ব্রেকিং
Latest Posts
Anik Dutta Dies: ছাদ থেকে পড়ে রহস্য মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের, টলিউডে শোকের ছায়া, উঠছে একের পর এক প্রশ্নTMC MLA Arrest : পুরীর হোটেল থেকে আটক বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল! রাতারাতি কলকাতায় আনার তোড়জোড়ে চাঞ্চল্যSuvendu Adhikari : ‘জলদি ভাগো!’ হাকিমপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর, ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতিতে ফের জোরAnnapurna Yojana : অন্নপূর্ণা যোজনায় বড় চমক! বুধবারই আসছে ফর্ম, ১ জুন থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা? কল্যাণী থেকে বিস্ফোরক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুরWife Swapping in India : স্ত্রী-বিনিময়ের গোপন চক্র, মহানগরের আড়ালে বাড়ছে ‘ওয়াইফ সুইচিং’ ট্রেন্ড, সম্পর্ক ও আইনের সামনে নতুন প্রশ্ন
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata letter to Gyanesh Kumar : দিল্লি যাওয়ার আগে জ্ঞানেশ কুমারকে ষষ্ঠ চিঠি মমতার, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা

Mamata letter to Gyanesh Kumar : দিল্লি যাওয়ার আগে জ্ঞানেশ কুমারকে ষষ্ঠ চিঠি মমতার, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত এবং অগণতান্ত্রিক উপায় চলছে বলে অভিযোগ জানিয়ে ষষ্ঠ বারের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে চিঠি পাঠালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‌   তৃণমূলের....

Mamata letter to Gyanesh Kumar : দিল্লি যাওয়ার আগে জ্ঞানেশ কুমারকে ষষ্ঠ চিঠি মমতার, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata letter to Gyanesh Kumar : দিল্লি যাওয়ার আগে জ্ঞানেশ কুমারকে ষষ্ঠ চিঠি মমতার, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত এবং....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত এবং অগণতান্ত্রিক উপায় চলছে বলে অভিযোগ জানিয়ে ষষ্ঠ বারের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে চিঠি পাঠালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‌

 

তৃণমূলের আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে দিল্লির নির্বাচন সদনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। ‌ তার জন্য রবিবার দিল্লি রওনা দিলেন মমতা। ‌ এদিকে এর আগে মমতার নির্দেশে তৃণমূলের দুই সংসদ দোলা সেন এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন সুপ্রিম কোর্টের দলের তরফে মামলা দায়ের করার পাশাপাশি মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার।

 

অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন তিনি। আগামী বুধবার মামলাটির শুনানি হতে পারে। শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে রবিবার রাতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের কাছে ষষ্ঠ চিঠি পাঠিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় ৮,১০০ মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগ থেকে শুরু করে রাজ্যভিত্তিক এসআইআর-এর পৃথক নিয়ম লাগু করার বিষয় নিয়ে তিন পাতার চিঠিতে আপত্তি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, এর আগে ২০ নভেম্বর, ২ ডিসেম্বর, ৪ জানুয়ারি, ৬ জানুয়ারি ও ১২ জানুয়ারি জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। চিঠিতে মমতা লেখেন, ‘এই প্রথম দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো অবজ়ার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। এঁদের কোনও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নেই এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের ভূমিকার কোনও আইনি ভিত্তি নেই।’ তাঁর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ কিংবা রেজিস্ট্রেশন অব ইলেক্টরস রুলস, ১৯৬০ — কোনও আইনেই মাইক্রো-অবজ়ার্ভারদের এমন ক্ষমতার কথা বলা নেই।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে উপেক্ষা করেই আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে এসআইআর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজ়ারভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই মাইক্রো-অবজ়ারভারদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নেই এবং তাঁরা কোনও ভাবেই এই ধরনের সংবেদনশীল ও আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তা সত্ত্বেও, একতরফা ভাবে তাঁদের মাঠে নামানো হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তিনি।

 

মমতা আরও লিখেছেন, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ কিংবা ১৯৬০—কোনও বিধানেই মাইক্রো-অবজ়ারভারদের এমন ভূমিকা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার কথা বলা নেই। আইন অনুযায়ী ভোটার তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ, দাবি-আপত্তির শুনানি, নথি যাচাই এবং অন্তর্ভুক্তি বা বর্জনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র ইআরও এবং এইআরও-দের হাতেই ন্যস্ত। সেখানে মাইক্রো-অবজ়ারভারদের সক্রিয় হস্তক্ষেপ আইনসঙ্গত নয় বলেই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।

আজকের খবর