিতে বিশ্বাস না করে খোলা হুঁশিয়ারি দিলেন, বদল যেমন হবে, বদলাও হবে।
নন্দীগ্রাম আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে ফের তীব্র রাজনৈতিক বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের দাবি করে বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বদল আনতে হবে। হিসাব আমরা নেব। বদল হবেই। বদলাও হবে কিন্তু আমি বলে দিতে পারি। এরা লাভ জিহাদ, রেশন জিহাদ, ধর্ম জিহাদ করে তৃণমূল এই পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ ২ করতে চায়। এই রাজ্যকে আমরা বাংলাদেশ বানাতে দেব না।’ নন্দীগ্রামের স্মরণসভা ঘিরে সোমবার এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে ওঠে। বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের পাল্টা পোস্টার-যুদ্ধও চোখে পড়ে। শুভেন্দুর বক্তৃতা থেকে স্পষ্ট, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। সোমবার গোকুলনগর ও করপল্লী এলাকায় আয়োজিত বিশেষ সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, ‘আসল পরিবর্তন ২০১১ সালে হয়নি। আমরা ভুল করেছি। একজন পরিবারবাদী, দুর্নীতিগ্রস্ত, বেকারদের সর্বনাশকারী, হিন্দু নিধনকারী এবং উত্তর কোরিয়ার প্রশাসকের মতো প্রতিহিংসাপরায়ণ একজনকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোই ছিল আমাদের বড় ভুল। আমরা স্বীকার করি, সেটা আমাদের অপরাধ ছিল। তবে এবার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সত্যিকারের পরিবর্তন আনব। বোতল বদলেছে, কিন্তু মদ বদলায়নি।’ তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়িয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, ‘নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কোনও মামলা হয়নি। কিন্তু আমার নামে ৪২টি মামলা দায়ের হয়েছিল। লক্ষ্মণ শেঠের নামে ছিল ৭৩টি মামলা। তখন বুদ্ধদেববাবু বলেছিলেন, মোবাইল ট্র্যাক করো — যারা ঘটনাস্থলে ছিল না, তাদের নাম বাদ যাবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন ১১৭ জন নেতাকে ৯টি খুনের মামলায় ফাঁসিয়েছিলেন।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘নন্দীগ্রামের ঘটনায় যেসব শহিদের পরিবার আমার সঙ্গে গিয়েছিল, সেই চারটি পরিবারকে আপনি ক্ষতিপূরণের টাকা দেননি। আপনি সবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি, মৌলবাদীদের নেত্রী হয়ে উঠেছেন। আমি নিজে সেই চারটি পরিবারকে ১৬ লক্ষ টাকা দিয়েছি — তারা টাকার দাবি করেনি, কিন্তু আমি বুঝেছিলাম যে বিজেপিতে আসার কারণেই তারা ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আর দ্বিতীয় কি করেছেন ? ২০০৭ সালের ১০ই নভেম্বর আদিত্য বেরা সত্যেন গোল থেকে শুরু করে যে ১১ জন অপহৃত হয়েছিল, তাদের মধ্যে ৭ জন ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য আপনার দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছে। কিন্তু আপনার সরকার সেই সার্টিফিকেট দেয়নি। ভারতীয় সংবিধানের নিয়ম আছে যে ৭ বছর হয়ে গেলে যদি খোঁজ না পাওয়া যায় তাহলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সাত বছর পরে পঞ্চায়েতের ডেথ সার্টিফিকেট দিতে কোন অসুবিধা ছিল না।’
এরপর উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘শুনে রাখুন আপনারা, আদিত্য বেরার মেয়ে সাক্ষী এখানে, আমি হাইকোর্ট করে নিজের খরচে এদেরকে সোনাচূড়া এবং গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ডেট সার্টিফিকেট পাইয়ে যাওয়ার কাজ করেছি। যে কাজ মমতা ব্যানার্জির করা উচিত ছিল, সেই কাজটা শুভেন্দু অধিকারী করেছে।’
তৃণমূলের নেতাদের ‘পরিযায়ী’ হিসাবে উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘খত কাটবো আমরা আর দই খাবে না আপনি? ভাইপো কোথায় ছিল তখন? হেলিকপ্টারে করে ঘোরে। তিনি আপনার কোম্পানির মালিক হয়েছেন। বড় বড় কথা বলেন। পকেটে হাত ঢুকিয়ে বলেন যে ‘তোর বাপকে ডাক’। কোথাও ছিল না। আপনি দুটো অন্যায় করেছেন। এই অন্যায়ের ক্ষমা নন্দীগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মা করবে না। হিন্দু হতে পারে অথবা মুসলিম হতে পারে। রাধারানী আড়ি-সহ গোকুলনগর এর মালপাড়া, অধিকারী পাড়া, গাদুপাড়া,৩০০ বাড়ি আক্রান্ত হয়েছে। মায়ের সামনে মেয়ে এবং মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ২০০৭ সালের ১৫ মার্চ সকাল ৮ টার সময়… এরা আপনাকে ক্ষমা করবে না।’
মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামের মানুষদের প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘২০১২ সালের ১৪ ই মার্চ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে কৃষক দিবস উপলক্ষে নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের মাঠে সভা করে আপনি করেছিলেন, সাংসদ হিসেবে আমি ছিলাম। ঘোষণা করেছিলেন সরকারি অর্থে নন্দীগ্রামে একটা বড় শহীদ বেদী বানাবো। বানাননি। আপনি বলেছিলেন গোকুলনগর অঞ্চলে ক্লাস ওয়ান থেকে টুয়েলভ রেসিডেন্সিয়াল বিদ্যালয় বানাবো। গরিব পরিবারের ছেলেমেয়েরা সেখানে থাকবে, খাবে পড়বে এবং দ্বাদশ শ্রেণী পাস করে উচ্চ শিক্ষার জন্য বেরিয়ে যাবে। জমি দেওয়ার পরেও আপনি করেননি। সোনাচূড়াতে আইটিআই কলেজ তৈরি কথা ছিল আপনার। কিন্তু আইটিআই আপনি করেননি। সুব্রত মুখার্জিকে ধরে মোদীজি সরকারের গ্যারান্টি নিয়ে আমি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে এসেছিলাম। ওখানে আপনার টাকা নেই, ভারত সরকারের টাকা। পাঁচ শতাংশ সুদের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ঋণ।’
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘টাটাকে তাড়ানোর সময় চকলেট বা ক্যাডবেরি খাওয়া অনশনে আমি যাইনি, কোথাও দেখতে পাবেন না আমায়। টাটা বেকার যুবকদের চাকরি দিতে এসেছিল কিন্তু তাদের তাড়ানো হয়েছে। আসল পরিবর্তনের এপিসেন্টার হলো নন্দীগ্রাম। ১৪ ই মার্চ না হলে দিদি থেকে দিদিমা হতেন মুখ্যমন্ত্রী কোনদিন হতে পারছেন না। আপনি নিজেকে নন্দীগ্রামের মালিক ভেবেছিলেন আমি ওখান থেকে এখানে ছুটে এসেছেন আমাকে হারানোর জন্য। কিন্তু নন্দীগ্রামের হিন্দুরা আমাকে জিতিয়ে আপনাকে ব্যাক টু দাতা প্যাভিলিয়ন করে দিয়েছে।’ সব শেষে নন্দীগ্রামের মানুষদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাই আপনাদের কাছে আমি বলব শুভেন্দু অধিকারী যদি কোনদিন সুযোগ পায় আপনাদের ঋণ শোধ করবে। আমার শরীরের চামড়া কেটে যদি আপনাদের পায়ের জুতো বানিয়ে দি তাহলে আপনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।’


এদিন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও একহাত নিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘সিপিএমের সময়েও পুলিশ গর্তে ঢুকে ছিল। এখন যেমন পুলিশ গড়তে ঢুকে থাকে। তৃণমূল বললে গর্তে থেকে বেরোয়। তখনো পুলিশ গর্তে ঢুকে ছিল। পরিবর্তন কিছুই হয়নি। বোতল বদল হয়েছে মদটা পুরনোই আছে। কোন পরিবর্তন হয়নি। যে কারণে এখনো আরজি করের অভয়া বিচার পায় না। দুর্গাপুরের আইকিউসিটিতে এমবিবিএস-এর ছাত্রী বিচার পায় না। প্রত্যেকদিন ছোট ছোট বাচ্চা মেয়ে ধর্ষণ হয়, খুন হয়। কিন্তু এদের দেখা পাওয়া যাবে না। এদের দেখা পাওয়া যায় তৃণমূলের মিটিংয়ে জলের বোতল গুণতে। ওদের দেখা পাওয়া যায় কৃষ্ণনগরের মহুয়া মৈত্রের বিয়ের অনুষ্ঠানে, কেউ দু’বার খাচ্ছে নাকি তার হিসাব রাখতে‌।’

আজকের খবর