ব্রেকিং
Latest Posts
Indian Oil Tankers Strait of Hormuz: যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝেই হরমুজ প্রণালী পেরোল ভারতের দুই তেল ট্যাঙ্কার, কূটনীতির জোরে স্বস্তি দিল্লিরNarendra Modi Kolkata : জয় শ্রীরাম-এ ভরসা নেই বাংলার ভোটে, মমতাকে হারাতে মা কালীর নাম নিয়ে দক্ষিণেশ্বরের আদলে মঞ্চ মোদির ব্রিগেডেTMC Candidates 2026 : ২৬-শের বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় দ্বিতীয় প্রজন্মের উত্থান, টিকিট পেতে পারেন একাধিক প্রবীণ নেতার ছেলে-মেয়েDhuluk Sikkim Offbeat Destination : ধুলুক, সিকিম: মেঘ-ঢাকা পাহাড়ের কোলে অফবিট স্বর্গ—নিঃশব্দ প্রকৃতি আর গ্রামীণ জীবনের অনন্য মেলবন্ধনCEC Gyanesh Kumar Impeachment : জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে তৃণমূলের উদ্যোগে বিপুল সাড়া বিরোধী সাংসদদের
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Adhir letter to Bratya : ‘শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি হামলা রুখতে শিক্ষা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন’ দাবি করে ব্রাত্য বসুকে চিঠি দিলেন অধীর চৌধুরী, মমতাকে ধন্যবাদ অধীরের

Adhir letter to Bratya : ‘শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি হামলা রুখতে শিক্ষা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন’ দাবি করে ব্রাত্য বসুকে চিঠি দিলেন অধীর চৌধুরী, মমতাকে ধন্যবাদ অধীরের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। বাংলার শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি দৌরাত্ম্য রোখার জন্য এবারে সরাসরি বাংলার শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অধীর....

Adhir letter to Bratya : ‘শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি হামলা রুখতে শিক্ষা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন’ দাবি করে ব্রাত্য বসুকে চিঠি দিলেন অধীর চৌধুরী, মমতাকে ধন্যবাদ অধীরের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Adhir letter to Bratya : ‘শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি হামলা রুখতে শিক্ষা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন’ দাবি করে ব্রাত্য বসুকে চিঠি দিলেন অধীর চৌধুরী, মমতাকে ধন্যবাদ অধীরের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। বাংলার শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি দৌরাত্ম্য রোখার জন্য এবারে সরাসরি বাংলার শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

বাংলার শিক্ষাঙ্গনে দুষ্কৃতি দৌরাত্ম্য রোখার জন্য এবারে সরাসরি বাংলার শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক অতীতে বাংলার রাজনীতিতে স্মরণকালের মধ্যেও যা দেখা যায়নি সেই নজির তৈরি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের কৃষ্ণনাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার যে সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য মন্ত্রিসভা গত ক্যাবিনেট বৈঠকে নিয়েছে, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রীকে বারে বারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন বহরমপুরের ভূমিপুত্র অধীর রঞ্জন চৌধুরী। স্থানীয় মানুষের বহুদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় তিনি একে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, এই সাফল্য কেবল বহরমপুর বা মুর্শিদাবাদের নয়, সমগ্র বাংলার শিক্ষাপ্রেমী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
তবে এই কলেজেই দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য বেড়ে গিয়েছে বলে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার কথা তুলে ধরে শিক্ষা মন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন অধীর।
চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, কলেজ চত্বরে দুষ্কৃতীদের হামলায় ছাত্র-শিক্ষক ও স্থানীয় মানুষের একাংশ আক্রান্ত হয়েছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা চিঠিতে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, ঘোষণার পর কলেজের কিছু প্রাক্তন ছাত্র ও অধ্যাপক-সহ অনেকে অভিনন্দন জানাতে ও মিষ্টি বিতরণ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় একদল দুষ্কৃতী তাঁদের বাধা দেয় এবং হামলা চালায়। এতে কয়েক জন গুরুতর জখম হন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়-হিতাকাঙ্ক্ষী ছাত্রছাত্রী এবং স্থানীয় মানুষ শান্তিপূর্ণ অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। এর পাশাপাশি সরাসরি ব্রাত্য বসুর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ দাবি করে তিনি লিখেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হিংসা কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ছাত্র-শিক্ষকদের উপর আক্রমণ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি কেবল ছাত্রদের নয়, সমগ্র বাংলার মানুষের। তাই এই আক্রমণ আসলে বৃহত্তর শিক্ষাঙ্গনের উপরেই আঘাত।

দীর্ঘ দুই পাতার চিঠিতে অধীর রঞ্জন চৌধুরী লিখেছেন, ‘বিগত দিনে রাজ্য বাজেটে বহরমপুর তথা মুর্শিদাবাদের মহারাজা কৃষ্ণনাথ মহাবিদ্যালয় কে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার দীর্ঘদিনের আবেদনকে মঞ্জুর করা হয়েছে, এবং কিছুদিনের মধ্যেই তা নিশ্চই বাস্তবায়িত হবে, তার জন্য আপনাকে তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই প্রয়াস কে সাধুবাদ জানাই। একজন মুর্শিদাবাদবাসী হিসেবে, এটা আমার কাছে এক ঐতিহাসিক আবেগঘন মুহূর্ত। আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। সারা বহরমপুর তথা মুর্শিদাবাদের অসংখ্য স্থানীয় মানুষের বহুদিনের আশা আকাঙ্খা আজ পূর্ণ হলো।
আপনি, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, অবশ্যই এই মহিমান্বিত কৃষ্ণনাথ কলেজের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সম্পর্কে অবগত, এই কলেজের প্রাক্তনী শ্রী মাস্টারদা সূর্য সেন, শ্রী ঋত্বিক ঘটক প্রমুখ, তাঁদেরই উত্তরসূরি সেই কৃষ্ণনাথ কলেজের কিছু প্রাক্তন ছাত্র এবং অধ্যাপক এমন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে, এই কৃষ্ণনাথ কলেজের বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের মুহূর্তে, ফুল মিষ্টি নিয়ে কলেজের অন্যান্য দের অভিনন্দন জানাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু একদল দুষ্কৃতি তাদের শুধু তিরস্কার নয়, মারধোর করে, যাতে তাদের অনেকেই গুরুতর আহত।
এমতবস্থায় , আরও অনেক প্রাক্তন ও স্থানীয় ছাত্র ছাত্রীরা, কৃষ্ণনাথ কলেজ তথা ইউনিভার্সিটির হিতাকাঙ্খী স্থানীয় মানুষরা একত্রিত হয়ে এর প্রতিবাদে মহাত্মা গান্ধীর সত্যাগ্রহের পথে অনশনে সামিল হয়েছেন। শ্রী বসু, আপনি একজন বরিষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তি, আপনি নিশ্চই মানবেন, পৃথিবীর কোনো দেশের ছাত্র বা শিক্ষার্থীদের দমন করে, তাদের মারধোর করে , বঞ্চিত লাঞ্ছিত করে দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। সর্বোপরি, এই ছাত্ররা সেদিন আপনাদের প্রয়াসকে সাধুবাদ জানাতে গিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী শ্রী ব্রাত্য বসুর প্রয়াসকে অভিনন্দন জানাতে মিষ্টান্ন বিতরণ করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তার পরিণতিস্বরূপ তাঁরাই উল্টে দুষ্কৃতীদের কাছে গুরুতর জখম হলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি বা তার সাফল্য তো শুধু ছাত্রদের নয় বা শুধু স্থানীয় মানুষের নয়, সারা বাংলার, এই আবেগ আপনার বা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কোনো অংশে কম নয়। সুতরাং এই আক্রমণ শুধু ছাত্রদের আবেগের বিরুদ্ধে নয়, এই আক্রমণ কৃষ্ণনাথ কলেজ তথা বাংলার শুভাকাঙ্খী সকল মানুষের বিরুদ্ধে। আপনাকে অনুরোধ, আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ এবং দায়িত্ববান শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন, এবং সত্যাগ্রহী অনশনকারীদের দুষ্কৃতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গনের ন্যায্য দাবিকে স্বীকৃতি দিয়ে অনশন ভঙ্গ করান, এই বহরমপুর তথা বাংলার আপামর হিতাকাঙ্খী শুভচিন্তক শিক্ষাপ্রেমী মানুষের কাছে তা এক অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বার্তা বহন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আপনার, তথা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর শুভ প্রয়াসকে অগ্রিম সাধুবাদ জানাই।’

আজকের খবর